Thursday, 4 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয় নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পরিবার নিউইয়র্ক সিটি’র উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭’র নির্বাচনে কারিনা-জাকির মুখোমুখি NYIC Action Endorses Immigrant Champions and New Voices for NYS Legislature নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬ সম্পন্ন, ২০২৭ সালের বইমেলা ২১-২৪ মে নিউ জার্সিতে এস্টোরিয়া ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক জাবেদ উদ্দিনকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান
সব ক্যাটাগরি

মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কোন কমান্ডার নেই যুক্তরাষ্ট্রে!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 111 বার

প্রকাশিত: October 16, 2019 | 2:41 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলসহ দেশ ও প্রবাসের সকল কমিটির মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে দুই বছর আগে। একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কমান্ড এবং ডিসির নেতৃত্বে জেলা ইউনিট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে উপজেলা কমান্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রেও কোন কমান্ডের অস্তিত্ব নেই। তাই নিজেকে যে বা যারা কমান্ডারের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বা আসন গ্রহণ করছেন, তাদেরকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইসাথে দূতাবাস, মিশন, কন্স্যুলেটের প্রতিও আহবান জানানো হয়েছে সরকারের গ্যাজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অনুষ্ঠানাদিতে আমন্ত্রণ জানাতে। নিউইয়র্কে বসবাসরত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা এই অনুরোধ জানিয়েছেন বেঁচে থাকা সকল মুক্তিযোদ্ধার সম্মান অক্ষুন্ন রাখার অভিপ্রায়ে।

অতি সম্প্রতি নিউইয়র্কে মুক্তিযোদ্ধা নাসিমের জানাযায় ড. এম এ বাতেনের কর্মকান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধারা এক বৈঠকে বসেছিলেন। ১০ অক্টোবর বাদ আসর জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে মুক্তিযোদ্ধা নাসিমের জানাযার প্রাক্কালে সহযোদ্ধারা তার কফিন জাতীয় পতাকায় ঢেকে শেষ অভিবাদন জানান। সেটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারির নেতৃত্বে। সাথে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি রাশেদ আহমেদ, সহ-সভাপতি আবুল বাশার চুন্নু, আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের বিদায়ী কমিটির স্বাস্থ্য সম্পাদক ড. এম এ বাতিন। এরপর মুক্তিযোদ্ধা নাসিমের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার পর জেএফকে এয়ারপোর্টে কফিন নিয়ে যাবার প্রাক্কালে ড. এম এ বাতিনের আহবানে উপস্থিত সকল মুসল্লীকে নিয়ে আবারো অভিবাদন জানানো হয়। সেখানে ড. বাতেন ছাড়া দ্বিতীয় কোন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়নি। কন্স্যুলেটের প্রতিনিধি শামীম হোসেন এবং আসিফ আহমেদ থাকলেও তারা বিবেকের তাড়নায় অভিবাদনে অংশ নেনি। কিন্তু অন্যেরা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবনে সক্ষম না হওয়ায় বাতেনের মত স্বঘোষিত কমান্ডারের আহবানে সাড়া দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। কারণ, এম এ বাতিন এর আগে নির্জলা মিথ্যাচারের অংশ হিসেবে সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রাশিয়া সফরকালে নাকি তাকে কাছে ডেকেছিলেন বঙ্গবন্ধু এবং তার ঘাড়ে হাত রেখে নাকি বঙ্গবন্ধু রাশিয়ার নেতার সাথে কথা বলেছেন। আবার কখনো ড. বাতেন বলে থাকেন যে, তিনি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা। এবং রনাঙ্গনে মর্টার চালিয়েছেন। এসবের একটিও সঠিক নয় বলে ঐ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ করে আসছেন। সর্বশেষ, ২০১৪ সালে মেজর জেনারেল (অব:) হেলাল মোর্শেদের নিউইয়র্ক সফরকালে ড. বাতেনের নেতৃত্বে একটি আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। রীতি অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে সম্মেলন করতে সক্ষম হননি তিনি। আর এরইমধ্যে কেন্দ্রীয় কমান্ডসহ সকল ইউনিটের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সেই আহবায়ক কমিটিরও অস্তিত্ব আপন নিয়মেই বিলুপ্ত হয়েছে। এতদসত্বেও ড. বাতেন নিজেকে কমান্ডার হিসেবে দাবি করছেন-যা আদৌ সত্য নয়।

উদ্ভ’ত পরিস্থিতির আলোকে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ করতে ১১ অক্টোবর এবং ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত দুটি সভায় ছিলেন কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায় এবং শহীদ হাসান, মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, মুক্তিযোদ্ধা দেবেন্দ্র দাস, মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম। এ সভায় অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মৃধা বেনু। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের গঠনতন্ত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বেনু জানান, বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সাংগঠনিক পদবি ব্যবহারের কোন সুযোগ নেই। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রধান পৃষ্টপোষক হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি নির্দেশ দিলেই নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করা হবে। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV