Sunday, 26 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

ফাইনালে ইতালি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 148 বার

প্রকাশিত: June 28, 2012 | 6:28 PM

এই জার্মানিই বাছাই পর্বের ১০ ম্যাচের সবগুলো ম্যাচ জিতে এসেছে। এই জার্মানিই চূড়ান্ত পর্বের মৃত্যুকূপ গ্রুপ অব ডেথে পড়েও জিতেছে সবগুলো ম্যাচ। বিশ্ব রেকর্ড টানা ১৫টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচজয়ী সেই জার্মানিকে বিদায় করে দিল ইতালি। জয়টা ২-১ গোলের। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে এক গোল শোধ করে আশা ফিরিয়ে এনেছিলেন মেসুত ওজিল। কিন্তু মারিও বালোতেল্লির জোড়া গোলই শেষ পর্যন্ত ফাইনালে তুলে দিল ইতালিকে। জার্মানি পারবে কী করে? তাদের প্রতিপক্ষ যে ইতিহাস! ইউরো কিংবা বিশ্বকাপে ইতালিকে কোনো দিনই হারাতে পারেনি জার্মানি। প্রীতি ম্যাচ হিসেবে নিলেও সর্বশেষ জয়টি ১৭ বছর আগের! ইতালির বিপক্ষে একটি জয়ের জন্য জার্মানদের অপেক্ষা আরও বাড়িয়ে দিলেন বালোতেল্লি, ইতালির ‘ব্যাড বয়’। প্রথমটি ২০ মিনিটে। সেটি আরেক ‘ব্যাড বয়’ আন্তোনিও কাসানোর চিপ থেকে করা জোরালো হেডে। ১৫ মিনিট পরেই জার্মানদের ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকে দিয়ে করেন দ্বিতীয় গোল। ‘আধেক জার্মান’ রিকার্ডো মন্তোলিভোর লং বল খুঁজে নিয়েছিল ওত পেতে থাকা বালোতেল্লিকে। দারুণভাবে বল রিসিভ করে বক্সের সামান্য বাইরে থেকে আগুন ঝরানো শটে লক্ষ্য ভেদ করেন ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার।  রোববারের ফাইনালে ইতালির প্রতিপক্ষ স্পেন। ওয়েবসাইট।

ফাইনালে সেই ‘টিকি-টাকা’

উচ্ছ্বাসের লাল ঢেউ! সেস ফ্যাব্রিগাসের বল জালে জড়াতেই সেন্টার সার্কেলে দাঁড়িয়ে থাকা স্প্যানিশ খ�

উচ্ছ্বাসের লাল ঢেউ! সেস ফ্যাব্রিগাসের বল জালে জড়াতেই সেন্টার সার্কেলে দাঁড়িয়ে থাকা স্প্যানিশ খেলোয়াড়েরা ফেটে পড়লেন ফাইনালে ওঠার আনন্দে। ফ্যাব্রিগাস ছুটলেন ক্যাসিয়াসের কোলে

রয়টার্স ও এএফপি

  • এবার টাইব্রেকারে দুঃসাহসিক চিপ রামোসেরএবার টাইব্রেকারে দুঃসাহসিক চিপ রামোসের -এএফপি

বুক ভরে দুবার শ্বাস নিলেন। যেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের সঙ্গে বের করে দিতে চান মনে জমাটবাধা সব উদ্বেগ। বিড়বিড় করে কী যেন বললেনও। জানার উপায় নেই। তবে সংলাপটি অনুমান করে নেওয়াই যায়: ‘পারতে হবে, আমাকে পারতেই হবে।’ শট নিলেন বাঁয়ে। বল লাগল পোস্টে! না, প্রতিহত হলো না, পোস্টে লেগেই বল ঢুকল জালে! ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে এসে সেস ফ্যাব্রিগাস চড়ে বসলেন গোলপোস্টের পাশে দাঁড়ানো ইকার ক্যাসিয়াসের কোলে। একটা শট ঠেকিয়ে ক্যাসিয়াস আর পঞ্চম শটটা জালে পাঠিয়ে ফ্যাব্রিগাস—টাইব্রেকারের লটারিতে এভাবেই নায়ক হয়ে গেলেন দুজন। গোলশূন্য ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-২-এ জিতে শিরোপা ধরে রাখার চূড়ান্ত মঞ্চে উঠে গেল স্পেন। পঞ্চম শটটি নেওয়ার অপেক্ষায় থাকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো শট নেওয়ার সুযোগই পেলেন না আর। যে ইউরোটা তাঁর হতে পারত, তাতে শেষ পর্যন্ত রোনালদো ট্র্যাজিক হিরো। গোলশূন্য ম্যাচ হলে যা হয়, সব নাটক জমে থাকে পেনাল্টি শ্যুট-আউটের জন্যই। পরশুর সেমিফাইনালে তা-ই হলো। প্রথম ৯০ মিনিট আর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে হলো স্নায়ুচাপে ভোগা দুই দলের সুযোগ হাতছাড়ার মহড়া। প্রথমার্ধে গোলে শট মাত্র একটি, পুরো ৯০ মিনিটে সব মিলিয়ে দুটি। দুটিই স্পেনের। স্নায়ুচাপের ফলাফল শুধু সুযোগ হাতছাড়া করাই নয়, দুই দল মিলিয়ে মোট নয়টি হলুদ কার্ড পাওয়াও। প্রথম সুযোগটি হাতছাড়া করেছেন আলভারো আরবেলোয়া, নবম মিনিটে বারের ওপর দিয়ে মেরে। এক মিনিট পরেই আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাও বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে বল মেরেছেন বাইরে। দুটি সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলেও স্পেনের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। কিন্তু এর পরই দৃশ্যপটে রোনালদো। ১৩ মিনিটে গতিতে জেরার্ড পিকেকে পরাস্ত করে বাঁ প্রান্ত থেকে দারুণ ক্রস করেছিলেন নানির উদ্দেশে। কিন্তু নানির ঠিকানায় পৌঁছানোর আগেই বল কেড়ে নেন ক্যাসিয়াস। এর পরই মাঝমাঠে স্পেনের নিয়ন্ত্রণ খর্ব করেছে পর্তুগাল। স্পেনের ‘টিকি-টাকা’কে রীতিমত চেপেই ধরে তখন পর্তুগালের ‘প্রেসিং ফুটবল’। ৩১ মিনিটে ডান পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেছে রোনালদোর শট। স্প্যানিশ রক্ষণে মাঝেমধ্যেই ত্রাস ছড়িয়েছেন পর্তুগাল অধিনায়ক। যদিও আগের দুই ম্যাচের সেই রোনালদো অনুপস্থিত ছিল এদিন। ফ্রি-কিকগুলোও কাজে লাগাতে পারেননি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে পাল্টা-আক্রমণ থেকে রাউল মেইরেলেসের থ্রু পাসে রোনালদো পেয়ে গিয়েছিলেন এক-এক পরিস্থিতিতে। সামনে শুধু ক্যাসিয়াস। কিন্তু বাঁ পায়ে রোনালদো যে শট নিলেন, পর্তুগাল সমর্থকদের মাথায় উঠে গেল হাত। স্পেনের টিকি টাকার লাল ফুটে ওঠে আসলে অতিরিক্ত সময়েই। সেস ফ্যাব্রিগাস আর পেদ্রোর উপস্থিতি আক্রমণের ধার বাড়ায় তাদের। ১০৪ মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে ভালো সুযোগটা পেয়েছিলেন ইনিয়েস্তা। জর্ডি আলবার ক্রস খুঁজে নিয়েছিল তাঁকে। মাত্র ৬ গজ দূর থেকে নেওয়া ইনিয়েস্তার শট ঠেকিয়ে দেন রুই প্যাত্রিসিও। টাইব্রেকারের শুরুতেই নায়ক হলেন পর্তুগালের গোলরক্ষক। জাবি আলোনসো শট নিতে যাচ্ছেন দেখে প্যাত্রিসিওকে ডেকে কী যেন পরামর্শ দেন রোনালদো। রিয়ালে একসঙ্গে খেলার সুবাদে হয়তো জানতে পেরেছিলেন, কোন দিকে আলোনসোর শট নেওয়ার প্রবণতা বেশি। রোনালদোর টোটকা দারুণ কাজেও লাগে। বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে শট ঠেকিয়ে দেন প্যাত্রিসিও। কিন্তু হোয়াও মুটিনহোর শটও ঠেকিয়ে দেন ক্যাসিয়াস। স্পেনের হয়ে ইনিয়েস্তা আর পিকে, পর্তুগালের হয়ে পেপে আর নানি ২-২ বানান। ব্রুনো আলভেসকে ফেরত পাঠিয়ে শটটি নিয়েছিলেন নানি। আলভেসকে নার্ভাসও দেখাচ্ছিল খুব। সার্জিও রামোসের ‘পানেনকা’ ৩-২ বানিয়ে দেয়। আরও বেশি নার্ভাস আলভেস শট লাগান ক্রসবারে। স্পেনের শেষ শটটি নিতে আসেন ফ্যাব্রিগাস। গোলে বল পাঠাতে পারলেই ৪-২। রোনালদো শেষ শটটি নিয়েও ব্যবধান হবে ৪-৩। অর্থাৎ ফ্যাব্রিগাসের গোলই স্পেনকে পাঠিয়ে দেবে ফাইনালে। পাহাড়বোঝা চাপ জয় করে, ভাগ্যের পরশ নিয়ে বল জালে জড়ান ফ্যাব্রিগাস। এএফপি, রয়টার্স। টানা দ্বিতীয় ফাইনালে ওঠার উৎসব করছে যখন স্পেন, রোনালদো তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে। নালিশ জানাচ্ছেন ঈশ্বরের কাছে! প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV