ইতালিতে ২ লাখ বাংলাদেশী বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন!
এম আবদুল করিম মনি, ইতালি : অবৈধ বাংলাদেশীদের আবার সুযোগ করে দিল ইতালি সরকার। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর এই একমাস কাগজ জমা দেয়ার নির্ধারিত তারিখ ঘোষণা করেছে সরকার। এ ক্ষেত্রে শুধু যারা ২০১১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ইতালি প্রবেশ করেছে তারা বৈধ হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে। এরই মধ্যে এ ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভেতরে। এ নিয়ে ইতালিতে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসিতে আনা-গোনা বেড়ে গেছে দালালদের । তারা বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখানোর চেষ্টা করছে প্রবাসীদের। তবে এদের খপ্পরে না পড়তে প্রবাসীদের সাবধান করে দিয়েছেন অ্যাম্বাসির কর্মকর্তারা। বৈধ হওয়ার আবেদন ফি ১ হাজার ইউরো নির্দিষ্ট করে দিয়েছে ইতালি সরকার। সর্বমোট ৭ লাখ প্রবাসীকে বৈধ করা হবে। এর মধ্যে ২ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী অবৈধ থেকে বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবে। এ দিকে বৈধতাকে ঘিরে কিছু লোক ধান্ধায় নেমে গেছে টাকা ইনকামের। কিছু অসাধু লোক নিজেদের ব্যবসা ও বাড়ি দেখিয়ে কাগজ করিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে। তারা জনপ্রতি ৭-৮ লাখ টাকা করে নেয়ার পরিকল্পনা করছে। যেখানে সরকারি ফি ১ হাজার ইউরো সেখানে আবার ৭-৮ হাজার ইউরো অর্থাত্ বাংলাদেশী টাকায় ৭-৮ লাখ টাকা দেয়া সবার পক্ষে কিভাবে সম্ভব। এ ব্যাপারে ফুল বিক্রেতা ফরিদপুরের কালাম মিয়া বলেন, ১০ লাখ টাকা খরচ করে এখানে এসেছি ১ বছর ৩ মাস হলো এখনও একটা টাকা দেশে পাঠাতে পারি নাই। কিভাবে এত টাকা খরচ করে কাগজ জমা দেয়ার কথা বলব, এর চেয়ে অবৈধ থাকা ভালো। বাংলাদেশ থেকে আসার ৮ মাস পরও কাজ না পাওয়া নোয়াখালীর আবদুল জলিল বলেন, দেশে ভিটা টুকু ছাড়া বাকি সম্পত্তি বিক্রি করে ইতালিতে এসেছি অনেক স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু এখন আবার কাগজ করার জন্য কোথায় পাব ৭-৮ লাখ টাকা। বর্তমানে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈধ কাগজপত্র হওয়ার ক্ষেত্রে এখন অনেক কড়াকড়ি ব্যবস্থা দেখা গেছে। চাইলে সহজেই বৈধ কাগজপত্র করা যায় না। এক্ষেত্রে ইতালি সরকার একেবারেই ভিন্ন। এখানে সহজেই কাগজ করা যাচ্ছে। সরকার বিভিন্নভাবে ফি নির্ধারণ করে ইউরো ইনকাম করছে। কিন্তু কাগজ হওয়ার পর এখানে কি করবে তার কোনো খবর থাকে না। অবস্থা বেগতিক দেখে অনেকে দেশে ফিরে যাচ্ছে। মাঝে ইতালি সরকার লাভবান হচ্ছে। বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে ইতালির অর্থনীতি ভালো না। তাই সরকার নানাভাবে ইউরো ইনকামের রাস্তা বের করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রবাসীরা। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত কৃষি ভিসায় লোক আসছে ইতালিতে ৮-১০ লাখ টাকা খরচ করে। ইতালি সরকার তাদের অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য প্রবাসীদের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে ট্যাক্স আদায় করছে। যা ইউরোপের অন্যান্য দেশে নেই। কাগজ পাচ্ছে ঠিকই কিন্তু কাজ পাচ্ছে না প্রবাসীরা। শেষমেষ গন্তব্য নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশ।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং