যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ১৯ দফা প্রস্তাব প্রকাশ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার
ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিস্তারিত পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। গতকাল বুধবার রাতেই এ বিষয়ে ১৯ দফা-সংবলিত একটি প্রস্তাব প্রকাশের কথা ছিল তাঁর। এ প্রস্তাবে সামরিক ধাঁচের অস্ত্র ও ১০টির বেশি বুলেট ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাগাজিন নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হবে অস্ত্রবিরোধী শিক্ষা ও মানসিকতার ওপর। এ প্রস্তাবগুলোতে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে সদ্য পাস হওয়া অস্ত্রবিরোধী আইনের প্রভাব থাকবে বলেও জানা গেছে। গত মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কের আইনসভায় এ আইন পাস করা হয়। কানেকটিকাটের একটি প্রাথমিক স্কুলে গত ১৪ ডিসেম্বর বন্দুক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নতুন আইন প্রণয়নে উদ্যোগী হন ওবামা। ওই দিন অ্যাডাম লানজা নামের এক তরুণের হামলায় ২০শিশুসহ ২৮ জন মারা যায়। এ প্রস্তাব নিয়ে ওবামা কংগ্রেসে বিরোধী রিপাবলিকানদের প্রবল বাধার মুখে পড়বেন বলে মনে করা হচ্ছে। তা ছাড়া অস্ত্র অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংস্থা ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনসহ (এনআরএ) অন্য লবি গ্রুপগুলোর বিরোধিতা তো আছেই। গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১১টায় ওবামার এ প্রস্তাবগুলো প্রকাশের কথা ছিল। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে আইন প্রণয়নের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি লেখা শিশু, প্রস্তাবের সমর্থক আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন শহরের মেয়রদের তাঁর সঙ্গে উপস্থিত থাকার কথা ছিল। প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। তবে কিছু প্রস্তাব নির্বাহী ক্ষমতাবলেও অনুমোদন দেবেন ওবামা। প্রেসিডেন্ট ওবামা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পথ নিয়ে আরো গবেষণায় আগ্রহী। অস্ত্র বহনের বিষয়টিকেও বিধিনিষেধের আওতায় আনতে চান তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ শতাংশ অস্ত্র বিক্রি হয় ক্রেতার অতীত কর্মকাণ্ডের খোঁজ না নিয়েই। কাজেই এ বিষয়টিতেও জোর দিতে চান ওবামা। বেশ কয়েকটি মতামত জরিপে দেখা গেছে, এ ব্যাপারে জনসমর্থনও বেড়েছে। প্রসঙ্গত, সাংবিধানিক অধিকারবলেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা অস্ত্রবহন করতে পারে। কানেকটিকাটের ঘটনার পর অস্ত্রের সহিংস ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবে বাইডেনের সুপারিশের প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জে কার্নি গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে একটি শিশুরও যদি প্রাণ বাঁচে তাহলেও আমরা এগুলো নিয়েই অগ্রসর হব। তবে প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নিয়ে তাঁর সামনে থাকা প্রতিবন্ধকতাগুলোর ব্যাপারেও অন্ধকারে নেই।’ কংগ্রেসে এ বিষয়ে প্রতিবন্ধকতাগুলো হচ্ছে রিপাবলিকানদের বিরোধিতা। উচ্চকক্ষ সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা হ্যারি রিড বলেন, সিনেটে এ আইন সহজেই উৎরে যাবে। সংকট তৈরি হবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে। এ ছাড়া এনআরএর মতো প্রভাবশালী গ্রুপগুলোর বিরোধিতা তো আছেই। নিউ ইয়র্কের আইনসভায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন সহজেই পাস হয়ে গেছে। গত সোম ও মঙ্গলবার আইনসভার উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষ আইনটি বিপুল ভোটে পাস হয়। সূত্র : বিবিসি, এএফপি, দ্য টেলিগ্রাফ।কালের কণ্ঠ
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK