২০১১-১২ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ২৮৫ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন

সদ্য সমাপ্ত ২০১১-১২ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় এক হাজার ২৮৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। এতে প্রবাসী-আয়ে শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সর্বশেষ মুদ্রানীতিতে (ডিসেম্বর-জুন) রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কে সীমিত থাকার আশঙ্কা করেছিল। তবে সর্বশেষ সাময়িক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, তার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন (রেমিট্যান্স) এক হাজার ১৬৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। গত বছর প্রবাসী-আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিরা ব্যাংকব্যবস্থার মাধ্যমে এক হাজার ২৮৪ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। আগের বছর পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ১৬৫ কোটি তিন লাখ ১০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।
সর্বশেষ অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী-আয় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ ১২২ কোটি ১৪ লাখ ১০ হাজার ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী-আয় পাওয়া গেছে। আর সেপ্টেম্বর মাসে সর্বনিম্ন ৮৫ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ডলারের প্রবাসী-আয় এসেছে।
প্রবাসী-আয়ের উচ্চ প্রবাহ দেশের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্তাবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করছে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে। তবে ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রবাসী-আয়ে প্রবৃদ্ধির হার কমে যায়। অন্যদিকে সে সময় রপ্তানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হলেও তার চেয়ে বেশি হারে আমদানি প্রবৃদ্ধি হয়। ফলে অর্থবছরের পুরো সময় ধরে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত নয়, বরং কিছুটা ঘাটতির আশঙ্কা ছিল। অবশ্য শেষ পর্যন্ত চলতি হিসাবে বেশ খানিকটা উদ্বৃত্ত থাকে।
২০১১-১২ অর্থবছরের পুরো ১২ মাসের লেনদেনের ভারসাম্যের পরিসংখ্যান এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ১০ মাসের মানে জুলাই-এপ্রিল সময়কালের যে পরিসংখ্যান তাতে দেখা যায়, এই সময়কালে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
গত এক দশকের প্রবাসী-আয়ের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা যায় যে গড়ে প্রতি চার বছরে প্রবাসী-আয় দ্বিগুণ হয়ে যায়। যেমন, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে দেশে মোট প্রবাসী-আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৮০ কোটি ডলার। এটি ২০০৮-০৯ অর্থবছরে এসে দ্বিগুণ হয়েছে।
তবে উচ্চ হারে প্রবাসী-আয়ের প্রবাহ দেশের অর্থনীতিতে কিছু ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি করে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার একাধিক প্রতিবেদনে এর আগে উল্লেখ করেছে। প্রবাসী-আয় দেশের অর্থনীতির প্রাণসঞ্চারী হলেও উৎপাদনশীল খাতে এর সীমিত ব্যবহার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।প্রথম আলো
- ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা
- চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান
- New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার
- ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections
- Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity