টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশেই

বাংলাদেশেই ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভেন্যু সংস্কার নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা কিছুটা হলেও দূর হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে লন্ডনে এক বৈঠক শেষে জানান, ‘বাংলাদেশে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনে আইসিসির কোনো সংশয় নেই। এটি বাংলাদেশেই অনুষ্ঠিত হবে।’ ভেন্যুর সমস্যা নেই জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, যে চারটি ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, তার মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম—এ দুটো ভেন্যু নিয়ে আইসিসির আপত্তি নেই।’ সিলেট ও কক্সবাজারের ভেন্যু নিয়ে সংশয়ে রয়েছে আইসিসি। বিষয়টি স্বীকার করে বিসিবি সভাপতি জানান, ‘কক্সবাজার ও সিলেট ভেন্যুর কাজ সময়মত শেষ হবে কিনা—সেটা নিয়ে আইসিসির একটা সংশয় ছিল।’ আইসিসি সব ভেন্যু সংস্কার কাজ শেষ করার জন্য অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেধে দিয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই আইসিসিকে ভেন্যু হস্তান্তর করবে বলে বিসিবি সভাপতি আশ্বস্ত করেছেন। ভেন্যু সংস্কার ও বিকল্প ভেন্যু নিয়ে তিনি বলেন, ‘সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সব কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে আশা করছি। সিলেট ও কক্সবাজার স্টেডিয়ামের বিকল্প হিসেবে এরই মধ্যে ফতুল্লা ও বিকেএসপিতে দুটো মাঠ তৈরি রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এদিকে ভেন্যু নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও বিসিবিকে সময় বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। ভেন্যু ঠিকঠাক করতে আগামী আগস্ট পর্যন্ত সময় পেয়েছে তারা। এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, আইসিসির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বোর্ড (আইডিআই) বিশ্ব টি-টোয়েন্টির ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করেছে এবং ভেন্যুগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আইডিআইর প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাদের উদ্বিগ্নের কথাও জানিয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার ও সিলেট ভেন্যুর উন্নয়ন প্রক্রিয়া নিয়েই প্রতিবেদনে তাদের উদ্বিগ্নের কথা জানিয়েছে আইডিআই। তবে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইডিআই আগস্টে ভেন্যুগুলো দ্বিতীয়বার পরিদর্শনের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। উল্লেখ্য, আইসিসির বার্ষিক সভার আগেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজক থাকতে পারবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বিসিবি। কারণ জুনেই ভেন্যুগুলো পরিদর্শন করে তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আইডিআইর পরিদর্শক দল। বাংলাদেশ সময়মত ভেন্যুর যাবতীয় কাজ সম্পাদন করতে না পারলে সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভেবে রেখেছে আইসিসি। আইসিসির সঙ্গে বৈঠক শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের প্রত্যাশা ছিল, বিপিএলে ম্যাচ পাতানো নিয়ে আকসুর (দুর্নীতিবিরোধী ও নিরাপত্তা ইউনিট) রিপোর্ট হাতে বুঝে পাবেন। কিন্তু লন্ডনে সভা শেষ হলেও রিপোর্ট দিতে আরও দেরি হবে জানিয়েছে আকসু। সম্ভবত আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলকে তাই থাকতে হচ্ছে মাঠের বাইরেই। জুলাইয়ে নির্ধারিত ঢাকা প্রিমিয়ার বিভাগীয় ক্রিকেট লিগে খেলা হচ্ছে না জাতীয় দলের অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানালেন, ‘তারা রিপোর্ট সম্পন্ন করতে পারেনি। বাংলাদেশের বাইরেও কিছু সাক্ষাত্কার নেয়া বাকি আছে। তারা আরও সময় চেয়ে নিয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু বুঝেছি, আমার মনে হয় সম্ভবত আগস্টের প্রথম সপ্তাহে রিপোর্ট হাতে পাব।’ রিপোর্ট পাওয়ার ওপর নির্ভর করছিল আসন্ন ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আশরাফুলের খেলা। তাই রিপোর্টের মতোই ঝুলে থাকল তারও ভাগ্য। এ বিষয়ে বিসিবি সভাপতি জানান, ‘আশরাফুল এরই মধ্যে সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত, আর রিপোর্টও এখনও পাইনি। আমরা জানি না কোন ধরনের সিদ্ধান্ত তার বিরুদ্ধে নেয়া উচিত। কিন্তু টুর্নামেন্টে সে খেলতে পারবে না, বাকি সবাই খেলবে।’আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








