Wednesday, 21 October 2026 |
শিরোনাম
New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের ভার্জিনিয়ায় অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক হারুন চৌধুরীকে দেখতে গেলেন বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ New York Attorney General James Issues Voter Guidance to Inform New Yorkers of Their Rights Ahead of November Election
সব ক্যাটাগরি

যেভাবে বেড়ে উঠেন মজিনা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: January 16, 2012 | 3:11 PM

 

কূটনৈতিক রিপোর্টার: খামারে গরুর দুধ দোহনে জীবনের এক দশক কেটেছে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনার। এমন কষ্টসাধ্য কাজেও তিনি পরিচয় দিয়েছেন দায়িত্বশীলতার। গতকাল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজিনা তার বেড়ে ওঠার সেই স্মৃতি বলতে গিয়ে বলেছেন খামারে কাজ করা মানুষের মতো আমিও অকপট কথা বলতে অভ্যস্ত; যা আমাকে একজন বাজে কূটনীতিকে পরিণত করেছে। রাজধানীর এক হোটেলে গতকাল কৌশলগত যোগাযোগের মাধ্যমে সহিংস চরমপন্থা রোধ বিষয়ক আঞ্চলিক সম্মেলনে বক্তৃতায় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘তা সত্ত্বেও, প্রেসিডেন্ট ওবামা এখনও আমাকে চাকরিচ্যুত করার মতো সুযোগ পাননি। আজ আমি এই সময়োচিত ও গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে বক্তব্য রাখার সুযোগ পাচ্ছি এবং আমার সরকার এই আয়োজন অর্থায়নে সহায়তা করছে বলে আমি আনন্দিত।’ তিনি বলেন, আপনাদের অনেকের মতো আমিও একজন পেশাজীবী আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারী।  আমি জীবনে কতগুলো আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছি, সেই হিসাব রাখতে আমি অনেক আগেই ভুলে গিয়েছি।  আমি স্বীকার করছি যে, এসব আলোচনা সভার অনেকগুলোতেই আমার মনোযোগ অন্যদিকে চলে যাওয়ায় আমি একরকম মানসিক স্থবির অবস্থায় গমন করি।  দুঃখজনকভাবে এই সম্মেলনে আমাদের কারোরই সেই আয়েশ উপভোগ করার সুযোগ নেই; কারণ, এই সম্মেলনের বিষয়বস্তুর সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র সচিব মঞ্জুর হোসেন,  কর্মসূচি সমন্বয়কারী, নাগরিক-সামরিক সম্পর্ক কেন্দ্রে ড. পল ক্লার্ক, রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহানসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনদের প্রতি সম্ভাষণ জানিয়ে তিনি বলেন,  এই কক্ষে যেসব জাতির প্রতিনিধিত্ব রয়েছে তারা কেউই সন্ত্রাসবাদ থেকে সুরক্ষিত নয়।  সন্ত্রাসবাদ কেবল অন্য কারও সমস্যা নয়। এটা আমাদের প্রত্যেক দেশের প্রতি একটি হুমকি এবং আমরা যারা একটি সহনশীল, সমৃদ্ধশালী, স্বাধীন সমাজব্যবস্থা ও এমন সমাজব্যবস্থা যা আমাদের নাগরিকদের মানবিক অধিকারগুলোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে, যা প্রত্যেক নাগরিককে তার নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সফলতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে দেয়, যে সমাজ তার নাগরিকদের নিজ সন্তানের জন্য একটি উত্তম ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করে দেয়- এমন একটি সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই সেই জনগোষ্ঠীর জন্য সামগ্রিকভাবেও সন্ত্রাসবাদ একটি হুমকি।  আমাদের সবার লক্ষ্য যে একই, সেই বিশ্বাসের ঘোরে বসবাস করলে আমাদের চলবে না।  এই মুহূর্তে যখন আমরা এই হলে বসে এসব বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি, সেই মুহূর্তেই অন্য এমন অনেকে আছে, যারা আমরা যে সমাজব্যবস্থাগুলো গড়ে তুলতে চাই, সেগুলো ধ্বংস করে দেয়ার পরিকল্পনায় লিপ্ত।  যেহেতু তারা যে কঠোর, অসহনশীল, অগণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, সেটা মানব স্বভাবের পরিপন্থি, তারা তাদের চরমপন্থি নীতিগুলো সহিংসতার মাধ্যমে অন্যদের ওপর জোরপূর্বক প্রয়োগ করতে সচেষ্ট।  সুতরাং, এই লড়াইয়ের সংজ্ঞাটা আমাদের সবার জানা।  আমরা যদি একটি স্বাধীন, মুক্ত, সহনশীল সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, আর আমরা যদি চাই যে আমরা আমাদের সন্তানরা উত্তরসূরি হিসেবে এরকমই একটি সমাজব্যবস্থা পাক, তাহলে আমাদের মূল্যবোধগুলোকে রক্ষার জন্য আমাদের লড়তে হবে।  নিজের বিশ্বাসের সুরক্ষার জন্য লড়াই করার বিষয়টি আমাদের কারোর জন্যই নতুন কোন বিষয় নয়।  সহিংস চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইটা অত্যন্ত জটিল। এই লড়াইয়ে কঠোর ও নমনীয় ক্ষমতার সংমিশ্রণ প্রয়োজন।  আমার মতে, নমনীয় ক্ষমতা হলো আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। আমাদের বিজয়ের মূলমন্ত্রই হলো সন্ত্রাসীদের এমন একটি উর্বর জায়গায় দখলের সুযোগ না দেয়া, যেখানে তারা তাদের ঘৃণা ও অসহনশীল মতবাদের বীজ রোপণ করার সুযোগ পায়। এই লক্ষ্যে আশা হলো আমাদের সবচেয়ে অপরিহার্য উপাদান বলে আমি বিশ্বাস করি।  আমি বিশ্বাস করি যে, যেসব মানুষ আশা নিয়ে বেঁচে আছে তারা চরমপন্থি মতবাদের দিকে আকর্ষিত হবে না।  যেসব মানুষ আশা করে যে, আগামীকাল আজকের থেকে ভাল হবে, যেসব মানুষ আশা করে যে, তাদের সন্তানরা একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যত পাবে- এসব মানুষ সহিংস চরমপন্থার ঠুনকো প্রতিশ্রুতিগুলোর দ্বারা প্রলোভিত হবে না। চরমপন্থা রোধের জন্য আশা হচ্ছে মূল চাবিকাঠি আমার এই তত্ত্বের সঙ্গে যদি আপনারা একমত পোষণ করেন, তাহলে আপাত প্রশ্নটি হলো এই যে মানুষের মধ্যে আশার জাগরণের জন্য আমরা কি করতে পারি? এই প্রশ্নের বিমূর্ত কোন উত্তরের পরিবর্তে আমি এখানে আমেরিকা বাংলাদেশে যে বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে সেগুলো বিশ্লেষণ করতে চাই। এখানে আমাদের সর্বোচ্চ প্রাধিকার বিষয়ের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশকে সহিংস চরমপন্থার পরিবর্তে একটি উদার, সহিষ্ণু, স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এগিয়ে নেয়া। এই লক্ষ্য অর্জনে আমেরিকা বাংলাদেশকে পরিচিত করে তুলতে চায় একটি শান্তিপূর্ণ, সুরক্ষিত, সমৃদ্ধশালী, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে। এবছর ১৮ কোটি ২০ লাখ ডলারের বেশি অর্থায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব এরকম একটি জাতি গঠনে ব্যবহৃত হবে। আমাদের অংশীদারিত্ব এ লক্ষ্যে যত এগোবে, আমার বিশ্বাস যারা অসহিষ্ণুতা ও ঘৃণা ছড়াচ্ছে বাংলাদেশের পরিবেশ তাদের জন্য তত দুরূহ হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্থানীয়, তৃণমূল, জনগণের পর্যায়ে। জনগণের সামনে আশা জাগানোর জন্য এই অংশীদারিত্ব অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির উদাহরণ রেখেছে। আর সেগুলো হলো: বাংলাদেশী পরিবারের সদস্যরা এখন নিজেদের ইচ্ছায় পরিবারের সদস্য সংখ্যা সীমিত রাখতে পারছে, প্রজনন হার শতকরা ৫০ ভাগের বেশি কমেছে। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ