Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

নিউইয়র্কে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী : ইসলামের নাম নিয়ে যারা মানবতার বিরুদ্ধে এবং সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করে তারা ইসলামেরও শত্রু

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 67 বার

প্রকাশিত: June 28, 2012 | 1:13 AM

মাহফুজুর রহমান, নিউইয়র্ক : প্রবাসে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় যে কোন প্রয়াসের বিরুদ্ধে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের প্রদর্শিত সমন্বয় প্রক্রিয়াকে অনুসরণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ সকল শক্তিকে নিয়ে প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রত্যয় ঘোষিত হল নিউইয়র্কে শহীদ জননী জাহানারা ইমামর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে। গতকাল সন্ধ্যায় নগরীর উডসাইডে কমিটির কার্যালয়ে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার আয়োজিত এই স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও

সাপ্তাহিক বর্ণমালা‘র সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জাহানারা ইমামের সূচিত আন্দোলন ‘একাত্তরের ঘাতক-দালাল’দের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাংলাদেশের সরকারেকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি যে তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ম্যান্ডেট দিয়ে এই সরকার গঠনে ভূমিকা রেখেছেন তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। প্রেস ক্লাব সভাপতি নির্মূল কমিটির কার্যক্রম পরিচালনায় পরিক্ষীত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে যুদ্ধপরাধীদের রক্ষায় আমেরিকার মাটিতে পরিচালিত সকল তৎপরতার রুখে দেবার আহ্বান জানান।

সফি চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা শুরুর আগে শাহরিয়ার করির নির্মিত বাংরাদেশের মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘ অ্যা ফ্রেন্ড অব ডিফিকাল্ট টাইম‘ প্রদর্শিত হয়। আলোচনার সভার শুরুতে কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী কমিটির সদস্য আল আমিন বাবু বলেন, কি বিচিত্র আমাদের দেশ? যুদ্ধাপরাধীর বিচার চেয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী মুক্তিযোদ্ধার মা‘কে রাষ্ট্রদ্রোতিার মামলায় অভিযুক্ত হতে হয়। অথচ আম্মার (জাহানারা ইমাম) আন্দোলেনর মূল লক্ষ্য ছিল যুদ্ধূপরাধি তথা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচার ও ধর্ম নিরপেক্ষ মানবিক সমাজ নির্মান । গত ২০ টি বছর ধরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সেই আন্দোলনটা চালিয়ে যাচ্ছে । এতে মুল্য ও আমাদের কম দিতে হয়নি। আমাদের অনেক জীবন গেছে ,অনেকই পঙ্গুত্ব¡ বরণ করেছেন ,জেল জরিমানাসহ আরো কত অত্যাচার সইতে হয়েছে। কিন্তু সেই আন্দোলন থামানো যায়নি । কারণ সেসব দেশের মানুষের দাবি । শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের সর্বত্র ধর্মনিরপেক্ষ,গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজ নির্মানের জন্য আমরা আন্দোলন করছি ।

জ্যাকসন হাইটস মোহাম্মদী সেন্টারের ইমাম আব্দুল কাইয়্যুম, যুদ্ধাপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ঠ দল জাতাতে ইসলামীকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবী জানিয়ে বলেন, আজকের বিশ্বে ইসলামকে হেয় করতে জামাতে ইসলামী তৎপর। আমেরিকায় নাইন ইলেভেন হামলার মাস্টার মাইন্ড খালিদ শেখ মোহাম্মদকে করাচির এক জামাতের নেতার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে এনেছে আমেরিকা। বাংলাদেশে ইসলামকে অপব্যবহার করে জামাতিরা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্ঠা করছে, কিন্তু যত না মানবতার খাতিরে তার চেয়ে বেশী ইসলামরে স্বার্থেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হওয়া উচিৎ। ইসলাম শান্তির ধর্ম-মানবতার ধর্ম ও শ্রেষ্ঠ ধর্ম-কিন্তু ইসলামের নাম নিয়ে যারা মানবতার বিরুদ্ধে এবং সন্ত্রাসের পক্ষে কাজ করে তারা ইসলামেরও শত্রু।

বঙ্গবন্ধু সাংষ্কৃতিক গোষ্ঠী উত্তর আমেরিকার সভাপতি লুতফুন নাহার লতা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সূচিত আন্দারনকে সফল করার পথে দেশের প্রতিটি নারীকে জাহানারার ইমামের আদর্শ ধারন করে একক জন জাহানারা ইমামে রূপান্তরিত হবার আহ্বান জানান। কলামিস্ট বেলাল বেগ সরকারের প্রতি যুদ্ধপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারীদের ঋণ পরিশোধ করে জাতিকে দায়মুক্ত করার আহ্বান সরকারের প্রতি। একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ ড. মনসুর খান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি রতন বড়–য়া স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে যুদ্ধপরাধীদের বিচার করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সাকা চৌধুরী ও বাবা সেদিনের ফকা চৌধুরীরা যেভাবে মানুষ হত্যা করেছে তার বিচার না হলে জাতি কলঙ্কমুক্ত হতে পারবে না। কবি নাসরিন চৌধুরী জাহানারা ইমামের ডাকে সূচিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এটা আজ জনগনের দাবীতে পরিণত হয়েছে।

লাকী সেরনিয়াবাত বলেন, সভ্যতার কলঙ্ক ৭১‘র যুদ্ধাপরাধ। এই যুদ্ধাপরাধীদৈর বিচারের মধ্যে দিয়ে পাশবিক শক্তির উপর মানবিক শক্তির বিজয় রচিত হবে। নির্মূল কমিটি নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সহ সভাপতি ড. বাতেন যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় আমেরিকায় মীর কাসেম আলীদের তৎপরতা সম্পর্কে সচেতন থেকে এসব মোকারেলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার তাগিদ দেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সীফ চৌধুরী নির্মূল কমিটির কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করতে এবং শহীদ জননীন জীবনের ব্রত ঘাতক-দালালদের বিচার বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি সকলের সহযোগতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV