রিপাবলিকান নেতাদের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ফোন- আসুন একসঙ্গে কাজ করি
ডেস্ক: পরাজিত রিপাবলিকানসহ বাজেট খাতটি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চান যুক্তরাষ্ট্রের পুনর্নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। নির্বাচনের একদিন পরে শিকাগো থেকে তিনি ফিরে গিয়েছেন ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে। তবে তার আগে তিনি কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান নেতাদের ফোন করেন। প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার জন বোয়েনার সহ অনেক নেতাই তাকে অভয় দিয়েছেন। তারা তার সঙ্গে একত্রে কাজ করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছেন। এরই মধ্যে তিনি তার নতুন প্রশাসন সাজানোর পরিকল্পনা শুরু করেছেন। বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে, তার নতুন মেয়াদের সরকারে না-ও থাকতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। ওদিকে পরাজিত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রমনির এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইঙ্গিত দিয়েছেন, ওবামার নতুন প্রশাসনে কাজ করতে চান রমনি। পরাজয় স্বীকার করে তিনি সমাপনী ভাষণ দেয়ার সময়ই ওবামার সঙ্গে একত্রে কাজ করার কথা বলেছেন। এবার তার বন্ধু গ্র্যান্ট বেনেট বলেছেন, রমনি আর প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করবেন না। তিনি ওবামার সরকারে যোগ দিতে চান। ওদিকে বারাক ওবামা আগামী ১৯শে নভেম্বর মিয়ানমার সফরে আসতে পারেন বলে দাবি করেছেন মিয়ানমার সরকারের এক সিনিয়র কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেছেন- আমি যতদূর জানি, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এই সফরে প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন ও বিরোধীদলীয় নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে দু’কক্ষবিশিষ্ট কংগ্রেসের নির্বাচনে নিম্নকক্ষ বা প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, বিরোধী রিপাবলিকানরা। আর উচ্চ কক্ষ বা সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে বারাক ওবামার দল ডেমোক্রেট। এ অবস্থায় যে কোন বিল পাস করাতে গেলে বারাক ওবামাকে প্রথমেই প্রতিনিধি পরিষদে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হবে। সেই বিরোধিতা থেকে তিনি কতটুকু রেহাই পান তা সময়ই বলে দেবে। নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানদের নেতা জন বোয়েনার। তিনি প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারও। বলেছেন, তিনি জরুরি সমস্যা সমাধানের জন্য ডেমোক্রেটদের সঙ্গে কাজ করতে প্রসু্তত আছেন। তিনি বলেন, সরকারি রাজস্ব বাড়ানোর পক্ষে তিনি। তবে আয় অনুযায়ী কর কম-বেশি রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধী। জন বোয়েনার বলেন, নিজস্ব নীতি বজায় রেখেই রিপাবলিকানরা ডেমোক্রেটদের সঙ্গে থাকবে। নতুন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নতুন বছরে কর বৃদ্ধি করতে পারেন। সংকোচন ঘটাতে পারেন ব্যয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এতে বেকারত্ব বেড়ে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে অর্থনৈতিক মন্দা। তবে জন বোয়েনার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট যদি কর সংস্কারে সম্মত হন তাহলে তার সঙ্গে তারা সমঝোতা করতে পারেন। ২০১১ সালে ব্যয় সংকোচন ও নতুন রাজস্ব বিষয়ক পরিকল্পনায় বারাক ওবামার সঙ্গে সমঝোতা করেছিলেন বোয়েনার। তিনি এবার বলেছেন, নতুন রাজস্ব বাড়ানোর পরিকল্পনাকে তিনি মেনে নেবেন। কারণ, এর মাধ্যমেই কর সংস্কার করা যাবে। জন বোয়েনার নির্বাচনের পর তার প্রথম বক্তব্যেই বলেছেন, প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানরা অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এর আগে ট্যাক্স বা আয়কর নিয়ে প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছিলো তারা।মানবজমিন
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK