‘হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন হুমায়ূন’-মেহের আফরোজ শাওন
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু ঘিরে রহস্য বাড়ছেই। দুনিয়াজুড়েই চলছে নানা ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ। চিকিৎসাজনিত অবহেলায় এই লেখকের মৃত্যু হয়েছে এমন সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। কোন ব্যাখ্যাই পর্যাপ্ত মনে হচ্ছিল না। সবশেষ গতকাল বরেণ্য এ লেখকের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন হুমায়ূন। গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে গতকাল ইন্ডপেন্ডেন্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শাওন বলেছেন, এটা সত্যি যে তিনি ইনফেকশনে ভুগছিলেন। তবে ইনফেকশনের কারণে তার মৃত্যু হয়নি। শেষদিকে তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। চিকিৎসক পূরবী বসু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শাওন বলেন, এ মুহূর্তে আমি এর বেশি কিছু জানাতে পারছি না। তবে চিকিৎসকের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়ার পর সব কাগজপত্র আমি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবো। এদিকে এর আগে হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই ড. জাফর ইকবাল এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ইনফেকশনেই মারা গেছেন বড় ভাই। এদিকে চিকিৎসায় অবহেলা ও সে কারণেই হুমায়ূনের মৃত্যু এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাওন। তিনি বলেন, আজ যারা অবহেলার কথা বলছেন, প্রয়োজনের মুহূর্তগুলোতে তাদের কেউই আমার পাশে দাঁড়াননি। এদিকে নিউ ইয়র্কের বাড়িতে লেখকের চেয়ার থেকে পড়ার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন শাওন। তিনি বলেছেন, তিনি চেয়ার থেকে কখনও পড়ে যাননি। বরং চেয়ার থেকে পিছলে যান। তিনি যখন পিছলে যান, তখন আমি তার হাত মালিশ করছিলাম। চিকিৎসকরাও অপারেশনের পর বলেছিলেন, তিনি যদি পড়ে যান তাতে কোন ক্ষতি হবে না। এদিকে নন্দিত এই কথাসাহিত্যিকের মৃত্যুর দশদিনেও ভিড় কমছে না নুহাশ পল্লীতে। সর্বস্তরের মানুষের ঢল যেন নুহাশেই। তারা ফুল দিয়ে প্রিয় লেখককে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বহু ভক্ত সেখানে নামাজ আদায় করেন। কিন্তু হুমায়ূনবিহীন নুহাশ পল্লী যেন বড় শূন্য, পিতৃহীন। এদিকে অপর এক প্রশ্নের জবাবে শাওন জানান, চিকিৎসা খরচ যোগাতে হুমায়ূন আহমেদকে তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে টাকা ধার করতে হয়েছিল। এমনকি ২০০১ সালে জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে প্রিয় নুহাশ পল্লীর তিন বিঘা জমিও বিক্রি করেছিলেন লেখক। তবে এ নুহাশ পল্লী ছেড়ে যেতে হবে ভাবতেও পারেননি তিনি। এমনকি চিকিৎসার জন্যও না। চিকিৎসার খরচ জোগাতে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের কাছ থেকে অর্থ সহযোগিতা নিতে চাননি তিনি। বরং হুমায়ূন বলতেন, যদি আপনারা আমাকে সহযোগিতা করতে চান, আমি সুস্থ হয়ে উঠলে তা করেন। বাংলাদেশে একটি ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে আমাকে সহযোগিতা করতে পারেন। তিনি শুধু মানুষের দোয়া চেয়েছিলেন। আপামর মানুষের দোয়ায় সিক্ত হয়েছিলেন তিনি। কথাগুলো বলছিলেন শাওন।মানবজমিন
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests