সমলিঙ্গের বিয়ে বিতর্কে মার্কিন সর্বোচ্চ আদালত
সমলিঙ্গের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে দু’টি মামলা পুনরালোচনা করতে সম্মত হয়ে প্রথমবারের মতো এ বিতর্কে অংশ নিলো যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত। ফেডারেল আইনে ‘বিয়ে’ বা ‘বিবাহ’র সংজ্ঞা এবং ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে সমলিঙ্গের বিয়ে নিষিদ্ধ করা আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দু’টি শুক্রবার পুনরালোচনার জন্য আমলে নেয় যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আইনে একজন নারী ও একজন পুরুষের মধ্যে বন্ধনকে ‘বিয়ে’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এ সংজ্ঞার অধীনে দম্পতিদের দেয়া সুবিধাগুলোকেও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে মামলায়। ২০০৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় সমলিঙ্গের বিয়ের বিরুদ্ধে বেশির ভাগ ভোট পড়ায় তা নিষিদ্ধ করে আইন করে ওই রাজ্য। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে একটি রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে সমলিঙ্গের বিয়ে বিতর্ক। দেশটির ৩১টি রাজ্যে সমলিঙ্গের বিয়ে নিষিদ্ধ। বিপরীতে ১১টি রাজ্যে এর অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে তিনটি রাজ্যে গত নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিনই এ আইন পাস করা হয়। তবে ১৯৯৬ সালে নারী-পুরুষের মধ্যে বিয়ের পক্ষে কংগ্রেসে পাস হওয়া ফেডারেল আইন অনুযায়ী নারী-পুরুষ দম্পতিরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান, বিয়ের অনুমোদন পেলেও সেসব সুবিধা পাচ্ছেন না সমলিঙ্গের দম্পতিরা। যুক্তরাষ্ট্রে সমলিঙ্গের বিয়ের পক্ষে জনমত ক্রমশ বাড়ছে। গত মে মাসে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নিজেই এর পক্ষে অবস্থান নেন। গত অক্টোবরে মার্কিন গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা যায়, ৪৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিক সমলিঙ্গ বিয়ের পক্ষে। এর বিপক্ষে রয়েছেন ৪০ শতাংশ নাগরিক। সূত্র বিডিনিউজ
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








