Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট অভিযোগ করেছেন প্রিয়া সাহা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 192 বার

প্রকাশিত: July 20, 2019 | 10:20 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেন বলেছেন, “প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে যে অভিযোগ করেছেন তা একেবারেই মিথ্যা। বিশেষ মতলবে এমন উদ্ভট অভিযোগ করেছেন তিনি। আমি এই আচরণের নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কারণ, বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীর ২৫ শতাংশ ধর্মীয়ভাবে সংখ্যালঘু। যদিও সংখ্যালঘুর সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশ।”

রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেওর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘ধর্মীয় স্বাধীনতায় অগ্রগতি’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী সমাবেশে বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতির বিস্তারিত আলোকপাত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।মিয়ানমার জান্তার বর্বরতার শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানরা যখন বাঁচার তাগিদে বসতভিটা ত্যাগ করে, সেই ১১ লক্ষাধিক অসহায় মানুষকে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ। সে কারণে বিশ্বের সভ্য সমাজে বাংলাদেশের মহানুভবতার প্রশংসা উচ্চারিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একই সম্মেলনে যোগদানকারী এনজিও কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার এমন অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসীদেরকেও বিস্ময়ে হতবাক করেছে।

ড. এ কে মোমেন ১৯ জুলাই (শুক্রবার) বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে অনুষ্ঠিত বহুজাতিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য শেষে লন্ডনের উদ্দেশে বস্টন ত্যাগের প্রাক্কালে এ সংবাদদাতাকে আরও বলেন, “ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশের প্রকৃত পরিস্থিতির আলোকপাত করেছেন। তাই প্রিয়া সাহার বক্তব্য যে অন্তঃসারশূন্য এবং বিশেষ উদ্দেশ্যে এমন জঘন্য মিথ্যাচার করেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ ধরনের অভিযোগে প্রকারান্তরে শান্তিপূর্ণ সমাজে বিশৃঙ্খলা উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তা কখনো হতে দেবে না। আশা করছি প্রিয়া সাহার বোধোদয় ঘটবে।”

“ইতিমধ্যেই অনেক প্রবাসী আমাকে ফোন করে প্রিয়া সাহার বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন যারে সহ্য হচ্ছে না সেই গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য হাসিল করতেই এমন উদ্ভট প্রসঙ্গের অবতারণা করা হয়েছে “ যোগ করেন ড. মোমেন।

এদিকে, প্রিয়া সাহাকে শুক্রবার সকালে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেও কথা বলেননি এ সংবাদদাতার সঙ্গে। লাইন কেটে দেওয়ার পর কয়েক ফা চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি টেক্সট মেসেজ দিলেও জবাব নেনি ২০ জুলাই নিউইয়র্ক সময় শনিবার ভোর রাত পর্যন্ত। 
নিউইয়র্কে বসবাসরত তার ঘনিষ্ঠ স্বজনরা প্রিয়া সাহার বক্তব্য নিয়ে কোনও মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া না জানালেও নাম গোপন রাখার শর্তে শুধু বলেছেন যে, তার স্বামী মলয় সাহা দুদকের গুরুত্বপূর্ণায়িত্ব পালন করছেন। যুক্তরাষ্ট্রে তার দুই সন্তান লেখাপড়া করছেন আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট হিসেবে। প্রিয়া সাহা নিজেও ঢাকাস্থ মার্কিনূতাবাস থেকে ভিসা নিয়ে স্বামীর গাড়িতে (সরকারি যানবাহন) এয়ারপোর্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন। তাহলে তিনি নির্যাতিত বলে দাবি করলেন কীভাবে।

ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন’র কর্মকর্তা জয় ক্যানসারার চেষ্টায় প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্রে এই সম্মেলনে আসেন বলে জানার পর জয় ক্যানসারার মাধ্যমে প্রিয়া সাহার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

ঐক্য পরিষদের যুক্তরাষ্ট্র শাখার কর্মকর্তারাও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বক্তব্য/বিবৃতি দিতে চাননি প্রিয়া সাহার অভিযোগ প্রসঙ্গে। 
ডেমক্র্যাটিক পার্টির সংগঠক খোরশেদ খন্দকার প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে বলেছেন, “প্রিয়া সাহা নিজের স্বার্থে বাংলাদেশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের সহজ পথ হিসেবে এমন উদ্ভট-আজগুবি কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে।” এনআরবি নিউজ

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বাংলাদেশি প্রিয়া সাহা বলেছিলেন

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন ধর্মের ২৭ জন মানুষকে ডেকেছিলেন তাদের দুর্ভোগের কথা শোনার জন্য। গত বুধবার সেখানে মায়ানমার, নিউজিল্যান্ড, ইয়েমেন, চায়না, কিউবা, ইরিত্রিয়া, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, সুদান, আফগানিস্তান, নর্থ কোড়িয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান জার্মানি, বাংলাদেশ সহ আরো কয়েকটি দেশের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের প্রত্যেকেই ট্রাম্পকে তাদের নিজ দেশের দুর্ভোগের কথা বলছিলেন। সেখানেই বাংলাদেশ থেকে যাওয়া নারী ট্রাম্পকে বলেন, তার জমি জমা কেড়ে নিয়েছে বাংলাদেশি মুসলিমরা, তার ঘরবাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তাই তিনি ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসেছেন। ওই নারীর বক্তব্যের পর দেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে। রীতিমতো নেটিজেনরা ওই নারীর বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন। তারা ট্রাম্পকে হ্যাশ ট্যাগ, মেনশন করে জানাচ্ছেন ওই মহিলা মিথ্যে কথা বলেছেন। তবে কেন ওই নারী এমন কথা বললেন তা জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গণমাধ্যম পুরো অনুষ্ঠানটি ফেসবুকে লাইভ করার কারণে ভিডিওটি সকলের সামনে চলে আসে।

ওভাল অফিসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সেই নারী ট্রাম্পকে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। সেখানে ৩৭ মিলিয়ন হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ খ্রিস্টানকে গুম করা হয়েছে। এখনো সেখানে ১৮ মিলিয়ন সংখ্যালঘু জনগণ রয়েছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন। আমরা আমাদের দেশ ত্যাগ করতে চাই না। আমি আমার ঘর হারিয়েছি, আমার জমি নিয়ে নিয়েছে, আমার ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে কিন্তু সেসবের কোনো বিচার নেই।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প জিজ্ঞেস করেন কারা এসব করছে? বাংলাদেশি ওই নারী বলেন, ‘সবসময় উগ্রবাদী মুসলিমরা এই কাজ করছে। সবসময় তারা রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে এই কাজ করে।’

এরপরই বিষয়টি টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে ওই মহিলার নাম প্রিয়া সাহা। তিনি বাংলাদেশের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয়দানকারী।

জানা গেছে, প্রিয়া সাহা মহিলা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন, রোকেয়া হলে থাকতেন। এখন একটি এনজিও আছে ওনার। বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য গতবছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়, বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার নাটক করে প্রচুর বিদেশি ফান্ড কালেক্ট করেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি চরবানিরী, মাটিভাঙ্গা, নাজিরপুর, পিরোজপুর।

প্রিয়ার স্বামী মলয় সাহা সহকারী উপপরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের দুই মেয়ে কয়েক বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করছেন। কিছুদিন পূর্বে প্রিয়া সাহা আমেরিকায় যান।

সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই দাবি তুলেছেন তাকে শাস্তির আওতায় আনার। এ এইচ সুজন নামে একজন লিখেছেন, এই মহিলার পরিচয় বের করে দেশদ্রোহীতার কারনে আইনের আওতায় আনা উচিত। তার পরিবার ও বংশের কেউ বাংলাদেশে থাকলে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা উচিত।

সাইফ নাসির লিখেছেন, প্রিয়া সাহা শুধু হিন্দু ধর্মের লোকদের নয়, পুরো বাংলাদেশকেই বিপদে ফেলে দিয়েছে। একই সঙ্গে মৌলবাদীদের হাতে চমৎকার একটি ইস্যুও তুলে দিয়েছে। এর প্রভাবে পানি যে কতো ঘোলা হবে তা আমরা ধারণা করতে পারছি না। আমার বিশ্বাস তিনি কোন ম্যাসাকারের অপেক্ষায় আছেন। আশা করি, সরকার কোন বুদ্ধিদীপ্ত সমাধান বের করবে। ইতিপূর্বে এগুলো মোকাবেলা করার অভ্যাস সরকারের আছে।

রুদ্র সাইফুল লিখেছেন, প্রিয়া সাহা মহিলা ঐক্য পরিষদ’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন, রোকেয়া হলে থাকতেন। এখন একটি এনজিও আছে ওনার। বিভ্রান্তিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য গতবছর তাকে মহিলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়, বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার নাটক করে প্রচুর বিদেশি ফান্ড কালেক্ট করেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি চরবানিরী, মাটিভাঙ্গা, নাজিরপুর, পিরোজপুর।

প্রিয়ার স্বামী মলয় সাহা সহকারী উপপরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), তাদের দুই মেয়ে কয়েক বছর ধরে মলয় সাহার দুর্নীতির টাকায় আমেরিকায় বসবাস করছেন। কিছুদিন পূর্বে প্রিয়া সাহাকে দুদকের অফিসিয়াল গাড়ি ব্যবহার করে এয়ারপোর্টে পৌছে দেন তার স্বামী, দুদকের সহকারী পরিচালক মলয় সাহা। সকালে এয়ারপোর্ট পৌছে ফ্লাইট মিস করেন প্রিয়া, তারপর সেদিন রাতেই আরেকটি ফ্লাইটে তিনি আমেরিকায় রওনা হন, তার বিদায় মুহূর্তে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী আকবর কবিরের কন্যা তথাকথিত মানবাধিকার কর্মী খুশী কবির।

প্রিয়ার সাহার এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হওয়ায় তার স্বামী মলয় সাহাকে অতিদ্রুত চাকুরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক; ভুলে গেলে চলবে না তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে অলরেডি অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলেছেন বাংলাদেশের।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV