Sunday, 26 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

রেলস্টেশনের বাতির আলোয় পড়াশোনা!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 123 বার

প্রকাশিত: June 23, 2012 | 5:37 PM

রেলস্টেশনের বাতির আলোয় চলছে পড়ালেখা

ঘরে বিদ্যুৎ নেই। কিন্তু চাকরির পরীক্ষায় ভালো করতেই হবে। তা না হলে তো না খেয়ে থাকতে হবে। এ জন্য রেলস্টেশনের বাতির আলোয় চলছে তাঁদের পড়াশোনা। ভারতের বিহার রাজ্যের রোহতাস জেলার সাসারাম রেলস্টেশনে রোজ রাতে দেখা যায় এই দৃশ্য। যাঁদের কথা বলা হচ্ছে তাঁরা একদল তরুণ চাকরিপ্রার্থী। ঘরে অভাব-অনটনের সঙ্গে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটও রোজকার সঙ্গী। এই প্রতিকূলতা জয় করে নিজের ভাগ্য গড়তেই রেলস্টেশনে এসে বাতির নিচে বসে পড়াশোনা চলছে তাঁদের। নিয়মিত এই অধ্যবসায় সাফল্যও এনে দিচ্ছে। এখানকার পড়ুয়াদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন ইতিমধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছেন। এমন একজন সফল তরুণ সরোজ কুমার (২৩)। গত দুই বছর তিনি নিয়মিত এসেছেন এই স্টেশনে। সবার সঙ্গে বসে পড়াশোনা করে চাকরির জন্য দেওয়া পরীক্ষায় উতরে গেছেন। একসঙ্গে দুটি চাকরি পেয়েছেন তিনি। একটি রেলের কর্মকর্তা পদে, অন্যটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে। তাঁর পছন্দ রেলের চাকরি। বিহারের এক ট্রাকচালকের ছেলে সরোজ এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন সাসারাম রেলস্টেশনকে। সরোজ জানান, তাঁর ভাই সন্তোষ কুমারও নিয়মিত স্টেশনে এসে সবার সঙ্গে পড়াশোনা করতেন। গত বছর তিনিও রেলে চাকরি পেয়েছেন। শুধু সরোজ নন, প্রতিদিন তাঁর মতো শত শত চাকরিপ্রার্থী যুবক জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতে জড়ো হন এই স্টেশনে। ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্টেশনের এই পড়ুয়াদের দলে রোজ ভিড়ে যেতেন করণ কুমার। এর সুফলও পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি রেলে চাকরি হয়েছে তাঁর।  তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে পড়েছি আর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এটা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে সহায়তা করেছে।’ তিনি জানান, চাকরি পাওয়ার পরও  প্রতিদিন  তিনি এই স্টেশনে আসেন। রাহুল কুমার নামের একজন বলেন, ‘আমরা সবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রশ্নপত্র ফটোকপি করি। তারপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। এখানে পড়ে যাঁরা সাফল্য পেয়েছেন, এমন অনেকেই মাঝেমধ্যে এখানে আসেন, নানা পরামর্শ দেন।’ নিরঞ্জন কুমার শ্রীবাস্ত নামের আরেকজন জানান, আমাদের কাছে এখানে আসা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। শহরে, সারা দেশে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। এখানে এলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। সবাই মিলে একসঙ্গে পড়াশোনা করা যায়।’ ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো বিহারেও বিদ্যুৎ-সংকট তীব্র। পাটনাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ নওয়াল কিশোরী চৌধুরী বলেন, ‘রাজ্যটি চলছেই জেনারেটরের ওপর।’ বিবিসি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV