ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ঢাকাসহ বহু জেলা,রেড অ্যালার্ট
আলতাব হোসেন/শরীফুল ইসলাম
দেশে বড় ভূমিকম্পের আরেকটি রেড অ্যালার্ট জানিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি। ঈদের আগের রাত শুক্রবার থেকে ঈদের পরদিন রোববার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বহু জেলা। এর আগেও রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ভূমিকম্প হয়েছে, তবে ছিল অনেক কম মাত্রার। এবারের ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে অনেক বেশি হওয়ায় আশঙ্কাটাও বেশি। রংপুর বিভাগে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পসহ ঢাকার কাছাকাছি উৎপত্তিস্থল থেকে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার যে ভূমিকম্প হয়ে গেল_ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তা বড় ভূমিকম্পেরই ‘আগাম বার্তা’। আবহাওয়া অধিদফতর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র ও ইউএস জিওলজিক্যাল সেন্টারে ধরা পড়া এসব ভূ-কম্পনের উৎপত্তিস্থল ও মাত্রা বিবেচনা করে বাংলাদেশের ৪ দিকে ৪টি বড় ধরনের ফাটলকে আগামীতে বড় মাপের ভূমিকম্পের কারণ
হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এদিকে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি নিরোধ বা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। প্রস্তুতিহীনতার কারণে প্রকৃতির কাছে দেশের কোটি কোটি মানুষের এ যেন নিরুপায় আত্মসমর্পণ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতি জানান দিল ভয়ঙ্কর এক বিপর্যয়ের সংকেত। দু’দিনে ঢাকাসহ সারাদেশে ৬ বার মাঝারি আকারের ভূমিকম্প হয়েছে। প্রথম দফায় এর উৎপত্তিস্থল ছিল কুমিল্লার চাঁদপুরে। দ্বিতীয় দফার উৎপত্তিস্থল ঢাকার ৭১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জ জেলার মধ্যবর্তী স্থানে। রংপুর বিভাগে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি, রিখটার স্কেলে যার পরিমাপ ৫ দশমিক ২। স্থায়ী ছিল ১০ সেকেন্ড। এছাড়া ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়।
রাত তখন প্রায় সাড়ে ১০টা। ঈদের আনন্দে মাতোয়ারা ছিল রাজধানীবাসী। হঠাৎ অনাকাঙ্ক্ষিত ঝাঁকুনি আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় জনমনে। এরপর রাত সোয়া ১১টার দিকে আরেক দফা ভূমিকম্প, যার মাত্রা আগেরটার চেয়েও বেশি। অপ্রস্তুত রাজধানীর মানুষ হয়ে পড়ে হতবিহ্বল। শুক্রবার রাতে রাজধানীতে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা লোকজন আতঙ্কে বিপণি বিতান থেকে বের হয়ে আসে। অনেকে আল্লাহর রহমত কামনায় নফল নামাজ আদায় করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উলুধ্বনি, শঙ্খ বাজিয়ে বাঁচার প্রার্থনা করেন। আতঙ্কিত লোকজন বহুতল ভবন থেকে নিচে নেমে আসেন। ভূমিকম্পে ভবনের কোনো অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে কি-না তা পর্যবেক্ষণ করেন।
ভূমিকম্পে নারায়ণগঞ্জের একটি ভবনসহ চাঁদপুরে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের আবাসিক ভবন ও ফরিদগঞ্জে বাসাবাড়ি এবং গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল ভবনে ফাটল দেখা দেয়। এছাড়া ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, জামালপুর, টঙ্গী, নেত্রকোনা, গাইবান্ধার ফুলছড়ি, নীলফামারীর ডোমার, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর, লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ দেশের আরও কয়েকটি এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের বিরাট অঞ্চল বড় রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর বা উত্তর-পূর্ব অঞ্চল রয়েছে। এ অঞ্চলে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের বসবাস। মাঝারি রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল। এ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সাড়ে ৭ কোটি মানুষের বসবাস। এদিকে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকম্পপ্রবণ না হলেও অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে ঘনবসতি রাজধানী ঢাকা পরোক্ষভাবে ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে। জানমালের ক্ষতি কমিয়ে আনতে সব বড় স্থাপনায় ভূমিকম্প নিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াসহ দুর্ঘটনা-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে আগে থেকেই প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভূমিকম্প ও সুনামি বিষয়ক জাতীয় বিশেষজ্ঞ ড. মাকসুদ কামাল আরও বলেন, ঢাকা মাঝারি ঝুঁকিতে থাকলেও দেশের প্রায় অর্ধেক জিডিপি ঢাকাকেন্দ্রিক। চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী। যে কারণে মাঝারি ভূমিকম্পেও অর্থনৈতিক এবং হতাহতের দিক থেকে ঢাকায় মহাপ্রলয় ঘটে যেতে পারে। প্রফেসর কামাল আরও বলেন, ঢাকা শহরের মাত্র ৩৫ শতাংশ স্থাপনা শক্ত মাটিতে তৈরি। বাকি ৬৫ শতাংশ স্থাপনাই বালু দিয়ে বিভিন্ন জলাশয় ভরাট করে নরম মাটিতে তৈরি করা হয়েছে। রিখটার স্কেলে মাত্র ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হলেই এসব স্থাপনা ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
মহাবিপদের আশঙ্কা
বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী পূর্ববর্তী প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের মধ্যবর্তী সময়কে বিবেচনায় রেখে যে কোনো সময় বড় ধরনের ভূমিকম্পের আশঙ্কা করছেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভূতত্ত্ববিদ ও গবেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ অবজারভেটরির পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার সমকালকে বলেন, ‘ঢাকা শহরের পশ্চিম, উত্তর, উত্তর-পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বড় ধরনের ভূ-তাত্তি্বক চ্যুতি রয়েছে; যেগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের উৎস হিসেবে কাজ করেছে।’ তিনি বলেন, ‘যে কোনো বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগে ছোট ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে। এটা আমাদের আগাম সংকেত বা বার্তা দিচ্ছে।’
অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ভূতত্ত্ববিদ ফিল কামিন্স সম্প্রতি ‘ন্যাচার’ শীর্ষক এক জার্নালে বলেছেন, যে কোনো সময় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভয়াবহ ভূমিকম্প হতে পারে। যার উৎপত্তিস্থল হবে বঙ্গোপসাগর। আর এটা হলে ঘটবে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়। ওই ভূ-কম্পনে বাংলাদেশ, ভারতের কলকাতা এবং মিয়ানমারের প্রায় ১০ লাখ লোকের প্রাণহানি ঘটতে পারে। জাতিসংঘের এক বুলেটিনেও বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের জন্য বর্তমানে তেহরান ও ঢাকা হচ্ছে বিশ্বের সর্বাপেক্ষা ঝুঁকিপূর্ণ শহর।
সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি (সিডিএমপি) পরিচালিত এক জরিপ থেকে জানা যায়, দেশে ৭ দশমিক ৫ থেকে ৮ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের প্রায় আড়াই লাখ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এসব ভবন ১৬ বছরের পুরনো। এগুলোর মধ্যে ঢাকার ৭৮ হাজার, চট্টগ্রামের এক লাখ ৪২ হাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ২৪ হাজার ভবন রয়েছে।
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, এখন বিশ্বে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে হালকা ইমারত নির্মাণকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। অথচ আমাদের দেশে ভূমিকম্প রোধক ব্যবস্থা না রেখেই ভারী মানের ইমারত নির্মাণ চলছে। তিনি আরও বলেন, ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে পুরান ঢাকার দুই-তৃতীয়াংশ স্থাপনা ভেঙে পড়তে পারে। এতে প্রাণহানি ঘটবে ব্যাপক। ভূমিকম্পের কারণে গ্যাস সংযোগ একেবারে তছনছ হয়ে পড়বে।
দশ বছরে প্রায় সাড়ে ৩০০ ভূ-কম্পন
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমবিটি এতই সক্রিয় হয়ে উঠেছে যে, ঘন ঘন সেটা নড়াচড়া করছে। আর এর অনিবার্য ফল হিসেবে সৃষ্টি হচ্ছে ভূ-কম্পন। বুয়েটের অধ্যাপক ড. মাকসুদ কামাল হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে গত দশ বছরে প্রায় সাড়ে ৩০০ ছোট-বড় ভূমিকম্প হয়েছে।
বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, দেশের ভেতর ও বাইরের মোট ১২টি উৎস থেকে বাংলাদেশ ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশের পাশের দেশ ভারতের আসামে সর্বশেষ ১৯৫০ সালে ৮ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর আগে ১৯৩৪ সালে বিহার ও নেপালের সীমান্ত এলাকায় যে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল, তার মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ৩। ১৮৫৮ সালে ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মান্দালয়। আর দেশের ভেতরে ডাউকি ফাটলের কারণে ১৮৯৭ সালে ৮ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে ভারত ও বাংলাদেশের ১ হাজার ৫৪২ জন নিহত হয়েছিল। এর মধ্যে ঢাকার ১০ জনসহ বাংলাদেশের মোট ৫৪২ জন ছিল। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ইন্ডিয়ান ভূমিকম্প। এর আগে ১৮৬৯ সালে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এবং ১৮৮৫ সালে মধুপুর/বগুড়া ফাটলে ৭ মাত্রা, ১৯৩০ সালে ধাবরি ফাটলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। ১৮৮৫ সালের ভূমিকম্পেই পদ্মা নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়। ড. আনসারী বলেন, এ পাঁচটির মধ্যে তিনটিরই শতবর্ষ পার হয়েছে। একটির শতবর্ষ কাছাকাছি এবং আরেকটির ৮০ বছর পার হয়েছে। এ পাঁচটি ছাড়া আরও চারটি পয়েন্টে ভূমিকম্প উৎপত্তি হতে পারে। সেগুলো হচ্ছে_ রাজশাহীর তানোর, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এবং রাঙামাটির বরকল। ইতিমধ্যে প্রত্যেকটি পয়েন্টেই ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।
নিরোধ ও প্রতিরোধে কর্মসূচি
বাংলাদেশের বিরাট অঞ্চল বড় রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। এই বিস্তীর্ণ অঞ্চলে প্রায় ১০ কোটি মানুষের বসবাস। এ অবস্থায় সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ভূমিকম্প মোকাবেলায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত বছর জাপানের একটি ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ দল বাংলাদেশে ‘ভূমিকম্প জোন ম্যাপিং’ কার্যক্রম চালায়।
খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক সমকালকে জানান, ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ঝুঁকিপূর্ণ শহর হিসেবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকার বেশকিছু যন্ত্রপাতি কিনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কাছে হস্তান্তর করেছে। ভূমিকম্প বিষয়ে জনগণকে সচেতন হতেও তিনি আহ্বান জানান।
গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান সমকালকে বলেন, সারাদেশে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভবন রয়েছে ৪ হাজার ২৮০টি। এর মধ্যে ঢাকায় তিন হাজার। যেসব ভবনের বয়স ৫০ বছরের বেশি হয়েছে সেগুলো ভূমিকম্প থেকে রক্ষার জন্য রেক্টোফিটিং করা হবে। পরীক্ষামূলকভাবে সচিবালয় দিয়ে শুরু করা হবে। ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রাজধানীকে বাঁচাতে ড্যাপ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নঈম শহিদুল্লাহ বলেন, ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে পুরান ঢাকার দুই-তৃতীয়াংশ স্থাপনা ভেঙে পড়তে পারে। ভূমিকম্পের কারণে গ্যাস সংযোগ একেবারে তছনছ হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, ১৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নিয়েছে সরকার।
পিডবি্লউডির প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ ইয়ামিন সমকালকে জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ও উচ্চ আদালতের নির্দেশে এরই মধ্যে কিছু ভবন ভূমিকম্প নিরোধক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে_ ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশন ও সচিবালয়।
হিমালয়ান-চ্যুতির অভ্যন্তরে প্রচণ্ড চাপ
আমেরিকার কলোরাডো ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক রজার বিলহ্যাম ও তার সহযোগী পিটার মনারসহ উপমহাদেশের আরও কয়েকজন ভূতত্ত্ববিদ ২০০১ সালে হিমালয়ান-চ্যুতির ওপর এক গবেষণা চালান। সেখানে তারা বলেন, প্রায় দু’হাজার কিলোমিটারব্যাপী হিমালয়ান-চ্যুতির অভ্যন্তরে প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে যে কোনো সময় রিখটার স্কেলে ৮ দশমিক ১ থেকে ৮ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। এর প্রভাবে হিমালয় কেন্দ্রিক সাড়ে ১২শ’ মাইল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মারা যেতে পারে ২ লাখ লোক এবং ৫ কোটি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে পারে ঢাকা, কলকাতা, দিলি্ল, কাঠমান্ডু, ইসলামাবাদ ও সনি্নহিত শহরগুলো।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








