Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 21 বার

প্রকাশিত: June 2, 2012 | 3:53 PM

ডেস্ক: এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলে সামরিক শক্তি বাড়াবে যুক্তরাষ্ট্র। ২০২০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র তার নৌ-বহরের শতকরা ৬০ ভাগ নিয়োজিত করবে। কয়েক বছরের মধ্যেই নিয়োজিত করা হচ্ছে বিমানবাহী ছ’টি যুদ্ধজাহাজ। বঙ্গোপসাগরে যুক্তরাষ্ট্র  সপ্তম নৌবহরের ঘাঁটি গাড়ছে এমন সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সিঙ্গাপুরে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিওন প্যানেটা। সিঙ্গাপুরের সাংগ্রিলা ডায়ালগ নামের ওই বার্ষিক সম্মেলনে প্যানেটা জানান, এসব যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট সঙ্কট কোন প্রভাব ফেলবে না। কারণ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঁচ বছরের বাজেট পরিকল্পনায় যে অর্থ আছে তা দিয়েই ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। সম্মেলনে তিনি জানান, এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ছয়টি বিমানবাহী রণতরী সবসময় মোতায়েন থাকবে। সামনের দিনগুলোতে এই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। সিঙ্গাপুরের সাংগ্রিলায় ৩০ দেশের সামরিক বে-সামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই বৈঠকে অংশ নেন। সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকেই প্যানেটা আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল কি হবে তা বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। তবে এই বৈঠকে এক প্রশ্নোত্তরে প্যানেট্টা বঙ্গোপসাগরে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির সঙ্গে চীনকে মোকাবিলার কোন সমরকৌশল কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ওই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি আমি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি। এশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে শুরু করা ও গভীর করে তোলার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। এই কৌশল চীনের উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে তাদের নৌ উপস্থিতি সুদৃঢ় করতে চায়। এর মাধ্যমে তারা ভারত মহাসাগরসহ ব্যাপক এলাকার অধিক বন্দরে পরিদর্শনের পরিকল্পনা করেছে। এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গত বছর ২৪টি দেশে ১৭২টি সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ২৮৫টি যুদ্ধজাহাজের প্রায় অর্ধেকই প্রায় প্রতিটি উপকূলে নিয়োজিত আছে। তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কয়েকটি জাহাজ পুরনো হয়ে যাওয়ায় তা প্রত্যাহার করা হবে, তবে তার পরিবর্তে নতুন কোন জাহাজ আনা হবে না। এতে জাহাজের সংখ্যা কমবে। বর্তমানে প্রশান্ত অঞ্চলে ৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন আছে। কিন্তু এ বছরের শেষের দিকে তার সংখ্যা কমতে পারে। শুক্রবার ভারতের টাইমস নাউ টেলিভিশনে প্রচারিত এক খবরে দাবি করা হয়, বঙ্গোপসাগরে যুক্তরাষ্ট্র সপ্তম নৌবহরের ঘাঁটি গাড়তে যাচ্ছে। বলাবলি আছে, এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে চীনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌ ঘাঁটি স্থাপন করতে যাচ্ছে। তবে এ উদ্যোগকে ভারত ভাল চোখে দেখছে না। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডে ভারত পিছনে পড়ে যেতে পারে। ওই খবরে বলা হয়, সপ্তম নৌবহর স্থাপনের বিষয়টি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সামপ্রতিক বাংলাদেশ সফরকালে আলোচনায় ঠাঁই পেয়েছিল। দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক করিমকে ‘টাইমস নাউ’-এর সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, নৌ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র চট্টগ্রামে একটি ঘাঁটি স্থাপন করতে বাংলাদেশকে প্রস্তাব দিয়েছে। আপনারা কি তাতে সম্মতি জানাবেন? উত্তরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের অনুরোধ করেছে বলে আমার জানা নেই।
ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া নুলান্ডকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মার্কিন সপ্তম নৌবহরের ভবিষ্যৎ ঠিকানা কোথায় হবে, তা নিয়ে হিলারি ক্লিনটন কি বাংলাদেশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছিলেন? সপ্তম নৌবহরের ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বর্তমান অবস্থান কি? এর উত্তরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-মুখপাত্র কোন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি না যে, বিষয়টি আলোচনায় এসেছিল। টাইমস নাউ এ পর্যায়ে উল্লেখ করে যে, হিলারি ক্লিনটনের সামপ্রতিক ঢাকা সফরকালে দুু’দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্ট্র্যাটেজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে প্রিসিলা হাফ বলছিলেন, হিলারি ক্লিনটন যখন বাংলাদেশে ছিলেন তখন তিনি যে সপ্তম নৌবহরের ভবিষ্যৎ ঘাঁটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নিশ্চিত করছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়, দক্ষিণ চীন সমুদ্র জুড়ে চীনের নৌঘাঁটিগুলোর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে ক্রমবর্ধমান হারে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে তা পেন্টাগনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে। এটা এমন একটি ইস্যু যা নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র খোলাখুলিভাবে আলাপ-আলোচনা করতে চায় না। কিন্তু ভারত সরকারের সূত্রগুলো থেকে আমরা জানতে পারি যে, আশির দশক থেকেই আমেরিকা সেন্ট মার্টিন এলাকায় একটি ঘাঁটি স্থাপনের চিন্তা করেছে। প্রাথমিকভাবে একটি নৌ ঘাঁটি এবং পরে সেই ঘাঁটি থেকে মূলত মিয়ানমারের ওপর নজরদারি করা হবে।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ