মিয়ানমারে ঐতিহাসিক সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, লালগালিচা সংবর্ধনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মিয়ানমারে তার ঐতিহাসিক সফরে দেশটির অগ্রযাত্রায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, যাত্রা সবেমাত্র শুরু হলো। তবে পরিপূর্ণ গণতন্ত্রের পথে আরো অনেক রাস্তা যেতে হবে। সংস্কারকাজে মিয়ানমারের অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন ওবামা। তিনি আরো বলেন, সংস্কারের পদক্ষেপ মিয়ানমারে পরিবর্তনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখছে। আর সংস্কার কর্মসূচির এ লক্ষ্যণীয় অগ্রগতিতে দেশটির প্রতি ‘বন্ধুত্বের হাত’ বাড়িয়ে দিতেই সেখানে সফর করছেন বলে এক ভাষণে জানান ওবামা। গতকাল মিয়ানমারে ওবামার সফর ছিল ছয় ঘন্টার। তার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া ওই ভাষণে তিনি সম্প্রতি রাখাইন রাজ্যের সহিংসতার দিকেও মনযোগ দেয়ার আহ্বান জানান। ওবামা সেখানে আসার সময় রাস্তার দুই পাশে মিয়ানমারের জনতা ভিড় করে ছিল। তাদের কারো কারো হাতে উড়ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। ২০১০ সালের নভেম্বরে সেনা শাসনের সমাপ্তির পর থিয়েন সেইন সরকারের শুরু করা সংস্কার কার্যক্রমে সমর্থন দিতে ওবামা মিয়ানমার সফর করছেন। তবে ছয় ঘন্টার মিয়ানমার সফরে রাজধানী নেপিধোতে যাননি ওবামা।
ইয়াঙ্গুন বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া ভাষণই তার মিয়ানমার সফরের উল্ল্লেখযোগ্য দিক। ১৯৮৮ সালে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। সহিংস পন্থায় জান্তা সরকার ওই আন্দোলন দমন করেছিল। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ওবামা বলেন, মিয়ানমারের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে যুক্তরষ্ট্র সহায়তা করে এর অগ্রযাত্রার সহযাত্রী হতে পারে। রাখাইন রাজ্যের সহিংসতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য পুনপ্রতিষ্ঠা হতে সময় লাগবে। কিন্তু সাধারণ মানবিকতার স্বার্থে, দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থে সহিংসতায় উস্কানি বন্ধ করা প্রয়োজন।
বারাক ওবামা আরো বলেন, পশ্চিম বার্মায় মুসলমান ও বৌদ্ধদের মধ্যে জাতিগত সহিংসতার পেছনে কোনও অজুহাত দেওয়া যায় না। রাখাইন রাজ্যে জাতিগত এই দাঙ্গার বিপদের ব্যাপারে তিনি দেশটিকে সতর্ক করে দিয়েছেন। মুসলিম রোহিঙ্গাদেরকে মিয়ানমারে রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল সমাজে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়ার জন্যেও ওবামা জোরালোভাবে অনুরোধ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রেসিডেন্ট এই প্রথম মিয়ানমার সফরে গেলেন। তিনি দেশটির অব্যাহত সংস্কার কর্মসূচির জন্যে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এর আগে ওবামা মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট থেন সেইনের সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। ওবামার এই সফরের সময় মিয়ানমার সরকার ৫০ জনের মতো রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। রয়টার্স, বিবিসি।ইত্তেফাক
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests