Tuesday, 9 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

‘শেখ হাসিনার হস্ত প্রসারিত হলেই নিউইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনারের স্বপ্ন পূরণ হবে’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 140 বার

প্রকাশিত: February 16, 2020 | 11:11 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : শেখ হাসিনার হস্ত প্রসারিত হলেই জাতিসংঘের শহর নিউইয়র্কে স্থায়ী শহীদ মিনারের স্বপ্ন পূরণ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্বড়িত হস্তক্ষেপে ইউনিসেফ থেকে একুশ ফেব্রæয়ারিকে যেভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে সে চেতনায় পদক্ষেপ না নিলে নিউইয়র্ক সিটিতে শহীদ মিনার হবে না। কারণ, এই সিটির ৫ বরোর কোন পার্কেই শহীদ মিনার নির্মাণের অনুমতি মিলবে না। এজন্যে দরকার নিজস্ব ভ’মি এবং সেটি ঘটতে পারে নিজস্ব ভবনে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট স্থাপনের মাধ্যমে-যে ভবনের সামনে অথবা পাশে অথবা নিদেনপক্ষে পেছনে খোলা জায়গা থাকবে এবং সেখানেই সত্যিকারের শহীদ মিনার নির্মাণে আর কোন বাধা থাকবে না।

উল্লেখ্য, ম্যানহাটানে নিজস্ব ভবনে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট স্থাপনের পরিকল্পনা সক্রিয় থাকলেও ভবনের পছন্দ/অপছন্দ এখন মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সপ্তাহেও ঢাকা থেকে একটি টিম আসার কথা প্রস্তাবিত কয়েকটি ভবন পরিদর্শনের জন্যে। এর আগেও টিম এসেছে। তারা ফিরে গেছেন কিন্তু ভবন ক্রয়ের গ্রীণ সিগন্যাল দেননি। এবার পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে কি রিপোর্ট দেবেন সেটি তারাই জানেন। তবে প্রবাসীরা আশা করছেন, মুজিববর্ষেই যেন নিউইয়র্ক সিটিতে ‘মুজিব ভবন’ তথা কন্স্যুলেট অফিস স্থাপনের অনেক পুরনো দাবির বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থায়ী শহীদ মিনারের প্রত্যাশাও পূরণ হয়। এমন আকুতি নিয়ে ১৪ ফেব্রæয়ারি শুক্রবার অপরাহ্নে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমার সাথে সাক্ষাত করেন যুক্তরাষ্ট্র সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় রাষ্ট্রদূত ফাতিমা জানান, জাতিসংঘের ভেতরে স্থায়ী একটি শহীদ মিনার নির্মাণের চেষ্টা আমরা করছি। কিন্তু নানা জটিলতা রয়েছে। জাতিসংঘের সামনের পার্কে শহীদ মিনার নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে কিনা জানা সম্ভব হয়নি। তবে মাত্র কমাস আগে পদোন্নতি নিয়ে ঢাকায় ফিরে পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব গ্রহণকারি মাসুদ বিন মোমেন ড্যাগ হেমার্সজোল্ড পার্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন যে, তিনি স্থায়ী শহীদ মিনারের জন্যে চেষ্টা করবেন। সে অঙ্গিকারের প্রতিফলন এখন পর্যন্ত ঘটেনি। কন্সাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুননেসা সিটি এবং বরো প্রেসিডেন্টের সাথে এ নিয়ে লাগাতার দেন-দরবার করে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সিটির কোন পার্কে শহীদ মিনারের মত কোন স্থাপত্য নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। সে ধরনের বিধি নেই। অর্থাৎ বিকল্প হচ্ছে নিজস্ব ভবনের সামনে শহীদ মিনার নির্মাণ।

প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য, ম্যানহাটানে নিজস্ব একটি ভবন ক্রয়ের চেষ্টা চলছে কন্স্যুলেট অফিস স্থাপনের। সেটিকে লক্ষ্য স্থির করেই এগুতে হবে। ভবনটির সামনে যেন খোলা কিছু জায়গা থাকে। এক্ষেত্রে আর্থিক ব্যাপারটিকে প্রাধান্য দিলে চলবে না। কারণ, এক ঢিলে বহু পাখী শিকারের কথা ভাবছেন প্রবাসীরা। বড় একটি ভবন ক্রয় করা হলে সেখানে কন্স্যুলেট সার্ভিসের পাশাপাশি কমিউনিটি সেন্টার, লাইব্রেরী, মুক্তিযুদ্ধের গবেষণাগার, সোনালী এক্সচেঞ্জ, বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজারের অফিস, প্রবাসীদের সেবাদানের অন্যান্য অফিস স্থাপিত হতে পারবে। সেই ভবনের নাম হবে ‘বঙ্গবন্ধু ভবন’। ওপরে উড়বে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত লাল-সবুজের পতাকা।

ইংরেজীতে বঙ্গবন্ধু ভবন লেখা দেখেই ভিনদেশীরা কৌতুহল প্রকাশ করবেন বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস-ঐতিহ্য তথা বাঙালি জাতির এগিয়ে চলার কাহিনী জানতে। সেই ভবনের সামনে শহীদ মিনার থাকলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আদি-অন্ত তথা ভাষার জন্যে বাঙালির রক্তদানের ইতিহাসও বিশ্ব সম্প্রদায়ের নখদর্পণে আসবে। আর এমন প্রত্যাশা পূরণে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। কারণ, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশে নিজস্ব ভবনে দূতাবাস, চ্যান্সেরী, কন্স্যুলেট স্থাপন করা হয়েছে শেখ হাসিনার আমলেই। সে ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের শহরে শহীদ মিনারসহ বঙ্গবন্ধু ভবনও নির্মিত হবে বলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিতরা আশা করছেন বলে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। এ দলে ছিলেন ফোরামের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, সেক্রেটারি মুক্তিযোদ্ধা রেজ্উাল বারি, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, নির্বাহী সদস্য মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার এবং সাংবাদিক কানু দত্ত।

এ সময় রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, নিউইয়র্কে নিজস্ব ভবনে বাংলাদেশ কন্স্যুলেট স্থাপনের ব্যাপারে সকলেই উদগ্রিব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশ অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সচেষ্ট রয়েছেন। সকলেই একাগ্রচিত্তে একটি ভবন ক্রয়ের চেষ্টায় রয়েছি।  এ সময় মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (প্রেস) নূরএলাহি মিনা সেখানে ছিলেন। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV