ভূতাত্ত্বিক গবেষণা : বাইবেলে বর্ণিত দিনেই ক্রুশবিদ্ধ হয়েছেন যিশু
যিশুখ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যার সঠিক দিনক্ষণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে বহুদিন ধরেই। এবার ভূতাত্ত্বিক এক গবেষণায় এই বিতর্ক সমাধানের একটি পথ তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টে (দ্বিতীয় ভাগ) ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার সময় ৩৩ খ্রিস্টাব্দের ৩ এপ্রিল শুক্রবার উল্লেখ করা হয়েছে। ভূতাত্ত্বিকদের একটি দল দাবি করেছেন, নতুন এক গবেষণায় এই দিনেই ক্রুশবিদ্ধের ঘটনার পক্ষে তথ্য-প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সের একদল গবেষক মধ্যপ্রাচ্যের ডেড সি বা মৃত সাগরের পলিমাটিতে গত চার হাজার বছরের ভূমিকম্পের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন। জেরুজালেম থেকে ১৯ মাইল দূরে ডেড সির ওপরের দিককার পলিমাটির ১৯ ফুট পুরু স্তরে এই গবেষণা চালান তাঁরা। যিশুখ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করার দিনে ভূমিকম্প হওয়ার যে বর্ণনা নিউ টেস্টামেন্টে আছে, তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য পেয়েছেন বলে দাবি করছেন গবেষকরা।
নিউ টেস্টামেন্টে ‘গসপেল অব ম্যাথিউর’ ২৭ নম্বর অধ্যায়ে বলা আছে, ‘(ক্রুশবিদ্ধ করার পর) যিশু যখন উঁচু স্বরে চিৎকার করে উঠলেন এবং দেহত্যাগ করলেন, সেই মুহূর্তেই মন্দিরের পর্দা ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত দুই ভাগ হয়ে গেল। মাটি কেঁপে উঠল এবং সমাধি ফলকগুলো ভেঙে গেল।’ বাইবেলের এই অধ্যায়ে ভূমিকম্পের ঘটনা রূপক অর্থে বর্ণনা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
গবেষকরা জানান, তাঁরা ডেড সির পলির মূল অংশে অত্যন্ত শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পের চিহ্ন পেয়েছেন। ২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৩৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই ভূমিকম্পগুলো আঘাত হানে। ইহুদিদের দিনপঞ্জি এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন সমীকরণ শেষে ৩৩ সালের ৩ এপ্রিলকেই তাঁরা ভূমিকম্পের সবচেয়ে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সূত্র : জিনিউজ।কালের কণ্ঠ
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সের একদল গবেষক মধ্যপ্রাচ্যের ডেড সি বা মৃত সাগরের পলিমাটিতে গত চার হাজার বছরের ভূমিকম্পের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন। জেরুজালেম থেকে ১৯ মাইল দূরে ডেড সির ওপরের দিককার পলিমাটির ১৯ ফুট পুরু স্তরে এই গবেষণা চালান তাঁরা। যিশুখ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করার দিনে ভূমিকম্প হওয়ার যে বর্ণনা নিউ টেস্টামেন্টে আছে, তার পক্ষে যথেষ্ট তথ্য পেয়েছেন বলে দাবি করছেন গবেষকরা।
নিউ টেস্টামেন্টে ‘গসপেল অব ম্যাথিউর’ ২৭ নম্বর অধ্যায়ে বলা আছে, ‘(ক্রুশবিদ্ধ করার পর) যিশু যখন উঁচু স্বরে চিৎকার করে উঠলেন এবং দেহত্যাগ করলেন, সেই মুহূর্তেই মন্দিরের পর্দা ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত দুই ভাগ হয়ে গেল। মাটি কেঁপে উঠল এবং সমাধি ফলকগুলো ভেঙে গেল।’ বাইবেলের এই অধ্যায়ে ভূমিকম্পের ঘটনা রূপক অর্থে বর্ণনা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
গবেষকরা জানান, তাঁরা ডেড সির পলির মূল অংশে অত্যন্ত শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পের চিহ্ন পেয়েছেন। ২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৩৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই ভূমিকম্পগুলো আঘাত হানে। ইহুদিদের দিনপঞ্জি এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন সমীকরণ শেষে ৩৩ সালের ৩ এপ্রিলকেই তাঁরা ভূমিকম্পের সবচেয়ে সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। সূত্র : জিনিউজ।কালের কণ্ঠ
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests