Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশ সপ্তম :বিশ্বব্যাংকের অভিবাস ও উন্নয়নবিষয়ক সার সংক্ষেপে তথ্য

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 44 বার

প্রকাশিত: November 25, 2012 | 7:39 AM

প্রবাসী আয়ের বিবেচনায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। যুগ্মভাবে একই অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। গত বুধবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অভিবাস ও উন্নয়নবিষয়ক সার সংক্ষেপে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সার সংক্ষেপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশীরা চলতি বছর প্রায় এক হাজার ৪০০ কোটি ডলার দেশে পাঠাবেন যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ২০০ কোটি ডলার বেশি। ২০১২ সালে সারা বিশ্বে প্রবাসীরা মোট ৫৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠাবেন। এর মধ্যে কেবল উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই রেমিটেন্স বাবত যাবে ৪০ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যা ২০১১ সালের তুলনায় ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বব্যাংকের ডেভেলপমেন্ট প্রসপেক্টস গ্রুপের পরিচালক হ্যাসন টিমার এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির ধারা গত কিছুদিনে কিছুটা শ্লথ হয়ে এলেও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর ফলে যে কেবল দরিদ্র পরিবারগুলো উপকৃত হচ্ছে তা নয়, বহু অনুন্নত দেশের অর্থনীতিতে প্রাণ জোগাচ্ছে এই বিদেশি মুদ্রার জোগান।’ বিশ্বব্যাংক বলছে, ৭ হাজার কোটি ডলার আয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্সপ্রাপ্ত দেশের তালিকার শীর্ষে  রয়েছে ভারত। দ্বিতীয় অবস্থানে চীনের প্রবাসী আয় ৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। আর ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার রেমিটেন্স নিয়ে যুগ্মভাবে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে ফিলিপাইন ও মেক্সিকো। সার সংক্ষেপের পূর্বাভাস ঠিক থাকলে বাংলাদেশের মতো পকিস্তানও এবার এক হাজার ৪০০ কোটি ডলার প্রবাসী আয় পাবে। এর ফলে শীর্ষ দশে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যুগ্মভাবে সপ্তম স্থানে থাকবে। সেরা দশের বাকি দেশগুলোর মধ্যে নাইজেরিয়া ২ হাজার ১০০ কোটি ডলার, মিসর ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার, ভিয়েতনাম ৯০০ কোটি ডলার এবং লেবানন ৮০০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাবে। গত বছর এই তালিকায় বাংলাদেশ ৮ নম্বরে ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে প্রবাসী বাংলাদেশীরা এক হাজার ২১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার দেশে পঠিয়েছিলেন। আর ২০১০ সালে এর পরিমাণ ছিল এক হাজার ১০০ কোটি ডলার। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে উন্নয়নশীল বিশ্বে ২০১৩ সালে রেমিটেন্সের প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। পরের বছর তা বেড়ে ১০ দশমিক ১ শতাংশ হবে। আর ২০১৫ সাল নাগাদ এ খাতে ১০ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবাসী আয় ৫৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ উন্মুক্ত হয় সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়ে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ১৪ হাজার শ্রমিক কাজ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে গিয়েছিলেন। আর ওই বছর প্রবাসী আয় হয় পাঁচ কোটি ডলার। এরপর সব মিলিয়ে প্রায় ৮০ লাখ বাংলাদেশী বিশ্বের ১৪০টি দেশে গেছেন। আর তারা ২০১১-১২ সময়ে আয় করেন এক হাজার ৮৪ কোটি ডলার। তৈরি পোশাকের পর জনশক্তি রফতানিই বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। বিশ্বব্যাংক বলছে, প্রবাসী-আয় বাংলাদেশে যে কেবল বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বাড়াচ্ছে তাই নয়, দারিদ্র্যবিমোচন ও উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চল থেকে অনেক কম মানুষ প্রবাসে গেছেন। আর ৮২ শতাংশ গেছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল থেকে। এই তিন অঞ্চলে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেশি। ২০১১-১২ সময়ে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানির মধ্যে পার্থক্য ছিল এক হাজার কোটি ডলারের বেশি। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বাকি উত্স বিদেশি বিনিয়োগ ও সাহায্য এ দুটো এখন অনেক কম আসে। ফলে ভরসা একমাত্র প্রবাসী-আয়। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভারসাম্যপূর্ণ করে রেখেছে এই প্রবাসী-আয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা অনুযায়ী, প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ গেছেন অর্থ ধার করে, আর ৪১ শতাংশ গেছেন জমি বিক্রি বা বন্ধক রেখে অর্থ সংগ্রহ করে। এসব শ্রমিকের বড় অংশই অদক্ষ বা আধা দক্ষ। ফলে বিদেশে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। প্রবাসীরা আয়ের বড় অংশই দেশে পাঠান। সেই অর্থেই অনেকের পরিবার চলে। তবে পরিবারের চেয়েও বেশি লাভবান হয় সরকার। প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা পায়। কিন্তু এসব প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরলে কোথাও পান না মর্যাদা।আমার দেশ

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV