যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত বিশেষ রফতানি সুবিধা জিএসপি সুবিধা বহাল রাখতে ২৮ মার্চ শুনানি
সাইদুল ইসলাম : যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত বিশেষ রফতানি সুবিধা-জিএসপি অব্যাহত রাখার বিষয়ে আগামী ২৮ মার্চ ওয়াশিংটনে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দফতর-ইউএসটিআর-এ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ শুনানিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এদেশের শিল্পখাতে শ্রমমানসহ বিভিন্ন বিষয়ের উন্নতির চিত্র তুলে ধরা হবে। জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন ইউএসটিআর বরাবর পাঠানো হয়েছে।
শুনানিতে অংশ নিতে আগামী ২৪ মার্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্র যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের। তিনি আরো বলেন, শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন উদ্বেগ ও অভিযোগের জবাব দিতে যথাযথ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইউএসটিআরকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের সাথে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এবং সহ-সভাপতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের সাথে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা বা জিএসপি’র বিষয়ে প্রথম প্রশ্ন ওঠে ২০০৭ সালে। এরপর শ্রমিকদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ, সংগঠন করার অধিকার ও প্রাপ্য মজুরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক সংগঠনগুলোর আপত্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশের এ সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু করে মার্কিন বাণিজ্য দফতর। সবশেষ শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যাকাণ্ড আর তাজরীনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এ সুবিধা নিয়ে নতুন করে শ্রমিক সংগঠনগুলোর চাপের মুখে পড়ে মার্কিন প্রশাসন। এ অবস্থায় বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিলের উদ্যোগের কথা জানায় তারা। সাথে সাথে এ বিষয়ে বাংলাদেশের বক্তব্যও জানতে চাওয়া হয়। ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এবং বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাদের মতামত দাখিল করেছে। সে মতামতের ওপর ২৮ মার্চ ওয়াশিংটনে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রফতানিতে বিশেষ এই সুবিধা টিকিয়ে রাখতে সরকার যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে। এ বিষয়গুলো শুনানিতে তুলে ধরার পর ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে বলেও আশাবাদী তিনি। জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনার পর মার্কিন বাণিজ্য দফতর বিষয়টি নিয়ে সেখানকার শ্রমিক সংগঠনগুলোর সাথে বৈঠক করবে। আর সেখানেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একজন বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেছেন, শ্রমখাতে বাংলাদেশের যেসব অর্জন সেগুলো শুনানিতে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি যেসব জায়গায় বাংলাদেশের দুর্বলতা আছে সেগুলো জানিয়ে ইউএসটিআর-এর কাছে আরো সময় চাওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ইউএসটিআর বাংলাদেশকে ছোটখাটো দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে আরো কিছু সময় দেবে।
উল্লেখ্য, জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স বা জিএসপি সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পায়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি এ সুবিধার বাইরে। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের যে রফতানি তার মাত্র এক শতাংশেরও কম জিএসপি সুবিধার আওতায় রফতানি হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি জিএসপি সুবিধা বাতিল করে তাহলে সমগ্র রফতানিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা করছে সরকার এবং রফতানিকারকরা।ইত্তেফাক
শুনানিতে অংশ নিতে আগামী ২৪ মার্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্র যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের। তিনি আরো বলেন, শুনানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন উদ্বেগ ও অভিযোগের জবাব দিতে যথাযথ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ইউএসটিআরকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের সাথে বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন এবং সহ-সভাপতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদলের সাথে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা বা জিএসপি’র বিষয়ে প্রথম প্রশ্ন ওঠে ২০০৭ সালে। এরপর শ্রমিকদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ, সংগঠন করার অধিকার ও প্রাপ্য মজুরিসহ বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিক সংগঠনগুলোর আপত্তির ভিত্তিতে বাংলাদেশের এ সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখতে শুরু করে মার্কিন বাণিজ্য দফতর। সবশেষ শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যাকাণ্ড আর তাজরীনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর এ সুবিধা নিয়ে নতুন করে শ্রমিক সংগঠনগুলোর চাপের মুখে পড়ে মার্কিন প্রশাসন। এ অবস্থায় বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা বাতিলের উদ্যোগের কথা জানায় তারা। সাথে সাথে এ বিষয়ে বাংলাদেশের বক্তব্যও জানতে চাওয়া হয়। ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই এবং বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি জিএসপি সুবিধা অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাদের মতামত দাখিল করেছে। সে মতামতের ওপর ২৮ মার্চ ওয়াশিংটনে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, রফতানিতে বিশেষ এই সুবিধা টিকিয়ে রাখতে সরকার যথাসম্ভব ব্যবস্থা নিয়েছে। এ বিষয়গুলো শুনানিতে তুলে ধরার পর ইতিবাচক সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে বলেও আশাবাদী তিনি। জানা গেছে, বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনার পর মার্কিন বাণিজ্য দফতর বিষয়টি নিয়ে সেখানকার শ্রমিক সংগঠনগুলোর সাথে বৈঠক করবে। আর সেখানেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একজন বিশ্লেষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেছেন, শ্রমখাতে বাংলাদেশের যেসব অর্জন সেগুলো শুনানিতে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি যেসব জায়গায় বাংলাদেশের দুর্বলতা আছে সেগুলো জানিয়ে ইউএসটিআর-এর কাছে আরো সময় চাওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ইউএসটিআর বাংলাদেশকে ছোটখাটো দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে আরো কিছু সময় দেবে।
উল্লেখ্য, জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স বা জিএসপি সুবিধার আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পায়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি এ সুবিধার বাইরে। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের যে রফতানি তার মাত্র এক শতাংশেরও কম জিএসপি সুবিধার আওতায় রফতানি হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি জিএসপি সুবিধা বাতিল করে তাহলে সমগ্র রফতানিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশংকা করছে সরকার এবং রফতানিকারকরা।ইত্তেফাক
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests