প্রতি মার্কিনির প্রাণহানিতে সহায়তার ৫ কোটি ডলার করে কাটার প্রস্তাব কংগ্রেসে
ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে বিশাল অংকের সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এবার সেই সহায়তা থেকে অর্থ কেটে নিতে একটি বিল তোলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে। তাতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ভেতরে অবস্থান করে আইএসআইয়ের সমর্থন নিয়ে কোন সন্ত্রাসী কোন একজন মার্কিনিকে হত্যা করলে প্রতিজন মার্কিনির জন্য ওই সহায়তা থেকে ৫ কোটি করে ডলার কেটে রাখা হবে। এই বিলটির নাম দেয়া হয়েছে, পাকিস্তান টেরোরিজম একাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট অব-২০১২। এ বিলটি কংগ্রেসে তুলেছেন কংগ্রেসম্যান দানা রোহরাবাচের। তিনি বিলটি উত্থাপন করে বলেছেন, ভারত ও আফগানিস্তানে হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে মদত দেয়া হয়েছে। যদি এই বিলটি পাস হয় তাহলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানি সরকারের সমর্থন নিয়ে যেসব সন্ত্রাসী গ্রুপ রয়েছে তাদের হাতে যেসব মার্কিনি নিহত হবেন তাদের সবার নাম যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিপিবদ্ধ হতে হবে। গতকাল বার্তা সংস্থা পিটিআই এ খবর দিয়েছে। এতে আরও বলা হযেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পাকিস্তান ২২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। এখন যদি ওইসব সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে যতজন মার্কিনি নিহত হবেন ততটা ৫ কোটি ডলার করে সহায়তা থেকে কেটে নেয়া হবে। ওই অর্থ নিহত মার্কিনির পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হবে। দানা রোহরাবাচের হলেন হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স ওভারসাইট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশনস সাব-কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি বলেছেন, এতদিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তান সরকারকে অর্থ সহায়তা দিয়ে এসেছে। কিন্তু আইএসআই ও পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর মদতপুষ্ট ইসলামপন্থি গ্রুপগুলো মার্কিন নাগরিকদের হত্যা করছে। এটা তো যুক্তরাষ্ট্র মেনে নিতে পারে না। তিনি বলেন, পাকিস্তান তালেবান সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে। আল কায়েদার সাবেক প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে যুক্তরাষ্ট্রের চোখের আড়াল করে রেখেছিল পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা। এখন আফগানিস্তানে একটি ভয়ঙ্কর ও অত্যাধুনিক অস্ত্রসজ্জিত গ্রুপ মার্কিনিদের হত্যা করছে। এই গ্রুপটির নাম হাক্কানি নেটওয়ার্ক। এ গ্রুপটি ঘনিষ্ঠভাবে পরিচালনা করছে পাকিস্তান সরকার। ওই বিলে বলা হয়েছে, আইএসআইয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান আফগানিস্তানে সক্রিয় হাক্কানি নেটওয়ার্ককে নিয়ন্ত্রণ ও আফগানিস্তানের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আছে। এর মাধ্যমে তারা তাদের কৌশলগত অবস্থান নিরাপদ করতে চায়। একই সঙ্গে তারা চায় প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্র বাড়াতে। তারা শুধু আফগানিস্তানেই নয়, কাশ্মীরেও প্রভাব বাড়াতে চায়। হাক্কানি নেটওয়ার্কের সঙ্গে আইএসআইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে- এ কথা উল্লেখ করে বিলে বলা হয়, পাকিস্তান যদি তার সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে সমর্থন দিয়ে যায় মার্কিন নাগরিকদের টার্গেটে পরিণত করতে তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে তাদেরকে বিদেশী সহায়তা কমিয়ে দেয়া। ওদিকে লন্ডনে অবস্থানরত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উত্থান-পতন হয়েছে। স্কাই নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব অনুধাবন করে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে চাই। এরই মধ্যে শনিবার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কিয়ানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আফগানিস্তানে নিয়োজিত ন্যাটো কমান্ডার জেনারেল জন অ্যালেন।মানবজমিন
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং