‘বিশ বছর ধরে দেশে নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র চলছে’ – খ্যাতনামা শিক্ষক, লেখক, সামাজিক আন্দোলনের অগ্রদূত, ‘আলোকিত মানুষ চাই’ আন্দোলনের উদ্গাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

‘বিশ বছর ধরে দেশে নির্বাচিত একনায়কতন্ত্র চলছে’ শিরোনামে খ্যাতনামা শিক্ষক, লেখক, সামাজিক আন্দোলনের অগ্রদূত, ‘আলোকিত মানুষ চাই’ আন্দোলনের উদ্গাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় গত ১৭ই ডিসেম্বর। সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনীতি স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে প্রাপ্তি, প্রত্যাশা, শিক্ষাব্যবস্থা, সিভিল সোসাইটির ভূমিকা, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে আগামী দিনের কর্মসূচিত খোলামেলা কথা প্রকাশিত হলে মানবজমিন অনলাইনে অসংখ্য পাঠক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তাদের মতামত ই-মেইল করেছেন। সেখান থেকে নির্বাচিত অংশ প্রিন্ট সংস্করণের পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হলো-
১
স্যার, আমরা কাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখবো? আমরা ছাত্ররা কি আজ আদর্শ পথে চলি? আপনার মতো যে গুটিকয়েক মানুষ আমাদের আদর্শ, তাদের নীরবতা কি আমাদের আরও বেশি কষ্ট দেয় না?
জয়
[email protected]
২
কি লিখবো ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। আমার দেখা বাংলাদেশে এই মুহূর্তে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার-এর মতো মহামানুষ পাওয়া খুবই দুষ্কর। আল্লাহতায়ালা এক হাজার বছর হায়াত দান করুক- আমার এই প্রার্থনা আল্লাহর কাছে। আর সাংবাদিক সাব, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। যদি পারেন স্যার আর আলোকিত মানুষ-এর ঠিকানাটা দিবেন।
হেলাল
[email protected]
৩
বেশির ভাগ রাজনৈতিক নেতাই পাগল। তবে পাবনা পাঠানোর মতো পাগল নয়। তারা আসলে যে কোনভাবে অবৈধ অর্থ কামাতে উন্মাদ। সেজন্যই তারা অর্থের পাগল। আমাদেরকেও কিছু জবাব দিতে হবে। আমরা কেন তাদের সমর্থন করি? কেন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা তাদের সমর্থন করেন? আমাদের সব মিডিয়াও তাদের পিছনে কেন? কেন গোটা জাতি আজ বিভক্ত? আমাদের নৈতিকতা কোথায়? এটা রাজনৈতিক নীতির মৃত্যু নয়। এটা সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মৃত্যু। আমাদের দেশকে বিশ্বের সবচেয়ে অসভ্য ও খারাপ দেশ বানানোর জন্য রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীরাই দায়ী। আমরা তাদের দুর্নীতির কারণে নিজেদেরকে বাংলাদেশী বলে পরিচয় দিতে লজ্জা পাই। এমনকি তারা আমাদেরকে মশার উপদ্রব থেকেও রক্ষা করতে পারেন না। কি অদ্ভুত জাতি?
আবদুল আজিজ মীর
[email protected]
৪
গোটা দেশটাই অপরাধীদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমান ও অতীতের উভয় সরকারই এক। কোন কিছুই বদলায় নাই। সবাই দেশকে ভুলে গিয়ে তাদের পকেট ভারি করতে চায়। তারা নামমাত্র শিক্ষিত, স্মার্ট ও প্রাজ্ঞ। আসলে তারা সবাই গুণ্ডা। ভিতরে ভিতরে সবাই অপরাধী। আমি দেখতে চাই, কখন জনগণ ও সরকারের কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন আসে। একটি শান্তিপূর্ণ দেশ পেতে আমাদের ৪০ বছর কেটে গেছে। কিন্তু এখনও হরতাল, ধর্মঘট হচ্ছে। হয়তো কখনও আমার স্বপ্ন সত্য হবে না। আমি সব বাংলাদেশীর জন্য শুভ কামনা করি। আমি নিজেকে বাংলাদেশী পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি।
আরেফিন আরিফ
[email protected]
৫
আমাদের রাজনীতি ও সুশীল সমাজের মূল্যায়ন করার জন্য ধন্যবাদ, স্যার। তবে স্যার, ন্যায়বিচারের জন্য আমাদের আওয়াজকে আরও উঁচু করতে হবে। আমি জানি স্যার, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অনেক শিক্ষিত মানুষই তাদের আওয়াজ উঁচু করতে দ্বিধাবোধ করেন। স্যার, দয়া করে আর কোন সত্য বলতে আপনি নীতির ব্যাপারে কোন রকম ভারসাম্য রক্ষা করে চলবেন না। তা যা-ই হোক না কেন। আপনারা এমন জায়গায়ই বসে আছেন স্যার। আপনারা কিছু একটা করেন স্যার। আমি আপনার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, স্যার।
আমিনুল ইসলাম সোয়েল
[email protected]
৬
এই লেখাটাই আমার দেশের সব নাগরিকের একবার পড়া উচিত। যারা পড়তে না পারে তাদেরকে পড়ে শোনানো উচিত…‘এবারের সংগ্রাম গণতন্ত্রের সংগ্রাম’। আসুন সবাই এবার সংগ্রামে ঝাঁপাইয়া পড়ি দেশকে ‘রাজনীতির আগ্রাসন’ থেকে স্বাধীন করি…বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক, ক্ষণজন্মা পুরুষ, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে আমার অসংখ্য সালাম, এই লেখার জন্য।
মোহাম্মাদ শাহিন মিয়া
[email protected]
৭
স্যার, সত্য বলেছেন।
শান্তু
[email protected]
৮
আওয়ামী লীগ আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে ছিনতাই করে নিয়েছে। তারা ১৬ই ডিসেম্বর, ২১শে ফেব্রুয়ারি ও ২৬শে মার্চকে মগজ ধোলাই করতে সামনে নিয়ে আসে।
আমি যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি লজ্জা বোধ করি। তারা যেন হাসিনা … পুতুল … অতুল … রাতুলকে ক্ষমতায় আনার জন্যই জীবন দিয়েছেন। এটা আরব একনায়কদের চেয়েও খারাপ। স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়ে তারা আমাদেরকে আরেকটি উভয় সঙ্কটে ফেলেছেন।
সেজন্যই নিহত বীরদের নাম নিলে লড়াই হতে দেখি। কারণ এটা আর কোন সম্মানের বিষয় নয়। এটা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে পরিণত হয়েছে।
আমি জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র দেখেছি। তারা ১৯৪৫ সালের বিশ্বযুদ্ধে নিহতদের স্মরণে মোমবাতি জ্বালিয়ে ৩ মিনিট নীরবতা পালন করে এবং ফুল দিয়ে তাদেরকে সম্মান জানায়।
আর বংলাদেশে চলে মাসব্যাপী মগজ ধোলাই প্রচারণা। মানুষ উন্মাদ হয়ে যায়।
তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবীও শহিদ মিনারে ঘুমায়। কিছু লেখক ও প্রকাশকরা হাসিনাকে খুশি করতে মুজিব বন্দনা রচনায় কয়েক রাত নির্ঘুম কাটায়।
জিমি
[email protected]
৯
আমরা জানি না কে বা কারা আমাদেরকে এই রকম রাজনীতিকদের থেকে রক্ষা করবে, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। আমরা এখন স্বাধীনতার ৪০ বছর পালন করছি। কিন্তু আমাদের রাজনীতিকরা তাদের মানসিকতার কোন পরিবর্তন করেনি। আমি জানি না, আগামী ৪০০ বছর পরে আমাদের নাতিদের নাতিরা কি এই বিষয়েই কথা বলবে নাকি। আল্লাহ আমাদের দেশকে রক্ষা করুন। বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক।
আনিসায়ান
[email protected]
১০
লালু ভাই, সত্যিই প্রেরণামূলক কথা বলেছেন। যদিও অনেক দেরি হয়ে গেছে। তবু যখন যেভাবে আমাদের বলবেন তৈরি আছি।
মেজর (অব.) গিয়াস, কানাডা
[email protected]
১১
আমরা স্বাধীনতা, মুক্ত সমাজ, কথা বলার অধিকার চাই। সে সঙ্গে আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত সব ধরনের মৌলিক অধিকার চাই। আমরা কোন স্বৈরাচারী শাসক বা তথাকথিত গণতন্ত্র চাই না। আমরা প্রকৃত সেবক প্রেসিডেন্ট চাই। আমরা আপনার মতো জাতীয় অভিভাবক চাই। আমরা পিতার স্বপ্নের নামে স্বৈরাচারী শাসন চাই না।
মো. আমজাদ হোসাইন
[email protected]
১২
স্যার, আমি আপনার সঙ্গে একমত। আমরা সম্পূর্ণভাবে ভুলে গেছি যে আমরা বাঙালি। বরং বর্তমানে আমরা আওয়ামী লীগার বা বিএনপি হয়েছি। আসলে আমাদের পরিচয় এটা নয়। আমাদের এটা বুঝতে হবে। নতুবা আমরা দিন দিন নিঃশেষে মিশে যাবো। আমরা অনুভব করি যে, প্রতি ৫ বছর পরপর আমাদের দেশের শাসক পরিবর্তন হয়। আওয়ামী লীগ অথবা বিএনপি ফিরে ফিরে ক্ষমতায় আসে। প্রতি ৫ বছর পর আমরা আমাদের স্বাধীনতা হারাই। এটাকেই কি প্রকৃত স্বাধীনতা বলে? আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা কি এর জন্যই লড়াই করেছিলেন?
নূর আলম
[email protected]
১৩
আমি ৭০ অনুচ্ছেদ রাখার পক্ষে। তবে এতে কিছুটা সংশোধন আনা যেতে পারে। যদি এই অনুচ্ছেদ না থাকতো তাহলে নির্বাচিত ১৫১ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৭০ জনকে মন্ত্রী আর বাকিদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আর ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানিয়েই বিনা বিনিয়োগে সরকার গঠন করা সম্ভব (আদম ব্যবসার মতো)। আর হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগও এখানে লাভজনক। ২/৩ জন দুর্বৃত্ত মিলে এটা করতে পারবে।
রব্বানী
[email protected]
১৪
স্যারের কথাগুলো সঠিক। কিন্তু হাল ধরবে কে? দেশের সবাই তো দুই ভাগে বিভক্ত। দু’টো দলই দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ৭০ ধারায় কি বলা আছে তা জানি না। কোথায় জানবো, কার কাছে জানবো?
মনিরুজ্জামান
[email protected]
১৫
আমি বলতে চাই (হাসিনা অ্যান্ড খালেদা)- আমাদের খুব দুর্ভাগ্য। তবে শেষ পর্যন্ত জাতি দুর্ভাগ্যকে মেনে নেয় না।
মো. মেহেদী হাসান
[email protected]
১৬
তিনি সঠিক বলেছেন। আমাদের সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রয়োজন। যা সম্পূর্ণভাবে নতুন প্রজন্মের দ্বারা পরিচালিত হবে। আমাদের আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে। তথ্য-প্রযুক্তি আমাদেরকে সহায়তা করবে। আমাদেরকে এই রাজনীতিকদের খুবই কৌশলে মোকাবিলা করতে হবে। আমরা একটি ক্লাব গঠন করতে পারি।
যেখানে আমরা আমাদের দেশ ও উন্নত দেশগুলোর মধ্যে তুলনামূলক অধ্যয়ন করতে পারি। এই ব্যাপারে আমরা তাদের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা, পার্লামেন্ট, পারিবারিক জীবন, খাদ্যাভ্যাস, চিন্তাচেতনা, সম্পর্ক, খেলার মাঠ, পার্ক ও বিনোদন নিয়ে পড়াশোনা করতে পারি। আর এই ক্লাব জাতিকে তাদের গবেষণার ফলাফল সরবরাহ করবে। একটা বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমাদের অনেক কিছুই আছে যা অন্যদের চেয়ে অনেক ভাল।
অতএব আমাদেরকে এসব খুঁজে বের করতে হবে এবং অনুসরণ করতে হবে।
দীপঙ্কর বিশ্বাস
[email protected]
১৭
আমি পড়লাম আর ভাবলাম আমাদের তথাকথিত দেশপ্রেমিক, রাজনীতিবিদ এবং দেশ পরিচালকগণ যদি সৈয়দ স্যারের মতো হতো, তাহলে বাংলাদেশটা বেহেস্ত হয়ে যেতো।
মো. সজীবুর
[email protected]
১৮
আমি মনে করি, এটি একটি ভাল দার্শনিক মতামত। প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীর সবকিছু একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। যেমন, চারা মাটি ছাড়া বেড়ে উঠতে পারে না। আবার টিকে থাকতে হলে তার পানিরও দরকার হয়। এক সময় এটি বড় হয়ে মানুষের খাবারের অভাব পূরণ করে।
যদি খালেদা, হাসিনা বা অন্য রাজনৈতিক নেতারা অপরাধ করে থাকে তাহলে প্রাকৃতিকভাবেই তাদেরকে সাজা ভোগ করতে হবে। এটি থেকে বাঁচার কোন উপায় নেই। যাই হোক, হাসিনা ও খালেদা জিয়া’র সন্তানেরাও আমাদের দেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে না। এটাই নিয়ম।
ড. মুস্তাফা খান
[email protected]
২০
আমি আপনার সঙ্গে একমত। আমরা সবাই যদি প্রত্যেকে ২শ’ টাকা দিই তাহলে তা ৫০ কোটি টাকা হবে। আমি মনে করি এটি খারাপ না।
মো. হাসানুজ্জামান
[email protected]
২১
প্রিয় স্যার, সত্যি কথা বলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মনে করি, আপনার মতো আমাদের দেশে আরও অনেকের সত্য কথা বলার সৎ সাহস আছে।
আমরা আপনাদের জন্য গর্ববোধ করি। আমাদের স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যাবে যদি দেশে গণতন্ত্র না থাকে।
মশিউর এম. রহমান
[email protected]
২২
চমৎকার বিষয়। আসুন আমরা সবাই মিলে সংবিধানের ৭০ নম্বর ধারা পরিবর্তন করি।
মো. আনোয়ার হোসেন
[email protected]
২৩
জ্ঞানী লোকের মাপা কথা, কে শোনে কার কথা। মগের মুল্লুক যার নাম।
এনায়েত
[email protected]
২৪
যেসব পুলিশ, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদ দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের কাছে থেকে ভাল কিছু কিভাবে আশা করেন? যেখানে অসৎ কাজের সঙ্গে ৯০ ভাগ মানুষ জড়িত সেখানে বাকি মানুষেরা কি করবে? কেউ সৎ থাকতে পারবে না যদি তার পরিবারের ভরণ পোষণ ঠিকভাবে করতে না পারে। আমি পরিবারের সদস্যদের সঠিকভাবে খরচ যোগাতে দেশের বাইরে পাড়ি জমিয়েছি।
এখন আমি সঠিকভাবে রাতে ঘুমাতে পারি। আমার বড় ভাই ’৭১ সালে রাজাকারের হাতে নিহত হয়। তার স্ত্রী বিধবার জীবন অতিবাহিত করছে। এত ত্যাগের পরও আমরা যথেষ্ট সম্পদের মালিক হতে পারিনি।
অথচ হাসিনা এবং খালেদার চারটির অধিক বাড়ি আছে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অঢেল টাকা। তাদের টাকার উৎস কি? আপনার কাছে এর কোন উত্তর আছে? তাদের ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
কিউ. ইসলাম
[email protected]
২৫
দেশ অস্থিরতার এমন এক পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে এখানে সংবিধানের ৭০তম অনুচ্ছেদ কেন, পুরো সংবিধান পাল্টে দিলেও কোন কাজ হবে না।
দেশের চাকা ঘুরছে ব্যাক গিয়ারে। এর পরিবর্তন চাইলে দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পুরো কাঠামোর পরিবর্তন দরকার।
সি ফর. কারপেন্টার
[email protected]
২৬
আমি এখনও বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মানুষদের জেগে ওঠার ব্যাপারে আশাবাদী।
আকাশ
[email protected]
২৭
অসম্ভব ভাল লাগলো স্যার আপনার কথা শুনে। আমার চোখের কোণে জল ছলছল করছে। মনের গভীরে চেতনার আগুন যেন ধপ করে জ্বলে উঠলো। আমরা এই নষ্ট রাজনীতি থেকে মুক্তি চাই। আমরা দেশকে স্বপ্নের মতো সাজাতে চাই।
আনোয়ার রানা
[email protected]
২৮
এই মানুষ যদি নিজের প্রচার চাইতেন তাহলে অনেক কিছুই পেতেন। কিন্তু উনি নিজের চেয়ে অন্যের কথা বেশি ভাবেন। আমি উনাকে সালাম দিচ্ছি আমার মনের কথা বলার জন্য।
কিন্তু স্যার সব কিছুর শেষ আছে। আমরা নিজেরা নিজেদের উন্নতি চাই না। স্যার আপনাকে আবারও সালাম।
সজীব
[email protected]
২৯
এক শ’ ভাগ একমত। শুভেচ্ছা।
শামীম খান
[email protected]
৩০
আমরা দিন দিন অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছি। জানি না আমরা এখান থেকে পরিত্রাণ পাবো কিনা। কখনও কখনও মনে হয় আবারও একটা মুক্তিযুদ্ধের দরকার। কিন্তু আমি যে একা।
তসলিমা
[email protected]
৩১
আমার পরিচিতজনরা বলে আমি সব সময় সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি তাই আমি বর্তমানে গরিব. কিন্তু এরা কি এই লেখাটা একবার পড়বে? এরা কি কখনো বুঝতে চাইবে না যে এখানে এই আমার জন্মভূমিতে এখন আরো বেশি স্বপ্ন দেখা মানুষ দরকার? এখানে; যেখানে আমার জন্ম, যে মাটির সোঁদা গন্ধ আমার রক্তের ভেতর, বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া কাদামাটির গন্ধের সাথে মিলে-মিশে একাকার হয়ে যাওয়া কাঁচা ফসলের ঘ্রানের দেশে আরো অনেক বেশি সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখা মানুষ দরকার . এখানে আমাদের ভালবাসার দেশে সন্ত্রাসী কিংবা দেশপ্রেমিক নামের ভন্ড রাজনৈতিক নেতাদের দরকার নেই … এখন আর আমাদের পেছনে যাবার সময় নেই … সময় শুধু এগিয়ে যাবার সুন্দর আগামীর স্বপ্ন নিয়ে … এঁদের মত স্বপ্ন দেখা মানুষদের আজ বড় প্রয়োজন …
গরিব মানুষ
[email protected]
মানবজমিন
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








