যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা থেকে বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের ফিরিয়ে নিতে গড়িমসি কেন?
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মনসুর এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ এবং সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি ‘শোকের মাস অগাস্ট’ উপলক্ষে প্রদত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পলাতক খুনীদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে নিতে আমেরিকান ল’ ফার্ম ভাড়া করার কথা তদানিন্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ৩ বছর আগে ঘটা করে জানিয়েছেন। সেই ল’ ফার্মের কাজের অগ্রগতির তথ্য এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়নি। অথচ অনেক দেশের মানবতাবিরোধী অপরাধীসহ এমন নৃশংসতার জন্যে দন্ডিতদের গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের তথ্য রয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়ে। আশা করা হচ্ছে শীঘ্রই ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’ এই বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেছেন নিউইয়র্কে বসবাসরত কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, কন্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, বীরপ্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব:) মঞ্জুর আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ, মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক লাবলু আনসার, মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আনোয়ার বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু এবং মুক্তিযোদ্ধা এম এ আওয়াল।
প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর নিউইয়র্ক টাইমসে এক উপ-সম্পাদকীয়তে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় মার্কিন সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর ঘাতক রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের জন্যে। যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট মহলে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে একই আহবানে। কিন্তু ক’টনৈতিক চ্যানেলে যথাযথ দেন-দরবার এবং তদ্বিরের অভাবে সেটি ফলপ্রসূ হচ্ছে না বলে অনেকের অভিযোগ।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটির উদ্ধৃতি দিয়ে ম্যারিল্যান্ডভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘সাউথ এশিয়ান-আমেরিকান্স লিডিং টুগেদার’ তথা সল্ট’র পক্ষ থেকে এ সংবাদদাতাকে ১ অগাস্ট জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন দেশে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্তদের একটি তালিকা বিচার বিভাগে পেশ করা হয়েছে ফেডারেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এই তালিকার মধ্যে যারা ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ নিয়েছেন, তাদের সিটিজেন কেড়ে নিয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ তালিকায় বাংলাদেশী, ভারত, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, শ্রীলংকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে সিটিজেন হওয়া ৭ লাখ মানুষ রয়েছে। তার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ঘাতক হিসেবে এবং একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দন্ডিতদের নাম রয়েছে কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মিথ্যা তথ্য কিংবা সত্য গোপন করে যারা সিটিজেনশিপ নিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্্েরু বসবাসরত অবস্থায় মানবতাবিরোধী অপরাধ অথবা গুরুতর অপরাধে লিপ্ত কিংবা দেশ-বিরোধী ষড়ঙন্ত্রে লিপ্ত, তাদের নাম রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নিয়ে কর্মরত এটর্নী মঈন চৌধুরী এবং এটর্নী অশোক কর্মকার এ প্রসঙ্গে এ সংবাদদাতাকে আলাদাভাবে বলেন, ‘দন্ডিতদের নাম এবং বাংলাদেশের আদালতে বিচারের রায়ের কপি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ অথবা হোমল্যান্ড সিকিউরিটিকে ক’টনৈতিক চ্যানেলে দিতে হবে। তাহলেই সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে পারবেন।’ বঙ্গবন্ধুর ঘাতক হিসেবে দন্ডিতদের মধ্যে কানাডায় রয়েছে মেজর (অব:) নূর চৌধুরী। যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় সচেতন প্রবাসীরা এ দু’জনকে বহিষ্কার দাবিতে মানববন্ধন, র্যালি করলেও ক’টনৈতিক চ্যানেলের বিকল্প নেই বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এনআরবি নিউজ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests