Friday, 23 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

‘বেটার ফ্যামেলী বেটার সোসাইটি’ শ্লোগান নিয়ে নিউইয়র্কে মুনা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 189 বার

প্রকাশিত: July 9, 2012 | 6:44 PM

 

নিউইয়র্কে মুনা সম্মেলন :YouTube – http://youtu.be/qUi4x_Ffy24

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘বেটার ফ্যামেলী বেটার সোসাইটি’ শ্লোগান নিয়ে গত ৮ জুলাই রোববার মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) ‘মুনা কনভেনশন ১২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার ডেলিগেট নিয়ে দিনব্যাপী সম্মেলনটি নিউ ইয়র্কের স্টেটেন আইল্যান্ডে কলেজ শেষ হয়েছে। কনভেশন বক্তব্য দেন  ইমাম সিরাজ ওহহাজ, ড. জাহিদ বোখারী, মুলধারার রাজনীতিবিদ জন ল্যু, প্রফেসর মফিজুর রহমান, ড. সায়েদ চৌধুরী, ইমাম মোঃ মাগিদ, শেখ ওমর সুলাইমান, ড. যাহিদ, ড. আহমেদ আল বেন্ডারী, ড. সুলাইমান এস নাঈগ, সাফা জারজুর, ড. মোহাম্মেদ রিদা বাসির, আলতাফ হোসাইন,  মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন।   কনভেশনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন মুসলিম উম্মা নর্থ আমেরিকার সভাপতি ডাঃ সাইদুর রহমান। এর আগে মুনা কনভেনশন কমিটির চেয়ারম্যান আবু আহমেদ নুরুজ্জামান সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বক্তারা বলেন, পরিবারে সুখের জন্য প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ভালবাসা, ক্ষমা ও সম্মানজনক আচরণ। এ মহৎ গুনগুলো পরিবারের সকলের মেনে চলা উচিত। যে সব পরিবারে অশান্তি বিরাজ করছে, বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে এ সমস্ত পরিবারে এ সমস্ত বিধি নিষেধ মানেননা। বক্তারা বলেন, আমেরিকায় মুসলিম পরিবারগুলোতে ভুল বুঝাবুঝি, অশান্তি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য ব্যক্তি বিশেষ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।  বক্তারা বলেন, মানুষের জীবনের সৎ গুণাবলী মূলত সমাজ বা পরিবার থেকে গ্রহণ করা হয়। পরিবার সুন্দর সার্থক না হলে সমাজ কার্যকারিতা হারায়। সমাজ যদি আদর্শ না হয়, তাহলে রাষ্ট্রও ব্যর্থতার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। সুন্দর সমাজের জন্য প্রয়োজন। সুন্দর সমাজের জন্য প্রয়োজন সুন্দর পরিবার ও সুন্দর নাগরিকের। আগামী দিনের নেতৃত্বও জন্য উদ্যোগী হতে হবে আমাদের এবং সন্তানদের সুশিক্ষিত করে প্রস্তুত করতে হবে। বক্তারা আরো বলেন, আমাদের পরিবারগুলোকে ভালবাসা দিয়ে গড়তে হবে। তারা আরো বলেন, আমেরিকান মুসলমানরা আগামীতে ঘোষণা করবে বিশ্বে আমরাই মানবাধিকার রক্ষা করবো। আমেরিকা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ। বক্তারা বলেন, আসুন এমন একটি পরিবার গড়ি যে পরিবারের মাধ্যমে একটি ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করতে পারি। পরিবার ও আখেরাতের জবাবদিহীতা সম্পর্কে আসাদুজ্জামান খান বলেন, পরকালে পরিবারের প্রধানকে তার অধিনস্তদের ব্যাপারে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। আখেরাতের জীবন  বড়ই কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুগে যুগে নবী রাসূলের পরিবাবের মধ্যে অমুসলিম ছিল। তারা ইসলামের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। তারা পরকালে মুক্তি পাবে না। সন্তানদের সঠিকভাবে গঠন করতে না পারলে পরকালে তারাও পিতা মাতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।  সন্তান গঠনে উপযুক্ত শিক্ষা প্রদান বিষয়ে আল ইহসান একাডেমীর প্রেন্সিপাল ইমাম শেখ রফিক মোহাম্মদ বলেন, আল্লাহ বলেছেন তুমি আমার কাছে দোয়া চাও। হে আল্লাহ তুমি আমার জ্ঞানকে বৃদ্ধি করে দাও। রাসুল (সা:) বিদ্যার্জন এর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, সত্যিকার ইলম মানবতার মুক্তি দিতে পারে। দশ বছর বয়সে সন্তানদের নামাজ এর গুরুত্ব সর্ম্পকে হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, সন্তান ডাক্তার ,ইঞ্জিনিয়ার, দার্শনিক হলেও চারিত্রিকভাবে ভালো হওয়া দরকার। সন্তানকে নৈতিকতা সম্পন্ন তৈরী মানি হলে তার প্রতি ইনভেস্ট করা। নৈতিকতা সম্পন্ন করার জন্য ইসলামী জ্ঞানের বিকল্প নেই।  ছোট থেকে সন্তানদের ইসলামী শিক্ষা দিতে হবে। যাতে বড় সে জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে। উত্তম পরিবেশে রেখে ইসলামী জ্ঞান দিতে হবে। যাহিদ বিন জমির এর সঞ্চালনায়  আমেরিকার মুসলিমদের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ড. আলতাফ হোসেন বলেন, ইসলামী সামনে বিজয়ী হবে, এজন্য ইসলামের বেশ অগ্রগতি হয়েছে। ইসলামের অগ্রযাত্রাকে বিভিন্নভাবে ব্যহত করা হয়েছে।   ইসলামিক সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট সাফা জারজুর বলেন, মানুষের কাছে ইসলামকে পৌছানোর আগে নিজেদের মধ্যে ভ্রান্তি দূর করতে হবে। ১৪ বছর পূর্বের ধর্ম বর্তমানে  উপযোগী কিনা। নারীদেও সাথে আমাদেও আচরণ নিয়েও প্রশ্ন। মুসলমান হিসেবে আমাদের পরিচয় সংকটে ভোগার কারণ নেই। ভ্রান্ত ধারণা ও ভুল অন্য ধমর্   ইসলামীক সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকার ইমাম মাজেদ বলেন, দেয়াল ভাঙ্গা ফেলা আমাদের কাজ নই। বরং আমাদের দ্বারগুলো উনমুক্ত করে দিই। যাতে সবাই এগিয়ে আসে। সবার সঙ্গে এক হয়ে কাজ করা। ম্যাস ড. আহম্মদ ই.ল বান্দারী বলেন, ইতিবাচক কর্মসূচীর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন করতে হবে। জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ইসলামকে সকলের কাছে পৌছে দিতে হবে। যুবকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আমাদের সমাধান করতে হবে। যুবকদেরকে হতাশাগ্রস্ত না করে নতুন নতুন স্বপ্ন দেখাতে হবে।

সমাপনী সেশন পরিচালনা করেন মুনার সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল আহমেদ আরমান চৌধুরী।  এ্যাসেম্বলী ম্যান ফিলিপস ওর্টিকিস, সুলাইমান এস নিয়াং বলেন, আমেরিকান সোসাইটিতে মুসলমানদের বিভিন্ন সংগঠন কাজে  আমেরিকার সোসাইটি কাজের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে হবে। যাতে ইসলাম নিউ ইয়র্ক সিটি কম্পোটলার জন ল্যু বলেন, আমেরিকাতে মুসলিম কমিউনিটির অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ সরকারী চাকরি করছে। মুসলামানরা আমেরিকার সমাজে অবিচ্ছধ্য অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। অর্থনীতিতে থেকে শুরু করে সব জায়গা কাজ করছে মুসলমানরা। সমাপনী বক্তব্যে মুনার প্রেসিডেন্ট সাঈদুর রহমান বলেন, আমেরিকাতে ৪০ শতাংশ শিশু এখনো বিবাহ বহির্ভূত হয়ে থাকে। এটা জুইস, স্প্যানিস ও গাইনিজদের সমস্যা নই। এটা মূলত আমেরিকার সামাজিক সমস্যা। আমরা এসব সমস্যাকে পিছনে ফেলে একটি ভালো পরিবার গঠনের মাধ্যমে একটি সুন্দর দেশ গঠন করবো। আগামী আমেরিকাতে মুসলমানরাই নেতৃত্ব দিবে। আমরা বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষা করবো। আমেরিকাই হবে পৃথিবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ। অনুষ্ঠানে ৫ টি সেশনে পরিবার, ইসলাম, নতুন প্রজন্ম ও মুসলামানদের করণীয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এসব পর্ব পরিচালনা করেন আবু ফায়জুল্লাহ, আব্দুল্লাহ আল আরিফ, ড. যাহিদ, আরমান আহমেদ চৌধুরী।

শিশু কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এন্ডেব্রুকলীন, ওজনপার্ক, জ্যামাইকা, জ্যাকসন হাইটস, এস্টোরিয়া, কনি আইল্যান্ড, বংক্সসহ নিউ ইয়র্কের আশা পাশের এলাকার দু’শতাধিক শিশু কিশোর অংশ নেয়। এ প্রজন্মের কিশোররা কয়েক ঘন্টা ব্যাপী বিভিন্ন ভাষায় গান পরিবেশন ও অভিনয় উপস্থাপন করে। এছাড়াও নতুন প্রজন্মের তরুন তরুণীদের নিয়ে পৃথক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী ইয়থ কনফারেন্সে প্রায় ৬ শ ডিলিগেট অংশ নেন। পরিচালনা আব্দুল্লাহ আল আরিফ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ