‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর সামরিক সম্পর্ক রয়েছে’

মিজানুর রহমান: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গভীর সামরিক সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করেন ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। নতুন মাত্রায় থাকা এ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে দু’ দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আগামী ১৯শে এপ্রিল ঢাকায় দিনব্যাপী এ সংলাপ অনুষ্ঠানে ওবামা প্রশাসনের সামরিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী অ্যানড্রু শাপিরো ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তার ভাষায় ‘দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্ক’ পর্যালোচনাই হবে সংলাপের মুখ্য আলোচ্য। গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা কমিশনে এক অনুষ্ঠান শেষে মানবজমিন-এর সঙ্গে আলাপকালে তিনি সংলাপের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকা-ওয়াশিংটন যৌথ কমিশন গঠনের প্রস্তাবকে চমৎকার উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। নিরাপত্তা সংলাপের আলোচ্য বিষয় প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, সংলাপে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সামরিক সহায়তা, নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইস্যুও সংলাপের সূচিতে থাকছে বলে জানান তিনি। পরবর্তী নিরাপত্তা সংলাপ যুক্তরাষ্ট্রে হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন থেকে প্রতিবছর এমন সংলাপ আয়োজনের চিন্তা আমাদের রয়েছে। আশা করি আগামী বছর ওয়াশিংটনে তা আয়োজন সম্ভব হবে। সেখানে অন্য বিষয়ের সঙ্গে আগের সংলাপের আলোচনা এবং সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করা যাবে। নিরাপত্তা ইস্যুতে মার্কিন সহায়তার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রশিক্ষণ নেয়া বাংলাদেশের প্রথম কমান্ডো ফোর্স সোয়াটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন সোয়াট টিমের উদ্বোধন করেন তখন সেখানে আমিও ছিলাম। তাদের প্রশিক্ষণ সহায়তা দিতে পেরে আমার ভাল লেগেছে। আমি মনে করি এটি একটি ভাল কাজ হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কের সব বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌথ কমিশন গঠনে ঢাকার প্রস্তাব প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি একটি চমৎকার উদ্যোগ। এ ফোরাম দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে এবং এখানে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে। রাষ্ট্রদূত মজিনা বলেন, এখন এ ধরনের কোন ফোরাম না থাকায় সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক, উন্নয়ন সহায়তা ইত্যাদি নিয়ে পৃথক পৃথক আলোচনা হয়ে থাকে। কমিশন গঠন হলে বছরে একবার এক সঙ্গে বসে সব এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করা যাবে। উদাহরণ দিয়ে মার্কিন দূত বলেন, দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে আমরা কতটা খুশি, বিনিয়োগের অবস্থা সন্তোষজনক কিনা- তা নিয়ে কমিশনের বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।মানবজমিন
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests