Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মার্টিন লুথার কিং এর ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ থেকে নিউইয়র্কের ইমাম কাজী কায়্যূমের ‘উয়ী হ্যাভ এ ড্রিম’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 73 বার

প্রকাশিত: February 25, 2020 | 2:28 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : আমেরিকায় “ঈদে মিলাদুন্নবীতে (সা)” ফেডারেল হলিডে ক্যাম্পেইন-জনসংযোগ এখন ষ্টেট থেকে ষ্টেটে। নিউইয়র্কের মিনি বাংলাদেশ জ্যাকসন হাইটসের মোহাম্মদী কম্যিউনিটি সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম কাজী কায়্যূমের স্থানীয় আন্তর্ধমীয় নেতৃবৃন্দ ও জন্মসূত্রে আমেরিকায় আমাদের নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে ২০১২ সনের এপ্রিল মাসে জলসা, জুলুস, মাহফিল ও একটি ঐতিহাসিক সংবাদ সম্মেলনে ঈদে মিলাদুন্নবীতে সরকারী ছুটি মন্জুরীর দাবীতে উত্থাপিত প্রস্তাবের প্রচারণা এক তুঙ্গে। যা ২০১২ সন থেকে নিউইয়র্ক ষ্টেটের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) উদযাপনে দাবীটিকে সমর্থন ও এর পক্ষে প্রচারণার ধারা বাহিকতায় নিউইয়র্ক ষ্টেট পাড়ি দিয়ে দাবীটি এখন ট্রাই-ষ্টেটের নিউজার্সী অঙ্গরাজ্যের জার্সি সিটির সিটি হল ও স্থানীয় সুন্নী রিজভী ইসলামিক সেন্টার ও জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) উদযাপনী অনুষ্ঠানে রেজ্যুলেশানটি উত্থাপন করলেন ঈদে মিলাদুন্নবীতে আমেরিকায় ফেডারেল হলিডে ও উয়ী হ্যাভ এ ড্রীম এর স্বপ্নদ্রষ্ঠা ইমাম কাজী কায়্যূম। গত রোববার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত নিউজার্সীর জার্সি সিটি হল ও স্থানীয় সুন্নী রিজভী ইসলামিক সেন্টােরের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. রফীক চৌধুরী ঈদে মিলাদুন্নবীতে (সা) সরকারী ছুটির ঐতিহাসিক এ দাবীর রেজ্যুলেশানটি এর পরিকল্পনাকারী মোহাম্মদী সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ইমাম কাজী কায়্যূমকে স্বয়ং সেখানে গিয়ে তা উত্থাপনের অনুরোধ জানালে ইমাম কাজী কায়্যূম সেখানে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা) শোভাযাত্রা শেষে জোহরের নামাজের আগে প্রথমে সিটি হলে এবং পরে ইসলামিক সেন্টারে সমবেত মুসল্লী ও প্রেস কম্যিউনিটির সামনে ঐতিহাসিক এ দাবীটি উত্থাপন করেন। এতে আবালবৃদ্ধবনিতা, নারীপুরুষ, দলমত ও ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে দাবীটির প্রতি সকলের স্বতস্ফূর্ত সমর্থন লক্ষ্য করা যায়। ইমাম কাজী কায়্যূম বলেন, ৯/১১ এর পর ২০০৫ সনে নিউইয়র্কের জ্যাকসনহাইটসে মোহাম্মদী সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যক্রম সমূহের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সচেতনতা, নিউইয়র্ক ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা, আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি স্থাপন ও জ্যাকসনহাইটসে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা) প্রচলন এবং ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা) দিনে সারা আমেরিকায় সরকারী ছুটি প্রার্থনা ও মন্জুরী পর্যন্ত ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাওয়ার কার্যক্রম ছিল অনন্য। ইমাম কাজী কায়্যূম বলেন, মহান আল্লাহর পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন যেভাবে “হুদাল্লিন্নাস” অর্থাৎ ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে পুরো মানব জাতির জন্য পথনির্দেশনা দানকারী গাইড, নবী মোহাম্মদ (সা) তদ্রূপ ভাবে শুধু ইসলাম ধর্ম অনুসারীদেরই নয়, বরং সকল মানবতার তরে “রাহমাতাল্লিল আলামীন” অর্থাৎ ত্রিভূবনের জন্য সকলের দয়ার নবী হিসেবেই প্রেরিত হয়েছেন।  যেহেতু নবী মোহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা) জাত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য নবী হয়ে প্রেরিত হয়েছেন, তাই ২০১২ সনে ঈদে মিলাদুন্নবীতে (সা) সরকারী ছুটি মন্জুরীর ঐতিহাসিক ক্যাম্পেইনটি শুরুর প্রক্ষালে ইমাম কাজী কায়্যূম স্থানীয় জুইশ সেন্টার, চার্চ, গুরু দোয়ারা, মন্দির ও কাউন্সিল মেম্বারের সমর্থন লাভে সমর্থ হোন। মূল দরখাস্তে নিজ নিজ সেন্টারের ধর্মীয় গুরুরা স্বাচ্ছন্দেই স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। প্রেস কন্ফারেন্স যোগদানকারী পশ্চিমা সাংবাদিকগন রিপোর্টটি লিখার আগে স্থানীয় জুইশ সেন্টারের প্রেসিডেন্ট মি স্টিভ নবেলের নিকট একজন ইহূদী হয়ে নবী মোহাম্মদের (সা) জন্মদিন ঈদে মিলাদুন্নবীতে ফেডারেল হলিডে সমর্থন করার কারন জিজ্ঞেস করলে তিনি অকপটে বলেন, আমরা আমাদের নবী হজরত মূসার (আ) জন্মদিনের সঠিক তথ্য সম্মন্ধে ওয়াকিবহাল নই। মুসলমানরা ভাগ্যবান যে তারা তাদের নবীর জন্মদিন সম্মন্ধে অবহিত। রিপোর্রটার তাকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, এ ছুটি মন্জুর হলে আপনি খুশি হবেন? কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্টিভ নবেল বলেন, আমি আরেকটি দিন বিনা কাজে কাটাবো, বাসায় বসে আনন্দ করবো এটা কি আমার ও আমার পরিবারের নিকট আনন্দের বিষয় নয় ?
তারা স্থানীয় গ্রীক চার্চের পাদ্রী আয়াকোভস কোওস্তাকিস, যিনি ২০১১ সনে মোহাম্মদী সেন্টার কর্তৃক আয়োজিত জ্যাকসনহাইটসের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা) শোভাযাত্রা ও আন্তর্ধমীয় অনুষ্ঠানে ও উদযাপনে তাঁর অনুসারীদেরকে নিয়ে উপস্থিত হোন এবং ছুটির মূল পিটিশনে স্বাক্ষর করেন, তিনি বলেন, ইমাম কাজী কায়্যূমের কর্ম তৎপরতা আমার নিকট ভালো লাগে, তাই আমি পিটিশনটিতে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। এমন ছুটির প্রতি আমাদের সমর্থন আছে।স্থানীয় গুরু রবি দাস মন্দিরের পন্ডিতগণ তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ভারতের শান্তি প্রিয় মুসলমানদেরকে আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) পালন করতে দেখেছি। তাই যেখানেই ঈদে মিলাদুন্নবী থাকবে, সেখানেও আমাদের সমর্থনও থাকবে।স্থানীয় গুরু রবি দাস মন্দিরের পন্ডিতগণ তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ভারতের শান্তি প্রিয় মুসলমানদেরকে আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা) পালন করতে দেখেছি। তাই যেখানেই ঈদে মিলাদুন্নবী থাকবে, সেখানেও আমাদের সমর্থনও থাকবে। তাছাডা নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ হিন্দু মন্দিরের মাননীয় পন্ডিত গুরু শংকর পারিয়াল ও বাংলাদেশী খৃষ্টান চার্চের মাননীয় পাদ্রী জেমস রায়, যিনি মোহাম্মদী সেন্টারের আন্তধর্মীয় প্রোগ্রামের একজন নিয়মিত সম্মানিত অতিথি, ঈদে মিনাদুন্নবীতে সরকারী ছুটির প্রতি তাঁদের পুরো সমর্থন জানিয়েছেন। উল্লেখ থাকে যে, নিউইয়র্কের মিনি বাংলাদেশ বলে পরিচিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঘনবসতিপূর্ণ শহর জ্যাকসনহাইটসে ২০০৫ সনে মোহাম্মদী সেন্টারের কার্যক্রম শুরুর ৬ বছর পর ২০১১ সনে জ্যাকসনহাইটসে সর্বপ্রথম ঈদে মিলাদুন্নবীর জলসা, জুলুস ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় মোহাম্মদী সেন্টারের আয়োজনেই। ঈদে মিনাদুন্নবীর ঐ ঐতিহাসিক শোভাযাত্রায় বাংলাদেশী ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বার্মা, সুরিনাম ( বিশ্বের একমাত্র অমুসলিম দেশ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে ঈদে মিলাদুন্নবীতে সরকারী ছুটি রয়েছে ) আমেরিকান, আরব ও আফ্রিকার মুসলমানরা যোগ দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, স্থানীয় কাউন্সিল মেম্বার ড্যানিয়েল ড্রম, কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের মাননীয় বিচারপতি থমাস রাফায়েল ঈদে মিলাদুন্নবীর শোভাযাত্রার ঐ ব্যানারটি ঈদে মিনাদুন্নবী উদযাপন ও জ্যাকসনহাইট মুসলিম কম্যিউনিটির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে নিজ হাতে ধরে ও চলে শোভাযাত্রার সৌন্দর্য বর্ধন করেছিলেন, যা আমেরিকায় ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষর হয়ে লিখা থাকবে। ঐদিন ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের বৈকালিক সেশনের আন্তধর্মীয় সমাবেশে স্থানীয় সিনেটর হোজে পারাল্টা, এসেম্বলিম্যান ফ্রান্সিসকো মোইয়া, বিচারপতি থমাস রাফায়েল, এনওয়াইপিডির ডিটেকটিভ টরো সহ ভারত, নেপাল ও অন্যান্য দেশের আন্তর্ধমীয় নেতৃবৃন্দ ঈদে মিলাদুন্নবীর এই বিশেষ সেশনে নবী মোহাম্মদের (সা) জীবনী, শিক্ষা ও ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের উপর সারগর্ভ আলোচনা করেন। সেদিনের সেই দৃশ্যটির অবলোকনে এমনি মনে হয়েছিল যে, মহান আল্লাহ যথার্থই বলেছেন, “ওয়া মা-আরসালনা-কা ইল্লা-রাহমাতাল্লিল ‘আ-লামীন” হে নবী আপনাকে আমি সারা বিশ্বের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরন করেছি। জাত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সেদিন প্রমানিত হয়েছিল যে, আমরা সবাই নবী মোহাম্মদের উম্মাত। জ্যাকসনহাইটসের ৩৭-৪৬ ৭২ ষ্ট্রীট ঠিকানায় অবস্থিত মোহাম্মদী সেন্টারের ভাড়া বাড়িটি ফেব্রুয়ারীর শিশির ভেজা দিনেও ছিল আলো ঝলমল। PRESS RELEASE

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV