Tuesday, 9 June 2026 |
শিরোনাম
Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয় A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency New York Attorney General James Secures Refunds for All New Yorkers Cheated by Nissan Dealerships’ Lease Overcharge Schemes
সব ক্যাটাগরি

দুশ্চিন্তা,উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, হতাশায় অকাল মৃত্যুর সমূহ ঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 22 বার

প্রকাশিত: August 1, 2012 | 4:20 AM

 ডেস্ক: স্পর্শকাতর বা কোমল হৃদয়ের মানুষরা নিজেকে প্রকাশ করতে ভয় পান। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, হতাশার সঙ্গে অকাল-মৃত্যুর ওতোপ্রোত সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। একটি ভয়াবহ তথ্য উদঘাটন করেছেন তারা। যারা ক্রমাগত উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা আর হতাশায় ভোগেন, তারা নিজেদের অকাল-মৃত্যুর পথটাকেই ত্বরান্বিত করেন। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন ও এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির যৌথ এক গবেষণায় দেখা গেছে, ইংল্যান্ডে হতাশা আর  উদ্বেগে ভোগার ফলে প্রতি বছর ৬৮ হাজার মানুষ গুরুতর হার্টের সমস্যা বা ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ও অকালে মৃত্যুবরণ করেন। যাদের বিষণœতা বা হতাশার মাত্রা তুলানামূলকভাবে কম, তাদের ক্ষেত্রে অকাল-মৃত্যুর ঝুঁকি ১৬ শতাংশ। কিন্তু যারা বেশি হতাশায় ভোগেন তাদের ক্ষেত্রে এ ঝুঁকি ৬৭ শতাংশ। নিজেদের মধ্যে গুটিয়ে থাকার প্রবণতা ও সমস্যাগুলোকে অন্যের সঙ্গে শেয়ার না করা তাদের মানসিকতাকে আরও জটিল করে তোলে। সামান্য বিষয় নিয়েও দুশ্চিন্তা তাদের গ্রাস করতে শুরু করে। তারা সমাজেই বাস করেন। কিন্তু অনেক মানুষের মধ্যেও তারা সম্পূর্ণ একা। কারণ, তাদের এ মানসিকতার কারণে তারা ধীরে ধীরে নিজেদের আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে সেটা পরিণত হয় জটিল মানসিক ব্যাধিতে। জীবনে একরাশ অপূর্ণতাকে সঙ্গী করে তারা চলে যান পরপারে। অনেকেই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে চান না। কারণ, তারা সমস্যার গভীরতা সম্পর্কে আঁচ করতে পারেন না। আর উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মনোরোগ চিকিৎসাকে অনেকটাই হীন দৃষ্টিতে দেখা হয়। তাই সমস্যা জটিল আকার ধারণ করার আগেই একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া প্রয়োজন। কারণ, কাউন্সেলিংয়ে এ ধরনের সমস্যা প্রাথমিক পর্যায়েই রোধ করা সম্ভব। আর আনুপাতিক হারে মৃত্যুহারও কমে আসবে অনেক। তাই প্রয়োজন সচেতনতা।মানবজমিন
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV