Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

রেলস্টেশনের বাতির আলোয় পড়াশোনা!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 11 বার

প্রকাশিত: June 23, 2012 | 5:37 PM

রেলস্টেশনের বাতির আলোয় চলছে পড়ালেখা

ঘরে বিদ্যুৎ নেই। কিন্তু চাকরির পরীক্ষায় ভালো করতেই হবে। তা না হলে তো না খেয়ে থাকতে হবে। এ জন্য রেলস্টেশনের বাতির আলোয় চলছে তাঁদের পড়াশোনা। ভারতের বিহার রাজ্যের রোহতাস জেলার সাসারাম রেলস্টেশনে রোজ রাতে দেখা যায় এই দৃশ্য। যাঁদের কথা বলা হচ্ছে তাঁরা একদল তরুণ চাকরিপ্রার্থী। ঘরে অভাব-অনটনের সঙ্গে বিদ্যুৎ-বিভ্রাটও রোজকার সঙ্গী। এই প্রতিকূলতা জয় করে নিজের ভাগ্য গড়তেই রেলস্টেশনে এসে বাতির নিচে বসে পড়াশোনা চলছে তাঁদের। নিয়মিত এই অধ্যবসায় সাফল্যও এনে দিচ্ছে। এখানকার পড়ুয়াদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন ইতিমধ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছেন। এমন একজন সফল তরুণ সরোজ কুমার (২৩)। গত দুই বছর তিনি নিয়মিত এসেছেন এই স্টেশনে। সবার সঙ্গে বসে পড়াশোনা করে চাকরির জন্য দেওয়া পরীক্ষায় উতরে গেছেন। একসঙ্গে দুটি চাকরি পেয়েছেন তিনি। একটি রেলের কর্মকর্তা পদে, অন্যটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে। তাঁর পছন্দ রেলের চাকরি। বিহারের এক ট্রাকচালকের ছেলে সরোজ এই সাফল্যের কৃতিত্ব দিলেন সাসারাম রেলস্টেশনকে। সরোজ জানান, তাঁর ভাই সন্তোষ কুমারও নিয়মিত স্টেশনে এসে সবার সঙ্গে পড়াশোনা করতেন। গত বছর তিনিও রেলে চাকরি পেয়েছেন। শুধু সরোজ নন, প্রতিদিন তাঁর মতো শত শত চাকরিপ্রার্থী যুবক জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতে জড়ো হন এই স্টেশনে। ৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্টেশনের এই পড়ুয়াদের দলে রোজ ভিড়ে যেতেন করণ কুমার। এর সুফলও পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি রেলে চাকরি হয়েছে তাঁর।  তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে পড়েছি আর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। এটা পরীক্ষায় ভালো ফল করতে সহায়তা করেছে।’ তিনি জানান, চাকরি পাওয়ার পরও  প্রতিদিন  তিনি এই স্টেশনে আসেন। রাহুল কুমার নামের একজন বলেন, ‘আমরা সবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রশ্নপত্র ফটোকপি করি। তারপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি। এখানে পড়ে যাঁরা সাফল্য পেয়েছেন, এমন অনেকেই মাঝেমধ্যে এখানে আসেন, নানা পরামর্শ দেন।’ নিরঞ্জন কুমার শ্রীবাস্ত নামের আরেকজন জানান, আমাদের কাছে এখানে আসা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। শহরে, সারা দেশে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে। এখানে এলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। সবাই মিলে একসঙ্গে পড়াশোনা করা যায়।’ ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো বিহারেও বিদ্যুৎ-সংকট তীব্র। পাটনাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ নওয়াল কিশোরী চৌধুরী বলেন, ‘রাজ্যটি চলছেই জেনারেটরের ওপর।’ বিবিসি।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ