যুব-জাতিসংঘে বাংলাদেশ
সজীব মিয়া : কদিনের জন্য তাঁরা বনে গিয়েছিলেন বনেদি বিশ্বনেতা! বিশ্বের নানা রকম সমস্যা নিয়ে খুলে বসেছিলেন চিন্তার ঝুলি। শুধু সমস্যা নয়, সম্ভাবনার নানা গাথাও শুনিয়েছেন সে সঙ্গে। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক মুক্তি, উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মাতৃমৃত্যুর হার কমানো—কী ছিল না তাঁদের চিন্তার বিষয়। হঠাৎ বনে যাওয়া এই নেতারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জড়ো হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে। জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের মতো প্রতীকী জাতিসংঘ অধিবেশনে; যা মুন নামে পরিচিত, মুনের পূর্ণরূপ হচ্ছে মডেল ইউনাইটেড নেশন। সম্মেলন চলেছে গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ। বিশ্বের ৬৪টি দেশের প্রায় ৬০০ প্রতিনিধির মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন ২০ জন শিক্ষার্থী। যাঁদের ১৮ জন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর বাকি দুজন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও লিবারেল আর্টস অব বাংলাদেশের (ইউল্যাব)।
সম্মেলনের সার্বিক বিষয় খোলাসা করে আহনাফ তাহমিদ বলেন, ‘জাতিসংঘ সম্মেলনের মতো ওখানেও ছিল সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদসহ ছয়টি উপকমিটি। কে কোন কমিটিতে থাকবেন এবং কোন দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা আয়োজকেরা নির্ধারণ করে দেন। বাংলাদেশ দল প্রতিনিধিত্ব করেছে রাশিয়া, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার।’ আহনাফের সঙ্গে যোগ করেন নুদরাত ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘সম্মেলন শুরুর ১৫ দিন আগেই জানিয়ে দেওয়া হয় কে কোন দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।’ সম্মেলনে নুদরাত প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন রাশিয়ার।
সম্মেলনের উদ্বোধন ও সমাপনী পর্ব হয়েছে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আর বাকি দুদিনের অনুষ্ঠান হয়েছে একটি অভিজাত হোটেলে। আরেক প্রতিনিধি সৈয়দ ইমামুজ্জামান বলেন, ‘অনেক দেশের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। আমার নিজেদের দেশ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করছি।’ মামুনুর রশিদ বলেন, ‘সম্মেলনের প্রথম দিন ছিল আমাদের স্বাধীনতা দিবস। সবাই আগ্রহ নিয়ে আমাদের স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে জেনেছে।’
সম্মেলনের শেষ দিনটি বাংলাদেশ দলের জন্য রোমাঞ্চকর হয়ে দেখা দেয়। কারণ ওই দিন তাঁরা অর্জন করে বেস্ট ডেলিগেশন অ্যাওয়ার্ড বা সেরা প্রতিনিধি দলের পুরস্কার। এই পুরস্কার দেওয়া হয় দলের অংশগ্রহণকারী দলগুলোর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। ভালো উপস্থাপনা, যোগাযোগ দক্ষতা, পোশাক-পরিচ্ছদ, আচরণ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে। রোমাঞ্চিত সেই মুহূর্তের উচ্ছ্বাস ঝরে পড়ছিল নুদরাতের কথায়, ‘ইতালির এক প্রতিনিধি বাংলাদেশ সম্পর্কে এমন নির্বিকার ভাব দেখিয়েছিল যে বাংলাদেশ নামের কোনো দেশ পৃথিবীতে আছে! আমার মনে হচ্ছিল, তাকে এই সম্মাননা দেখিয়ে বলি, বন্ধু, এবার চিনে রাখো বাংলাদেশকে!’
দলের অন্য সদস্যরা হলেন জুনায়েদ নূর আলম, ওমর ফারুক, রেজাউল করিম, তৌকির ইসলাম, সালেহীন মুহাম্মদ নাহিয়ান, মারুফ ওয়ালি, মেহনাজ সালেহিন হুদা, সাইফ ইমাম, সৈয়দ ইমামুজ্জামান, তাসনুভা মালিহা, আসকার খান, সাঈফ ইমাম, শাইখ সিরাজ ও দীপালি নেওয়াজ।
তাঁরা সবাই স্বপ্ন দেখেন, প্রতীকী নয়, সত্যিকারের জাতিসংঘ অধিবেশনে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests