রমজানে ত্যাগ করুন ১২টি বদভ্যাস
ডেস্ক: সারা বছর ঘুরে পবিত্র রমজান আসে মাত্র একটি মাসের জন্য। আর একটি মাসে অনেক সুঅভ্যাস গড়ে নেয়া যায়। অথচ আমাদের কাছে রোজার গুরুত্বের চেয়ে অনেক সময় মুখ্য হয়ে ওঠে কয়েকটি বিষয়। এ অভ্যাসগুলো এখানে তুলে ধরা হলো:
(১) দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো। ব্যাপারটা অনেকটাই যেন রাতকে দিনে আর দিনকে রাতে পরিণত করা। অনেক মুসল্লি আছেন, যারা সারা রাত ধরে জেগে এবাদত করেন। কিন্তু সারা দিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন। (২) অলসতা ও শ্রম-বিমুখতা কাটিয়ে উঠুন। (৩) খেলাধুলো করে, ভিডিও গেইম খেলে, টেলিভিশন দেখে বা এ জাতীয় অন্য কোন বিনোদনে ব্যস্ত থেকে দিনের পুরোটা সময় পার করে দেয়া। রোজা রাখা সত্ত্বেও আল্লাহর এবাদত না করা। (৪) লোক-দেখানোর জন্য রোজা রাখা, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়। (৫) বাড়িতে স্ত্রী বা কন্যাদের অতিরিক্ত সময় রান্না-বান্নায় ব্যস্ত রাখবেন না। তারা সঠিক সময় এবাদত করতে পারছেন কিনা সেদিকেও পর্যাপ্ত খেয়াল রাখুন। (৬) রোজার মাহাত্ম্যকে উপেক্ষা করে ঈদের জন্য বহু আগে থেকেই বাড়ি সাজানো শুরু করে দেয়া। (৭) সারা রাত জেগে থেকে অপ্রয়োজনীয় কোন কাজে ব্যস্ত থাকা। অনেকেই রাতে টিভি দেখে বহু সময় এভাবে নষ্ট করেন। (৮) তারাবিহ নামাজের পর অযৌক্তিক সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেয়া। (৯) রমজানে ইফতারির খাদ্য-সামগ্রী বা উপকরণ করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা। মনে রাখতে হবে, ইফতারি কোন ভূরিভোজ নয়। (১০) রাতে খাওয়ার সময় বেশি সময় ব্যয় করা। (১১) রাতে বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আড্ডা দেয়া। (১২) ঈদের আগের দশ দিন রোজার মূল উদ্দেশ্য গুরুত্বকে বেমালুম ভুলে গিয়ে ঈদের প্রস্তুতিতে সময় ব্যয় করা। আর এমনটা করতে গিয়ে অনেকেই নামাজ পড়া, কোরআন শরিফ তেলাওয়াত ছেড়ে দেন।মানবজমিন
(১) দিনে অতিরিক্ত ঘুমানো। ব্যাপারটা অনেকটাই যেন রাতকে দিনে আর দিনকে রাতে পরিণত করা। অনেক মুসল্লি আছেন, যারা সারা রাত ধরে জেগে এবাদত করেন। কিন্তু সারা দিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন। (২) অলসতা ও শ্রম-বিমুখতা কাটিয়ে উঠুন। (৩) খেলাধুলো করে, ভিডিও গেইম খেলে, টেলিভিশন দেখে বা এ জাতীয় অন্য কোন বিনোদনে ব্যস্ত থেকে দিনের পুরোটা সময় পার করে দেয়া। রোজা রাখা সত্ত্বেও আল্লাহর এবাদত না করা। (৪) লোক-দেখানোর জন্য রোজা রাখা, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়। (৫) বাড়িতে স্ত্রী বা কন্যাদের অতিরিক্ত সময় রান্না-বান্নায় ব্যস্ত রাখবেন না। তারা সঠিক সময় এবাদত করতে পারছেন কিনা সেদিকেও পর্যাপ্ত খেয়াল রাখুন। (৬) রোজার মাহাত্ম্যকে উপেক্ষা করে ঈদের জন্য বহু আগে থেকেই বাড়ি সাজানো শুরু করে দেয়া। (৭) সারা রাত জেগে থেকে অপ্রয়োজনীয় কোন কাজে ব্যস্ত থাকা। অনেকেই রাতে টিভি দেখে বহু সময় এভাবে নষ্ট করেন। (৮) তারাবিহ নামাজের পর অযৌক্তিক সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নেয়া। (৯) রমজানে ইফতারির খাদ্য-সামগ্রী বা উপকরণ করতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করা। মনে রাখতে হবে, ইফতারি কোন ভূরিভোজ নয়। (১০) রাতে খাওয়ার সময় বেশি সময় ব্যয় করা। (১১) রাতে বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আড্ডা দেয়া। (১২) ঈদের আগের দশ দিন রোজার মূল উদ্দেশ্য গুরুত্বকে বেমালুম ভুলে গিয়ে ঈদের প্রস্তুতিতে সময় ব্যয় করা। আর এমনটা করতে গিয়ে অনেকেই নামাজ পড়া, কোরআন শরিফ তেলাওয়াত ছেড়ে দেন।মানবজমিন
সর্বশেষ সংবাদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং