Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু
সব ক্যাটাগরি

যারা যারা ব্যাংক পেলেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 15 বার

প্রকাশিত: April 8, 2012 | 3:53 PM

অর্থনৈতিক রিপোর্টার: সম্পূর্ণ রাজনৈতিক চাপ ও বিবেচনায় নতুন করে আরও ৬টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে পর্যালোচনা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। পর্যালোচনা কমিটির বৈঠক শেষে ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের এ নতুন ব্যাংকের অনুমোদনের কথা জানান। অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলো হলো- ইউনিয়ন ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংক। এদিকে যেসব ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে সবগুলোতেই সরকারি দলের নেতাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
সরকার দলের যারা ব্যাংক পেলেন: ইউনিয়ন ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে রয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে জনৈক শহিদুল আলমের। এছাড়া ব্যাংকটির উদ্যোক্তার তালিকায় রয়েছেন জাতীয় পার্টির নেতা গোলাম মসি। ঢাকা-১২ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপসের ব্যাংকের নাম মধুমতি ব্যাংক। এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নাম রয়েছে জনৈক হুমায়ুন কবীরের। সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ফারমার্স ব্যাংকের প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আয়কর উপদেষ্টা এম মনিরুজ্জামান খন্দকারের ব্যাংকের নাম মিডল্যান্ড ব্যাংক। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান এস এম আমজাদ হোসেন। উদ্যোক্তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নেতা আবদুল মান্নান চৌধুরী। মেঘনা ব্যাংকের প্রস্তাবিত চেয়ারম্যান রংপুর-৫ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এইচ এন আশিকুর রহমান। পরিচালকের তালিকায় আছেন ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নসরুল হামিদ।
গতকাল দুপুর ২টায় নতুন ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা কমিটি। দীর্ঘ ৩ ঘণ্টার আলোচনা শেষে বিকাল ৫টার দিকে বৈঠক শেষ হয়।
বৈঠক শেষে এস কে সুর সাংবাদিকদের বলেন, টেকনিক্যাল কমিটি প্রাথমিকভাবে ৩৭টি আবেদনের মধ্যে ১৬টি আবেদন বিবেচনায় নেন। সেখান থেকে ৬টি চূড়ান্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে ব্যাংকগুলো যোগ্য বিবেচনা করেছে সেগুলোকেই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
নতুন ব্যাংক অনুমোদন রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ডেপুটি গভর্নর সুর চৌধুরী বলেন, যাদের ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আবেদনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করেই ৬টিকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এখানে কোন রাজনৈতিক বিবেচনা কাজ করেনি। যারা ব্যাংক পেয়েছেন, তারা সবাই সরকারি দলের লোক, এরাই কি যোগ্য- প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে ব্রিফিং না করে চলে যান।
যেসব শর্ত দেয়া হয়েছে: নতুন ব্যাংকগুলোকে লাইন্সেস দেয়ার ব্যাপারে কয়েকটি শর্ত দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো- ছয় মাসের মধ্যে বাণিজ্য পরিকল্পনা এবং পরিশোধিত মূলধন হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা কার্যক্রম শুরুর আগেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এছাড়া পরিশোধিত মূলধনের অর্থ সাদা হতে হবে, নতুন ব্যাংকের শাখাগুলোর বেশির ভাগই ঢাকার বাইরে স্থাপন করতে হবে এবং ঢাকার বাইরে প্রধান কার্যালয় স্থাপন করতে হবে।
এর আগে গত বুধবার নতুন ব্যাংক অনুমোদন নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা কমিটির একটি বৈঠক হয়। ওই দিন কোন নতুন বাণিজ্যিক ব্যাংকের অনুমোদন না দিয়ে ৩টি এনআরবি ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া এনআরবি ব্যাংক তিনটি হলো- বৃটেন প্রবাসী ইকবাল আহমেদের আবেদন করা ‘এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড’, আমেরিকা প্রবাসী ফরাসত আলীর আবেদন করা ‘এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড’ এবং আমেরিকার নিজাম চৌধুরীর আবেদন করা ‘এনআরবি ব্যাংক লিমিটেড’। অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর দু’টির নাম এক হওয়ায় দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরে নাম ঠিক করা হবে বলে জানানো হয়েছে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV