মোবারক হো মাহে রমজান

মাওলানা এম. এ. করিম ইবনে মছব্বির: রমজান মাসে সিয়াম সাধনা ফরজ এবং এশার নামাজের পর বিশ রাকাত তারাবির নামাজ আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
তারাবিহ’র নিয়ত: নাওয়াইতুআন উসল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকাতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলুল্লাহি তাআলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শরিফাতি আল্লাহু আকবার। প্রতি চার রাকাত পরপর বিশ্রাম নেয়া মুস্তাহাব। এ সময় নিম্নোক্ত দোয়াটি পড়া যায়- ‘সুবহানা যিল মুলকী ওয়াল মালাকুতি সুবহানা যিল ইজ্জতি ওয়াল আজমতি ওয়াল হায়বতি ওয়াল কুদরতি ওয়াল কিবরিয়াই ওয়াল জাবারুত সুবহানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদান সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বানা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়াররুহ।’
যে সব কারণে রোজা ভঙ্গ হয়: রোজা রেখে শরীয়ত সম্মত কারণ ব্যতীত ইচ্ছাকৃতভাবে খানাপিনা ও স্ত্রী সম্ভোগ করার দ্বারা রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। আর এতে ক্বাযা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব। ইচ্ছাকৃতভাবে অজু, গোসলের পানি বা অন্য কোন খাদ্যদ্রব্য গলানালিতে চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। নাকের ছিদ্র পথে কোন কিছু পেটে গেলে, দাঁতের মধ্যকার কোন খাদ্য বুট পরিমাণ পেটে গেলে, মুখভরা বমি মুখের ভিতর এসে আবার পেটে গেলে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। এতে শুধু ক্বাযা ওয়াজিব হবে। নিদ্রা অবস্থায় কেউ কিছু খাইলে, পেটে বা মাথার ক্ষতস্থানে লাগানো ওষুধ পেটে বা মস্তিষ্কে ঢুকলে, কানের মধ্যে দিয়ে কোন কিছু গেলে, ইফতারের সময় হয়েছে মনে করে রোজার ভুলে পানাহার বা স্ত্রী সম্ভোগ করলে রোজা ভঙ্গ হয় না। তবে এতে রোজা ভঙ্গ হয়ে গেছে বলে মনে করে পুনরায় এ কাজগুলো যদি কেউ করে, তাহলে ক্বাযা ওয়াজিব হবে।
রোজা মাকরুহ হওয়ার কারণসমূহ: অনর্থক কোন কিছু চিবানো, শরীয়ত সম্মত কারণ (যেমন বদরাগী স্বামী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তরকারিতে লবণ হয়েছে কিনা দেখা) ব্যতীত কোন কিছুর স্বাদ গ্রহণ করা, গরম ও পিপাসা হালকা করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি পানি ব্যবহার করা, গীবত, মিথ্যা, অশ্লীল কথা, ঝগড়া-বিবাদ ইত্যাদিতে লিপ্ত হওয়া ও টুথ পাউডার পেস্ট, কয়লা বা মাজন দ্বারা দিনের বেলায় দাঁত পরিষ্কার করা।
রোজার ফিদাইয়া: রোজার পরিবর্তে যে সদকা প্রদান করা তাকে ফিদাইয়া বলা হয়। শেষ পর্যায়ের বৃদ্ধ যার রোজা রাখার কোন শক্তি নাই, বা এত দুর্বল হয়ে গেছেন যে তার আর ভাল হওয়ার আশা নেই। এরূপ লোকদের ফিদাইয়া আদায় করতে হবে।
ফিদাইয়ার পরিমাণ: একটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে দু’বেলা পেট ভরে খানা খাওয়াতে হবে। না হয় একটি রোজার পরিবর্তে একজন মিসকিনকে সদকায়ে ফিতরা পরিমাণ গম, আটা বা শুকনো আঙ্গুর অর্ধ ‘ছ’ অর্থাৎ (পৌনে ২ সের বা ১ কেজি ৭০৬ গ্রাম) আর খোরমা, যব বা তার আটা এক ‘ছা’ (অর্থাৎ ৩ কেজি ৪১২ গ্রাম) পৌনে ২ সের গম অথবা সমপরিমাণ মূল্য পরিশোধ করতে হবে। ফিদাইয়া আদায় করা ওয়াজিব।মানবজমিন
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল
- New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








