মার্কিন সেনাদের আত্মহত্যার রেকর্ড
ডেস্ক: মার্কিন সেনাবাহিনীর সক্রিয় এবং নিষ্ক্রিয় সেনা সদস্যদের মোট ৩২৫ জন ২০১২ সালে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন সেনাবাহিনী এ রিপোর্ট প্রকাশ করে একে এক বছরে আত্মহত্যার সর্বোচ্চ রেকর্ড বলে উল্লেখ করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর ম্যানপাওয়ার অ্যান্ড পারসোনেল বিভাগের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হওয়ার্ড ব্রুমবার্গ সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার ঘটনাকে সর্বোচ্চ রেকর্ড বলে উল্লেখ করেন। সেনাবাহিনীর ডিফেন্স অ্যানালাইসিস সিস্টেমে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের অভিযানে মার্কিন আর্মির মোট ২১৯ সদস্য আত্মহত্যা করেছে। আর সামরিক বাহিনীতে মোট আত্মহত্যার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১৩ জন। গত বছর সেনাবাহিনীতে সক্রিয় সদস্যদের মধ্যে ১৮২ জন আত্মহত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩০ জনের আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আর বাকি ৫২ জনের আত্মহত্যার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। সেনাবাহিনীতে সক্রিয় নন এমন ১৪৩ জনের আত্মহত্যার দাবি করা হয়েছে। এদের মধ্যে আর্মি ন্যাশনাল গার্ড ৯৬ জন এবং আর্মি রিজার্ভ রয়েছেন ৪৭ জন। এসব আত্মহত্যার ঘটনার মধ্যে ১১৭ জনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে আর ২৬ জনের আত্মহত্যার ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে। ২০১১ সালে সেনাবাহিনীতে মোট ২৮৩টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছিল। এদের মধ্যে ১৬৫ জন ছিলেন সক্রিয় সেনা সদস্য আর ১১৮ জন ছিলেন নিষ্ক্রিয় সেনা সদস্য। সেনা সদস্যদের সহযোগিতার লক্ষ্যে ব্যাপকভাবে কাউন্সিলিং কর্মসূচি এবং সহযোগিতার আওতায় আনা হলেও আত্মহত্যার সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্লুমবার্গ বলেছেন, প্রত্যেক জীবনহানিই আমাদের পরিবারের ওপর ভয়াবহ রকমের প্রভাব ফেলে। তাই আত্মহত্যার মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করতে সামরিক বাহিনী কঠোর সব উদ্যাগ নেয়া অব্যাহত রেখেছে। ২০১২ সালে সেনাসদস্যদের আত্মহত্যার রেকর্ড সৃষ্টি হলেও সেনাবাহিনী আত্মবিশ্বাসী যে এ লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ কর্মসূচি, নীতি প্রণয়ন এবং সেনাসদস্যদের পরিবারগুলোকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে। গত কয়েক বছর ধরেই পেন্টাগন সেনাবাহিনীর সদস্যেদের আত্মহত্যার কারণ চিহ্নিত করে কাউন্সিলিংসহ অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যেমে সেগুলো মোকাবিলা করার চেষ্টা অব্যহত রেখেছে। সেনাসদস্যদের বিভিন্ন ধরনের চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম করে তুলতে আর্মি এবং নেভি সদস্যদের ‘স্বাভাবিক’ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার ওপর শিক্ষাতে জোর দেয়া হয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছেন সবচেয় বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রে সেনাদের মানসিক চাপ এবং আত্মহত্যার মধ্যে সরাসরি কোন যোগসূত্র পাওয়া যায়নি।মানবজমিন
- Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency
- New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
- নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়
- নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন
- নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি
- NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature