Saturday, 25 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

মানবতার ফেরীওয়ালা মোহাম্মদ কাশেম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 160 বার

প্রকাশিত: June 26, 2020 | 7:22 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : মোহাম্মদ কাশেম। জন্ম সিরাজগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর উপজেলার দ্বাবারিয়া গ্রামে। পারিবারিকভাবে ইসলামী অনুশাসনের মধ্যে বড় হওয়া। পিতা হাজী মোহাম্মদ হযরত আলী ও মাতা জোবেদা বেগম একজন আল্লাহ ভীরু পরহেজগার মানুষ। পিতা হযরত আলী যিনি তৎকালীন (১৯৭৮-৭৯) সময়ে ইউনিয়ন বোর্ডের মেম্বর হয়েও নিজের জমি বিক্রি করে অসহায় মানুষকে সহযোগীতা করেছেন। বাবা হযরত আলী ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও দানবীর মানুষ। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, লিল্লাহ বোর্ডিং ও অসহায় মানুষকে করেছেন সহযোগীতা।

মোহাম্মদ কাশেমের ৪ ভাই ৪ বোন। ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। শাহজাদপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯০ সালে সাইম্স নিয়ে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাশ করে। উত্তরবংগের ঐতিহ্যবাহী শাহজাদপুর সরকারী কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। একজন সজ্জন ও বন্ধুবৎসল মানুষ হওয়ায় তার ফ্রেন্ড সার্কেল ছিলো অনেক বড়। শাহজাদপুর থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জরিত ছিলেন। পারিবারিকভাবে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের “সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ছোটো বেলা থেকেই। শাহজাদপুর সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে “ছাত্রদল” মনোনীত প্যানেল থেকে বিপুল ভোটে সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ সময়ে ছাত্র সমাজের মধ্যে ছিলেন ব্যাপক জনপ্রিয়। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে অনেক অসহায় মানুষকে করেছেন সহযোগীতা। ছোট বেলা থেকেই ছিলেন পরোপকারী।

উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় যান। ভর্তি হন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় ছিলো একাউন্টিং। কৃতিত্বের সাথে অনার্স ও মাস্টার্স কমপ্লিট করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রদলের সাথে ছিলেন ঘনিষ্ঠভাবে সক্রিয়। পুরান ঢাকায় মেসে থেকে কাটিয়েন ছাত্র জীবন। মেসে থাকার সময়েও মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছন। দেশের বাড়ী থেকে চিকিৎসা সহ বিভিন্ন সমস্যায় আশা মানুষগুলো অবস্থান করত তার মেসেই। নিজের রুম খালি করে দিয়ে তিনি থেকেছেন অন্যের রুমে। গেষ্ট বেশী আশার কারনে অনেকবার বাসার মালিক তাকে রেড এলার্ট জারী করেছেন বাসা ছেড়ে দেয়ার জন্য। বাসার মালিককে অনেক অনুরোধ করে মানিয়ে নিয়েছেন। তারপরেও গেষ্ট আশা কমেনি। কারন উনি কাউকে কিছুই বুঝতে দেননি সমস্যার কথা। মাসের পর মাস মেস থেকে নিজে রান্না করে হাসপাতালে রোগীর সেবা করা ছিলো চলমান রুটিন। বাড়ী থেকে বড় ভাইয়ের (এমদাদুল হক নওশাদ) পাঠানো মাসিক খরচের টাকাও খরচ করে ফেলতেন সমস্যাগ্রস্ত মানুষের জন্য। শেষমেস টিউশনিও করেছেন। পড়শুনা শেষ করে শুরু করেন ব্যবসা। ৫/৬ বছর সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন। একজন সৎ ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত ছিলো অনেক।

একজন উচ্চাভিলাষী ও পরোপকারী মানুষ হওয়ার কারনে পারি জমান স্বপ্নের দেশ আমেরিকায়। প্রবাসে থেকেও জনহিতকর কাজে করেছেন নিজেকে সম্পৃক্ত। আমেরিকায় বসবাসকারী উত্তরবংগের সবচেয়ে বড় সামাজিক সংগঠন “নর্থবেংগল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক, তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন Ny এর সদস্য সচিব, হযরত আলী ফাইন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, নিউইয়র্কস্থ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সামাজিক সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী যুবদল, যুক্তরাষ্ট্র শাখা। দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনেও ছিলেন প্রথম সারিতে।
প্রবাসের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে দেশের মানুষকে নিয়মিত সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে করোনায় আক্রান্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে।
আমেরিকা প্রবাসী মানবসেবায় নিয়োজিত অনেক ভাই সার্বিক সহযোগিতা করেছেন মোহাম্মদ কাশেম এর “করোনায় আক্রান্ত মানুষকে সহযোগীতার “এ উদ্যোগে।
মোহাম্মদ কাশেম, পরিবারের বাবা, মা, ভাই বোন, আত্বীয় স্বজন কে বিভিন্ন বিপদে আপদে আন্তরিক ভাবে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।
আজীবন মানুষের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান মোহাম্মদ কাশেম। এর জন্য সকলের দোয়া প্রার্থী তিনি।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV