যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশনীতি ও বাংলাদেশ
এস আহমেদ : বাংলাদেশের মানুষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ছিল ব্যাপক উৎসাহী। এ দেশের মানুষ ভাবে ওবামার যুদ্ধবিরোধী নীতির সমর্থনে মার্কিনীরা তাকে ভোট দিয়েছে। অবশ্য কৌশলগত কারণে বাংলাদেশের গুরুত্ব আমেরিকার কাছে দিন দিন বাড়বে। বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে মার্কিন মুল্লুক নিয়ে চিন্তা করে সেভাবে যদি তারা ভাবতো তাহলে ওবামা প্রথমেই মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে সফরে আসতেন। তবে বাংলাদেশ সরকারের বহিঃসম্পর্ক যেন রাহুর বলয়ে বাধা। যদিও এ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘন ঘন বিদেশ সফর করেছেন। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ কিংবা বৃটেন, আমেরিকা, রাশিয়া, চীনকে বাংলাদেশের দিকে ইতিবাচক দৃষ্টি তৈরি করতে পারেনি। অথচ বাংলাদেশে দক্ষ কূটনীতিকের অভাব নেই। বাংলাদেশকে কূটনীতির দ্বার খুলতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ অতিথিপরায়ণ। সব সময় বিদেশীদের বা কূটনীতিকদের আলাদাভাবে সম্মান করে। এ দেশের পোশাক শিল্পের রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান রয়েছে। চীনের মোট বিনিয়োগের এক শতাংশ বিনিয়োগও যদি বাংলাদেশে আসতো তবে এ দেশের উপকার হতো। কারণ এ দেশে রয়েছে সস্তা শ্রম। যারা কঠোর পরিশ্রমী। বিশ্বব্যাংকের সামপ্রতিক সেমিনারে বক্তারা ওই কথা জোরে বলেছেন। আর আমেরিকার সিংহভাগ ব্যবসা বাণিজ্য চীনাদের হাতে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সবসময় রয়েছে। মার্কিন অর্থনীতিকে সচল করতে বেকার সমস্যার সমাধানকল্পে ওবামার চেষ্টার ত্রুটি থাকবে না। যদিও প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আধিপত্য। তারা যদি ওবামাকে সমর্থন না দু’বছর পর কংগ্রেসে তিনি জনগণকে বুঝিয়ে তার ডেমোক্র্যাটের পক্ষে জনসমর্থন টানতে পারবেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্র এমন এক দেশ, যেখানে সরকার কাঠামোর প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্ষমতার ভারসাম্যমূলক স্তর রয়েছে। যে স্তরের বাইরে কারও পক্ষে একা কিছু করা সম্ভব নয়। শুধুমাত্র নির্বাচন এলে জনগণ, আর বাকি সময় কি করে নিজের দলের লোকের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে থাকবে- এমন দেশ আমেরিকা নয়, যা বাংলাদেশের নিত্যচিত্র। তাই এ দেশের জনগণের আশা-আকাঙক্ষার পক্ষে মার্কিন সহানুভূতি এসে পড়ে। মার্কিন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের অভিব্যক্তি ব্যক্ত করে। মিয়ানমারের নোবেল বিজয়ী অং সান সুচি একটা অদ্ভুত কথা বলে ফেলেন, রোহিঙ্গারা নাকি বাংলাদেশ থেকে গিয়েছে? বাংলাদেশ এর জোরালো প্রতিবাদ করেছে। আমরা আমাদের নোবেল বিজয়ী আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব ড. ইউনূসকে আং সান সুচিকে মোকাবিলা করার জন্য কাজে লাগাতে পারতাম। অথচ বর্তমান সরকার বা অর্থমন্ত্রী বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক আগেই খারাপ করে বসে আছেন। কৃষকের মাথায় পড়েছে হাত। কারণ ধান বিক্রি করে তাদের আসলই ওঠে না। সারা বছর কি খাবে। এ অগ্রহায়ণ মাসে গ্রামে কৃষকের মুখে হাসি নেই। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ, তবে জংলি নয় এটা আমেরিকা ভাল করে জানে। তাই তারা বাংলাদেশ ও এর জনগণ নিয়ে ভাবে।মানবজমিন
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK