Monday, 8 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

সোহেল তাজকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠি পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি, প্রতিমন্ত্রীর সুবিধা পাবেন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 174 বার

প্রকাশিত: May 3, 2012 | 6:24 PM

দীন ইসলাম: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী পদে বহাল থাকবেন। পদত্যাগ ও বেতনভাতা গ্রহণ সম্পর্কে তার দেয়া দুই চিঠির জবাবে এক চিঠিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ স্পষ্টভাবে একথা জানিয়ে দিয়েছে। গতকাল দিনের কোন এক সময় চিঠিটি সোহেল তাজের নাখালপাড়ার এমপি হোস্টেলের ভবন নং ২, ফ্ল্যাট নং ১০৪-এ পাঠিয়ে দেয়া হয়। চিঠির বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে সোহেল তাজের ব্যক্তিগত সহকারী আবু কাউসার মানবজমিনকে বলেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি চিঠি পাঠানোর কথা শুনেছি। বাইরে থাকায় এখনও হাতে পাইনি। হয়তো বা এরই মধ্যে এমপি হোস্টেলে পৌঁছে গেছে। তবে চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানি না। সোহেল তাজকে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভুঁইঞা। তিনি মানবজমিনকে বলেন, আজই (গতকাল) তার ঠিকানায় চিঠি দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের কাছে পাঠানো চিঠিতে তার দেয়া দুই চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়। একই সঙ্গে এর আগে দুই পদত্যাগপত্র জমা থাকার বিষয়টিও স্বীকার করে নেয়া হয়েছে। বলা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আপনার পদত্যাগপত্রটি গৃহীত হয়নি। এজন্য প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় বর্তমানেও মাসিক পারিতোষিক ও ভাতা, প্রটোকলসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর আগে গত ১৭ই এপ্রিল গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলাদা দু’টি চিঠি দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইয়াকে। দুই চিঠি পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ওই দিনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব বলেছিলেন, দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী তানজীম আহমেদ সোহেল তাজের দু’টি চিঠি পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরেই এ ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ১৭ই এপ্রিল বেলা ১২টায় সোহেল তাজের ব্যক্তিগত সহকারী আবু কাওসার চিঠি দু’টি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সচিবের দপ্তরে জমা দেন। দুই চিঠির মধ্যে একটিতে প্রতিমন্ত্রীর বেতন ও ভাতা বন্ধ না হওয়ায় বিস্ময় ও উষ্মা প্রকাশ করেন সোহেল তাজ। অপর চিঠিতে পদত্যাগপত্র কেন এখনও কার্যকর করা হয়নি তা জানতে চান তিনি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিবের কাছে দেয়া ১৬ই এপ্রিলের তারিখে লেখা চিঠিতে দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছিলেন, ২০০৯ সালের ৩১শে মে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৮(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর হাতে আমার পদত্যাগপত্র দেই। ১লা জুন আবারও সেই পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পাঠাই। এরপর থেকে অদ্যাবধি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি কোথাও কোন কিছুতে স্বাক্ষর করিনি- যা এরই মধ্যে চিঠি দিয়ে আপনাকে অবহিত করা হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়, এরপরও ২০০৯-এর আগস্ট থেকে ২০১১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আমার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে একসঙ্গে পাঠানো প্রতিমন্ত্রীর মাসিক পারিতোষিক ও ভাতাদি কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য বা কাম্য হতে পারে না। কারণ, প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে আমার নামে মাসিক বেতন ভাতার চেক আমি নিজ স্বাক্ষরে গ্রহণ করেছি, যা আপনার জানা আছে। চিঠিতে সোহেল তাজ আরও বলেছিলেন, যেহেতু আমি পদত্যাগ করেছি, এজন্য উল্লিখিত সময়ে আমার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে পাঠানো সব অর্থ ফেরত নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে দেয়া অন্য একটি চিঠিতে সোহেল তাজ বলেন, ২০০৯ সালের ৩১শে মে পদত্যাগ করার পরও এখন পর্যন্ত তা গেজেট নোটিফিকেশন করা হয়নি- যা সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও আমার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ছাড়াও এক বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমার পাঠানো পদত্যাগপত্র গেজেট নোটিফিকেশন না করে উল্টো আমার অজান্তে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ২০০৯-এর আগস্ট থেকে ২০১১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর মাসিক বেতন ভাতার চেক জমা দেয়া হয়েছে। অথচ ২০০৯ সালের জুন মাস থেকে কোন কিছুতেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমার স্বাক্ষর নেই। বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন সোহেল তাজ। যার ভিত্তিতে চিঠির মাধ্যমে সোহেল তাজকে বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হলো। এ বিষয়ে জানতে সোহেল তাজকে বার বার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কারণ, সোহেল তাজ বর্তমানে ওয়াশিংটনের উপকণ্ঠে মেরিল্যান্ডে অবস্থান করছেন। এর আগে সোহেল তাজ ২০১০ সালে প্রথম দফায় ৩১শে মে ও পরের দফায় ১লা জুন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে সাংবাদিকদের কাছে ঘোষণা দেন। পদত্যাগের পরও তিনি ৮ই জুন অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে যোগ দেন। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। যুক্তরাষ্ট্র থেকে গত বছরের ২৭শে জানুয়ারি ফিরে আসার পর বিমানবন্দরে তাকে প্রতিমন্ত্রীর প্রটোকল দিলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তার জন্য নির্ধারিত সরকারি গাড়িতেও চড়েননি তিনি। তবে তার ব্যক্তিগত গাড়ির আগে-পিছে পুলিশের দু’টি গাড়ি ছিল। জাতীয় সংসদের পতাকাবাহী গাড়িটিও অনুসরণ করে তাকে। পরে তিনি তার নির্বাচনী এলাকা গাজীপুরের কাপাসিয়ায় গেলেও তাকে প্রটোকল দেয়া হয়। কিন্তু তিনি তা গ্রহণেও অস্বীকৃতি জানান। এরপর আবার যুক্তরাষ্ট্রে যান সোহেল তাজ। এমন ঘটনার মধ্যেই ২০১০ সালের ২৪শে আগস্ট সোহেল তাজকে দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নতুন করে নিয়োগ দেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গতকাল পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায় সোহেল তাজের সামনে দপ্তরবিহীন প্রতিমন্ত্রীর পদবি এখনও বহাল আছে। ওদিকে গত ২৩শে এপ্রিল সংসদ সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ চেয়ে স্পিকারের কাছে চিঠি দেন সোহেল তাজ। ওই বিষয়টিরও এখনও সুরাহা হয়নি।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV