Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটের তৃতীয় এবং শেষ বিতর্কে ওবামার জয়

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 198 বার

প্রকাশিত: October 23, 2012 | 8:00 AM

কাউসার মুমিন, নিউ ইয়র্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটকে বলা হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির মূলমঞ্চ। এমনকি অতীতে ঐতিহাসিকভাবে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতির নিয়ামক ইস্যুগুলোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্থান পর্বের প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতির চলমান ইস্যুগুলোকেই নির্বাচনে ভোটারদের কাছে নীতিনির্ধারণী ইস্যু হয়ে উঠতে দেখা গেছে। গতকাল মার্কিন সময় রাত ৯টায় ফ্লোরিডার লেইনেন ইউনিভার্সিটিতে সিবিএস নিউজের ফেইস দ্য ন্যাশন খ্যাত সাংবাদিক ববি ফিশারের পরিচালনায় প্রেসিডেন্ট ওবামা ও গভর্নর রমনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটের তৃতীয় এবং শেষ বিতর্কেও শেষ পর্যন্ত মার্কিন রাজনীতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ‘অপরিহার্য কেন্দ্রীয়’ ভূমিকারই জয় হলো। পুরো এক বছরে নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের পর গতকালের শেষ বিতর্কেই এই প্রথম মনে হয়েছে যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণা ‘মার্কিন মেজাজে’ ফিরে এসেছে এবং সেই সঙ্গে যুক্তি, তর্ক, বুদ্ধিমত্তা, বলিষ্ঠ উচ্চারণ আর শাণিত উপস্থাপনায় আপন আলোয় উদ্ভাসিত হয়েছেন প্রত্যাশার ঔদ্ধত্যের দুর্বিনীত পুরুষ বারাক ওবামা। গতকালের বিতর্কে প্রথম বিতর্কের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র ফুটে উঠেছে, প্রথম বিতর্কে ওবামার চেয়ে রমনী অনেক সপ্রতিভ, আক্রমণাত্মক এবং বলিষ্ঠ ছিলেন। গতকালের পুরো বিতর্কে বলিষ্ঠ বক্তব্য ও ক্ষুরধার উপস্থাপনায় প্রভাব বিস্তারকারী ওবামার কাছে গভর্নর রমনীকে ‘স্বতপ্রণোদিত আপসকামী’ বলে মনে হয়েছে, যিনি শুধু এটা প্রমাণেই ব্যস্ত ছিলেন যে তিনি কোন যুদ্ধবাজ নন। .. আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে নির্ধারিত এই তৃতীয় ও শেষ বিতর্ক চলাকালে বার বার মনে হয়েছে গভর্নর রমনী বিতর্কের মঞ্চ থেকে বের হয়ে যেতে চান এবং শুধু অর্থনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিতর্ক করতে আবার নতুন করে মঞ্চে প্রবেশ করতে চান। যদিও অর্থনীতি এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু, কিন্তু চীনের মুদ্রানীতি নিয়ে চীন-মার্কিন অচলাবস্থা, ইরানের পরমাণু ইস্যুতে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা এবং বিশ্ব জুড়ে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা মার্কিন অর্থনীতি ও নিরাপত্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তাই নির্বাচনী ইস্যুতে ঘুরেফিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিই নীতিনির্ধারণের মূলকেন্দ্রে চলে আসে। পুরো বিতর্কে রমনীর সুস্পষ্ট নমনীয় অবস্থান ছিল চোখে পড়ার মতো .. রমনী ক্যাম্পেইন কর্তৃক অনুসৃত এতোদিনের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির গতরাতে আবারও বলিষ্ঠ উচ্চারণের মাধ্যমে দোদুল্যমান ভোটারদের মনে আরেকটি যুদ্ধ-সম্ভাবনা জাগিয়ে ভোট না হারাবার একটি আপ্রাণ প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে রমনীর বিতর্কে। পাকিস্তানে ড্রনস আক্রমণ থেকে আফগানিস্তান, ইরান, সিরিয়া এসব ইস্যুতে রমনী প্রেসিডেন্ট ওবামার নীতির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন, যদিও কোন কোন ইস্যুতে কৌশলের ক্ষেত্রে রমনীর ভিন্ন অবস্থান রয়েছে … বিতর্কে রমনীর সবচেয়ে বড় পরাজয় ঘটে যখন রমনীর পররাষ্ট্রনীতিকে ‘ভুল’ এবং কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, ‘আপনি বিদেশে অবস্থানরত আমাদের সৈন্যদের এবং আমাদের মিত্ররাষ্ট্র সমূহের কাছে ভুল বার্তা পাঠাচ্ছেন ’। জবাবে ধরাশায়ী রমনী আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ক এই বিতর্কের মূল বিষয় বস্তু এড়িয়ে গিয়ে তার প্রিয় অর্থনীতি বিষয়ক পঞ্চ-পরিকল্পনার বর্ণনা দিতে শুরু করলে অদ্ভুত অপ্রাসঙ্গিক বাক্য বিনিময়ের মাধ্যমে বিতর্কটি একপর্যায়ে নির্ধারিত বিষয় থেকে অপ্রাসঙ্গিকতার দিকে যাত্রা করে। বিতর্কের মূল বিষয় পররাষ্ট্রনীতি থেকে ঘুরেফিরে রমনী অভ্যন্তরীণ নীতিতে ফিরে আসছিলেন। বার বার অর্থনীতিতে ওবামার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে রমনী বিতর্কে প্রাধান্য বিস্তারের চেষ্টা করেন। কিন্তু বিতর্কের শুরু থেকেই ওবামা বেশ আক্রমণাত্মক ছিলেন। নব্বই মিনিটের এই বিতর্কে প্রেসিডেন্ট ওবামা নিরঙ্কুশ প্রাধান্য বিস্তার করতে না পারলেও বিতর্ক পরবর্তী সিএনএন জরিপে রেজিস্টার্ড ভোটারের ৪৮ শতাংশ ওবামা জয়ী হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আর ৪০ শতাংশ বলেছেন রমনী জিতেছেন। বিতর্কে প্রেসিডেন্ট ওবামা মধ্যপ্রাচ্য, রাশিয়া সম্পর্কে রমনীর অবস্থান এবং স্নায়ু যুদ্ধোত্তর বর্তমান বিশ্বরাজনীতি বিষয়ে রমনীর ধারণা নিয়ে তাকে বেশ কয়েকবার উপহাস করেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই পুরো বিতর্কে প্রেসিডেন্ট ওবামাকে একজন সত্যিকারের কমান্ডার হিসেবে বিশ্বনেতার মতোই কথা বলতে দেখা গেছে যেখানে গভর্নর মিট রমনী তার অভিজ্ঞতার সংকীর্ণতাকে কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এমনকি পুরো বিতর্কে মিট রমনী বর্তমান ওবামা প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সবচয়ে বড় ব্যর্থতা লিবিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত হত্যার বিষয়টিকে উপযুক্ত মাত্রায় কাজে লাগাতেও ব্যর্থ হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV