Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে টেলিভিশন বিতর্ক : রমনি জিতলেন, কিন্তু ভোটে জিতবেন তো?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 136 বার

প্রকাশিত: October 4, 2012 | 10:21 AM

অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে প্রধান দুই দলের প্রার্থীরা গতকাল বুধবার রাতে টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেন। ফলাফল বলছে, রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী মিট রমনি হারিয়ে দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রার্থী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ জয়ে কতটুকু লাভবান হবেন রমনি। প্রথম মুখোমুখি তর্কে জেতার পর নিশ্চিতভাবেই রমনির তহবিলে চাঁদার পরিমাণ বাড়বে, দোদুল্যমান ভোটারদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রমনিকে ভোট দেবেন এবং রমনির দলের সমর্থকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এ ছাড়া অনেক প্রচারমাধ্যমও রামনির সমর্থনে এগিয়ে আসবে। এর পরও কথা থেকে যায়। নির্বাচনের মাত্র এক মাস বাকি। এত অল্প সময়ের মধ্যে বিতর্কের এ ফলকে পুঁজি করে কতটুকু এগোতে পারবেন রমনি? রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এ ধরনের বিতর্ক যথেষ্ট জনপ্রিয়, অথচ সত্যি হলো, এসব বিতর্কের ফলাফল নির্বাচনের ফলকে খুব কমই প্রভাবিত করতে পারে। বিতর্কে ওবামা পিছিয়ে পড়লেও এমন বেফাঁস কোনো মন্তব্য করেননি, যাতে তাঁর সমর্থকেরা পিছিয়ে যেতে পারেন। সান দিয়াগোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক স্যামুয়েল পপকিন বলেন, ‘এ বিতর্ককে কেন্দ্র করে কেউই পক্ষত্যাগ করবে না।’ এ বিতর্কে প্রেসিডেন্টের সমান মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়ে রমনি সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছেন। তিনি ভোটারদের এটা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে একজন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে। রমনি যেভাবে যথাযথ উপায়ে এবং তীক্ষতার সঙ্গে তাঁর বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, তা তাঁর পুঁজি হয়ে থাকল। নিশ্চিতভাবেই রমনির এসব আক্রমণ ক্যাবল টেলিভিশন ও ইউটিউবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে। বিতর্কের সময় ওবামাকে খুব বেশি স্বতঃস্ফূর্ত মনে হয়নি। তাঁর উত্তরগুলো ছিল সরল এবং পেশাদারি। বক্তব্যে সত্যতা ছিল, কিন্তু গভীরতা ছিল কম। ওবামা যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন, বাজেট এবং কর নিয়ে রমনি যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, তা অকার্যকর হবে। কিন্তু, রমনির অনেক শক্তিশালী আক্রমণের কোনো জবাবই দিতে পারেননি ওবামা। ইয়াংসটাউন স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক পল স্রাকিক বলেন, ‘রমনি জিতেছেন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি স্পষ্ট ব্যবধানেই জিতেছেন।’ এটা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে। বিতর্কের কিছুক্ষণ পর বার্তা চ্যানেল সিএনএনের চালানো এক জরিপের ৬৭ শতাংশ ভোটার বলেছেন, বিতর্কে রমনির জয় হয়েছে। অনলাইনে জরিপ চালায় এমন এক প্রতিষ্ঠান ইনট্রেড। এর ফলাফল বলছে, রমনির জনপ্রিয়তা ৭৪ থেকে ৬৬ শতাংশে নেমে এসেছে। আরও বেশকিছু জরিপের ফল বলছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে নির্বাচনে। তবে যেসব অঙ্গরাজ্যের ওপর চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে, সেসবে এখনো নিশ্চিতভাবে এগিয়ে আছেন ওবামা।
বিতর্কের ফলের নিষ্ফলতা অনেক জরিপকারী ধারণা করছেন, বিতর্কের পর ওবামার জনপ্রিয়তা কমবে। কিন্তু, অভিজ্ঞতা বলছে, এসব বিতর্কের প্রভাব খুবই কম। উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টম হলব্রুক বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ১৬টি বিতর্ক হয়েছে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বিতর্কের কারণে মাত্র ১ শতাংশ ভোট এদিক-ওদিক হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল ২০০৪ সালের নির্বাচনের সময়। তখন ডেমোক্রেটিক দলীয় প্রার্থী জন কেরির জনপ্রিয়তা ২.৩ শতাংশ বেড়েছিল। কিন্তু, নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় প্রার্থী জর্জ ডব্লিউ বুশ জয় লাভ করেছিলেন। ‘দ্য ক্যান্ডিডেট’ বইয়ের লেখক পপকিন বলেন, ‘বিতর্কের ফল যা-ই হোক না কেন, যেসব ভোটার রমনিকে ভোট দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা সিদ্ধান্ত বদলাবেন বলে মনে হয় না।’ বেশকিছু বিশ্লেষক বলেছেন, রমনি যখন রক্ষণশীলদের পক্ষে কথা বলে মধ্যপন্থীদের নিজের দলে ভেড়াতে চাইছেন, তখন ওবামা শিক্ষা এবং অন্যান্য সমস্যা কাটাতে এসব মধ্যপন্থীদের ভূমিকাকে সাফল্যের সঙ্গে ব্যাখ্যা করেছেন। আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডটি লিঞ্চ বলেন, ‘ভোটাররা বেশির ভাগ সময় বাচনশৈলীর চেয়ে সারকথা বেশি পছন্দ করেন।’প্রথম আলো
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV