Tuesday, 9 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

চোখের অন্তরালে আরেকটি বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে – নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম সমিতির সমাবেশে ড. আতিউর

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 37 বার

প্রকাশিত: July 3, 2012 | 12:29 PM

এনা, নিউইয়র্ক : বীর চট্টলার ইতিহাস-ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার সংকল্প ব্যক্ত করার মাধ্যমে ৩০ জুন  নিউইয়র্কে চট্টগ্রাম সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়। ব্র“কলীনে বাংলাদেশী অধ্যুষিত চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে পিএস ১৭৯ এর মিলনায়তনে জমজমাট এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন যথাক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে এ মোমেন। অনুষ্ঠানে ‘চট্টগামের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পরিবেশ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন ছিল নতুন কমিটির বিশেষ একটি উদ্যোগের অংশ। এটি সুধীজনের দৃষ্টি কেড়েছে এবং এতে প্রধান বক্তা ছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সহকারী প্রধান সম্পাদক সঞ্জীব চৌধুরী।

আলী আকবর কর্তৃক পবিত্র কোরআন, সজল নাথ কর্তৃক পবিত্র গীতা এবং সমীরন বড়–য়া কর্তৃক পবিত্র ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে শুরু মূল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কাজী আজম। বক্তৃতাপর্ব

 শুরুর আগে বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। এরপর অভিষেক উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা ‘কর্ণফুলি’র মোড়ক উম্মোচন করেন প্রধান অতিথি। মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিবৃন্দকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানায় ছোট্টমনিরা। মঞ্চে আরো উপবেশন করেন বিশেষ অতিথি দক্ষিণ চট্টগ্রাম জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোসলেমউদ্দিন, হ্যামট্রমিক সিটি কাউন্সিলম্যান কামরুল হাসান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সৈয়দ এম রেজা, অভিষেক উদযাপন পরিষদের কনভেনর মাকসুদুল হক চৌধুরী, জয়েন্ট কনভেনর ও নতুন কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট তারিকুল হায়দার চৌধুরী। এ পর্বের পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মেহবুবুর রহমান বাদল।

ড. আতিউর বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের উৎসভূমি হচ্ছে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের মানুষ হচ্ছেন উদ্যমী। এই অঞ্চলের সংগ্রামী মানুষেরা বিদেশে এসে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত অর্থের বড় একটি অংশ এলাকায় পাঠাচ্ছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আপনাদের সহায়তার প্রত্যাশা করে এবং আপনারা তা নিরন্তরভাবে করে চলেছেন। এজন্যে সরকার এবং বাংলাদেশের আপামর জনতা আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। ড. আতিউর বলেন, বাংলাদেশকে আরেকধাপ এগিয়ে যেতে আপনাদের সহায়তা চাই। বাংলাদেশ সম্পর্কে নানা রটনা রয়েছে। কিন্তু এটি নির্দ্বিধায় বলতে চাই যে, ‘চোখের অন্তরালে আরেকটি বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে-যা গোটাবিশ্বে মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। গভর্ণর বলেন, গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ র‌্যামিটেন্স এ বছর বাংলাদেশে যাচ্ছে। যার পরিমাণ ১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, এ কৃতিত্ব প্রবাসীতের।

ড. আতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে সংশয়বাদিরা এমন কিছু প্রচারণা চালায় যার মাধ্যমে অনেকে হতাশ হতে পারেন অথবা ভয় পেতে পারেন, অথচ তা একেবারেই সত্য নয়। জেনে খুশী হবেন যে, এক ছটাক চালও এ বছর বাংলাদেশকে আমদানী করতে হবে না। অধিকন্তু রপ্তানীর সম্ভাবনাই বেশী। বাংলাদেশের কৃষক সমাজ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা দিয়েছেন। ড. আতিউর বলেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের ৭৮% হচ্ছেন কৃষকের সন্তান। এক জরিপে আমি তা জানতে পারি। ড. আতিউর বলেন, এই কৃষকের কণ্যারাই ২৬ বিলিয়ন ডলারের তৈরী পোষাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানীতে বিশাল অবদান রেখে চলেছেন। এজন্যে বর্তমান সরকার কৃষকের কল্যাণে বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অন্যদম হচ্ছে বর্গাচাশীকে ঋণ প্রদান। ৫ লাখ বর্গাচাষী এবার ঋণ পেয়েছেন-বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা। এছাড়া ১৩৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে কৃষককে। তাই বাংলাদেশ সম্পর্কে নিরাশ হবেন না। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতে রুপীর মান উঠানামা করলেও বাংলাদেশের টাকার মান স্থিতাবস্থায় রয়েছে। তবে দেশে টাকা পাঠানোর সময় কখনোই হুন্ডির আশ্রয় নেবেন না।

চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে ড. আতিউর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম শহরকে ছবির মত গড়ে তুলতে পারি যদি আপনারা সহায়তা দেন। আপনারাও সেখানে বিনিয়োগ করতে পারেন স্বপ্নের চট্টলা গড়তে। ইতিমধ্যেই আমরা উদ্যোক্তাদের এক বিলিয়ন ডলারের ঋণ দিয়েছি। ঋণের আবদেন পত্র অনলাইনেও প্রসেস করা যায়। আমি গ্যারান্টি দিতে চাই যে, ফাইলটি আমার টেবিলে যাবার দুদিনের মধ্যেই তার অনুমোদন পাবেন। যদি অন্যথা হয় তাহলে সরাসরি হটলাইনে ফোন করতে পারেন। নম্বর হচ্ছে ১৬২৩৬।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর বলেন, এই বাংলাদেশ অর্জনের জন্য বঙ্গবন্ধু জেলখানাকে তার বাড়ি বানিয়েছিলেন। সেটি গড়তে পারলেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথার্থ সম্মান জানাতে সক্ষম হবো আমরা। সামগ্রিক পরিস্থিতি উপস্থাপনের পর ড. আতিউর বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩০টি বৃহৎ অর্থনীতির একটি দেশে পরিণত হবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যেই উন্নত রাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত হবে আপনাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ।

 

 
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV