হোয়াইট হাউসে মালিয়া ও সাশা কেমন আছে?

স্বামী বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ছোট্ট মেয়ে দুটি নিয়ে মারাত্মক চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা। হোয়াইট হাউসের নিয়ন্ত্রিত জীবনধারা মানিয়ে নিতে পারবে তো মালিয়া ও সাশা? কিন্তু দুই মেয়ের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মায়ের সেই দুশ্চিন্তা কর্পূরের মতো উড়িয়ে দিয়েছে। দুই মেয়ের চালচলন দেখে মনেই হয় না যে তাদের মাথার ওপর ঝুলছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ছাদ। এবিসি টেলিভিশনের সঙ্গে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিশেল বলেছেন, ‘ওদের (দুই মেয়ে) স্বাভাবিক জীবনযাপন দেখে আমি সত্যিই বিস্মিত।’ ওবামা ২০০৮ সালে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সময় তাঁদের বড় মেয়ে মালিয়ার বয়স ছিল ১০ বছর আর ছোট মেয়ে সাশার সাত বছর। ওবামা পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর দুই বোনকে আরও চারটি বছর হোয়াইট হাউসে নিয়ন্ত্রিত জীবন কাটাতে হবে। মিশেল বলেন, ‘ওদের জীবন কেমন কাটবে, ওদের স্বাভাবিক রাখতে পারব কি না, সেসব নিয়ে আমি ছিলাম উদ্বিগ্ন। আমরা যে মূল্যবোধ নিয়ে বেড়ে উঠেছি, সেটা ওরা পাবে কি না অথবা মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে পারবে কি না, তা নিয়ে প্রচণ্ড চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু এখন ওদের দেখে আমি সত্যিই খুশি। খুবই চমৎকার মেয়ে দুটি। ওরা স্থিরমস্তিষ্ক, কঠোর পরিশ্রম করে, মানুষকে নিয়ে ভাবে। ওরা সত্যিই ভালো। আমরা ওদের নিয়ে খুবই গর্বিত।’ মালিয়া ও সাশা এতটাই সাদামাটা জীবন যাপন কাটায় যে খোদ মার্কিনিরাও অবাক। এই চার বছরে তারা কখনোই আলাদাভাবে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়নি। যখনই দেখা গেছে, মা-বাবার সঙ্গে—হয় বড়দিনের উৎসবে কিংবা ডেমোক্রেটিক সম্মেলনে কিংবা অবকাশ যাপনে অথবা এয়ারফোর্স থেকে ওঠানামা করতে গিয়ে। কড়া নজরদারির মধ্যে স্কুলে গেলেও ক্লাসের বাইরে দুই বোন আর দশটি শিক্ষার্থীর মতোই। মালিয়ার যেমন টেনিস, তেমনি সাশার পছন্দ বাস্কেটবল। ফেসবুকে তাদের অ্যাকাউন্ট না থাকলেও বন্ধুদের বাড়িতে বেড়ানো, গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প কিংবা অ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ তাদের বাদ যায় না। টেলিভিশন দেখায় কড়াকড়ি থাকলেও কম্পিউটারে হোমওয়ার্ক সারতে বাধা নেই। খাবারদাবারেও স্বেচ্ছাচারিতা নেই। চর্বিজাতীয় খাবার খেলেই শিশুদের স্থূলতা নিয়ে মায়ের পরামর্শ। বেশি করে শাক-সবজি খেতে হবে। ক্ষুধা না থাকলে বিস্কুট কিংবা চিপসের মতো খাবার পর্যন্ত খাওয়া যাবে না। সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সিনিয়রের উপদেষ্টা ডগ ওয়েড বলেন, ‘মালিয়া ও সাশা এখনো শিশু বলে আমি উদ্বিগ্ন। কারণ ওরা বন্ধুদের সঙ্গে সময় একান্তে কাটাতে চাইলে পারবে না। ওদের চারপাশে সব সময় বন্দুক নিয়ে পাহারায় আছেন নিরাপত্তাকর্মীরা।’ এএফপি।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests