Wednesday, 18 March 2026 |
শিরোনাম
নিইউয়র্কে টাইমস স্কয়ারের মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড হোয়েলম্যান নিউইয়র্কে স্ট্রিট ভেন্ডরদের জন্য নতুন আইন কার্যকর; জেল শাস্তি বাতিল, আরোপ করা হবে জরিমানা New York Attorney General James Leads Bipartisan Coalition Suing Predatory Lender OneMain for Scheme to Trap Consumers in Debt নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট হাউসে ‘বাংলাদেশ ডে’ উদযাপন ২৩ মার্চ : আহ্বায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগসহ সকল রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক রাজনীতির পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি নিউজার্সি স্টেট আওয়ামী লীগের নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
সব ক্যাটাগরি

স্কুলে দুষ্টুমি কমাবে সংগীত!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 48 বার

প্রকাশিত: June 14, 2013 | 9:47 PM

স্কুলে দুষ্টুমি কমাবে সংগীত!হয়তো শ্রেণীকক্ষে শিক্ষক তার পড়ানোর কাজটি নির্ধারিত সময়ের একটু আগেই শেষ করে ফেলেছেন। কিংবা নির্ধারিত কোনো ঘণ্টায় হয়তো উপস্থিত হননি সেই ঘণ্টায় যার পড়াবার কথা ছিল সেই শিক্ষক। এ ধরনের যেকোনো সুযোগেই স্কুলের শিশুদের একমাত্র কাজ বোধকরি দুষ্টুমি আর হৈ-হল্লায় মেতে ওঠা। এমনকি মাঝে মাঝে তো এই হৈ-হল্লার পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে পাশের ক্লাস থেকে অন্য শিক্ষককে এসে রীতিমতো ধমকে যেতে হয় এই ক্লাসের ছেলেমেয়েদের। অনেকেই হয়তো ভাবছেন শিশুদের কাছ থেকে এই ধরনের ব্যবহারই তো স্বাভাবিক। তবে গবেষকরা বলছেন অন্য কথা। তাদের দাবি যেসব ক্ষেত্রে শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে মাত্রা ছাড়ানো দুষ্টুমির কারণে শিশুদের কারও আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যেখানে এর কারণে অন্য শিশুদের মনোসংযোগে ব্যাঘাত ঘটে কিংবা যেখানে হৈ-হল্লা করা শিশুরা পরবর্তী ক্লাসে শান্ত ও সুস্থিরভাবে মন দিয়ে পড়া করতে পারে না তাদেরকে খুব সহজেই স্থির রাখতে পারে সংগীত। এই গবেষণার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের একটি স্কুলে টিফিনের সময় ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার সময় নেপথ্য সংগীত হিসেবে বাজানো হয় ‘দ্য স্পিরিট অব ইয়োগা’ মিউজিক। আর এভাবে সংগীত বাজানোর ফলে শিশুরা উত্ফুল্ল হয়ে খেলাধুলা করা, হৈ-হল্লা কম করা এবং শান্তমনে পরের ক্লাস শুরু করার মতো গুণ অর্জন করতে পারদর্শীতা দেখায় বলে পর্যবেক্ষণে দেখেছেন গবেষকরা। আবার এভাবে টিফিনের সময় ‘দ্য স্পিরিট অব ইয়োগা’র পাশাপাশি ভারতীয় ধারার সংগীত বাজিয়েও ইতিবাচক ফল পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের দাবি টিফিনের সময় অথবা শিক্ষার্থীদের অবসর সময়ে যদি তাদেরকে ভারতীয় সংগীত শোনানো হয় তাহলে শিশুদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি করার প্রবণতা বা একে অন্যকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়ার প্রবণতাও প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।ইত্তেফাক
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV