মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ

কূটনৈতিক রিপোর্টার: সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। যে কোন নিখোঁজের ঘটনাকে মৌলিক মানবাধিকার পরিপন্থি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত তাকে খুঁজে বের করতে সকল পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল বিকালে রাষ্ট্রদূতের গুলশানে বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। উদভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বানও জানান তিনি। ড্যান মজিনা বলেন, এ ঘটনায় অনেকের সঙ্গে আমিও উদ্বিগ্ন। কারণ, এটি মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থি। এটা শোচনীয় এবং নিন্দনীয় ঘটনা। নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের জন্য এটি একটি ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। গত ১৯শে এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ প্রথম নিরাপত্তা সংলাপ প্রসঙ্গে অবহিত করতে কয়েক জন সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রদূত। সাংবাদিকরা বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাষ্ট্রদূত দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচন এবং বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ক্রমশ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখন বৈরী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থার উত্তরণে রাজনৈতিক দলগুলো সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি পথ ও পন্থা খুঁজে বের করতে হবে। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংলাপের আহ্বান পুনঃব্যক্ত করে তিনি বলেন, সংলাপের মাধ্যমে একটি সমঝোতার পথ খুঁজে বের করুন। নিজে গণতন্ত্রে বিশ্বাসী জানিয়ে রাষ্ট্রদূত মজিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষও গণতান্ত্রিক। তারা ভদ্র, নম্র এবং রাজনীতিসচেতন। এখানে গণতন্ত্রের শিকড় গভীরভাবে প্রোথিত এবং এর ভবিষ্যৎও গণতান্ত্রিক।
সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রসঙ্গ: ড্যান মজিনা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রসঙ্গে বলেন, প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত এই নিরাপত্তা সংলাপ খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সংলাপের লক্ষ্য ছিল দু’দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ ও জোরদার করা। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ, মহড়া ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা আরও বাড়বে। সংলাপে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় হয়। নিরাপত্তা প্রশ্নে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। সেজন্যই এখন থেকে প্রতিবছর এ ধরনের নিরাপত্তা সংলাপের আয়োজন করা হবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, উদার ও সহিষ্ণু দেশ। সংঘাতের বিপরীতে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের একটি মডেল। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৫০০ সৈন্য নিয়োজিত আছে। বাংলাদেশী সেনারা বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রশংসনীয় অবদান রাখছে। আঞ্চলিক সন্ত্রাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ চমৎকার অগ্রগতি দেখিয়েছে। ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মিয়ানমার, চীন, আফগানিস্তান প্রশ্নে করণীয় সম্পর্কেও নিরাপত্তা সংলাপ আলোচনা হয়। বাংলাদেশের নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দেবে। মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির পর সমুদ্রের সম্পর্ক আহরণের ক্ষেত্রে সহায়তা দেয়া হবে। মতবিনিময়কালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার প্যাট্রিসিয়া এ হিল এবং পলিটিক্যাল অফিসার এনরিক রডরিগো গেলেগো উপস্থিত ছিলেন।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








