Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

মিয়ানমারে বৌদ্ধ-মুসলিম সম্প্রীতি কি ফিরে আসবে?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 173 বার

প্রকাশিত: June 20, 2012 | 5:56 PM

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক জাতিগত সহিংসতার ঘটনার পর বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যকার সম্পর্কে গভীর ফাটল দেখা দিয়েছে। দুই সম্প্রদায়ের লোকই বলছে, তাদের পক্ষে আর আগের মতো মিলেমিশে থাকা সম্ভব নয়। তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, উত্তেজনার মূল কারণ নিরূপণ করে সামাল দেওয়া গেলে পরিস্থিতির অগ্রগতি ঘটানো সম্ভব হতে পারে। একজন নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকেরা ৩ জুন একটি বাসে হামলা চালিয়ে ১০ জন মুসলমানকে হত্যা করে। এ ঘটনার জের ধরে রাখাইন রাজ্যে ভয়াবহ জাতিগত সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতার সময় শত শত বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়। হাজার হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়ে। অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়। ঘটনার জন্য বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গারা পরস্পরকে দায়ী করছে। আর দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে যে ভেদাভেদের সৃষ্টি হয়েছে—তা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বহু দূরে ঠেলে দিয়েছে। সহিংসতার সময় একটি মঠে আশ্রয় নেওয়া মিয়া উইন নামে এক নারী বলেন, ‘অতীতে আমরা মুসলমানদের সঙ্গে মিলেমিশে থেকেছি। আমরা পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করতাম। কাজেই যা ঘটেছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। তবে ভবিষ্যতে তাদের সঙ্গে এক জায়গায় বসবাস করা সম্ভব নয়।’ আর রাখাইন রাজ্যের মুসলিম অধ্যুষিত একটি গ্রামে আশ্রয় নেওয়া এক মুসলমান জানান, ‘আমি আর নিজ গ্রামে ফিরছি না। বৌদ্ধদের সঙ্গে থাকা সম্ভবও নয়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ৫০ বছর ধরে বৌদ্ধদের সঙ্গে থেকেছি। তবে সহিংসতা শুরুর পর থেকে বৌদ্ধরা আমাদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে। এমনকি তারা আমাদের চেহারাও দেখতে চায় না।’ ফ্রেঞ্চ স্কুল অব দ্য ফার ইস্টের থাইল্যান্ডভিত্তিক ঐতিহাসিক জ্যাকস লেইডার বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে বহু বছর ধরেই বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন উত্তেজনা চলে আসছে। কাজেই দুই সম্প্রদায়ের মানুষ যদি সহাবস্থান করতে চায়, তার পূর্বশর্ত হচ্ছে কিছু বিষয়ে তাদের সমঝোতায় পৌঁছানো।’ থাইল্যান্ডভিত্তিক বহু ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক অং থু নিয়াইন বলেন, ‘অতীতে বৌদ্ধ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের সম্প্রীতির জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই সহিংসতার ক্ষত সারতে অনেক সময় লেগে যাবে।’ এএফপি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ