নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের ২৪ বসন্তের যুবতী আমেনা’র নতুন জীবন

ডেস্ক: বাংলাদেশের ২৪ বসন্তের যুবতী আমিনা। ই-মেইলের মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় নিউ ইয়র্কের জর্জ নামের এক যুবকের। আস্তে আস্তে তারা প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। তাদের বিয়ে হয়। আমিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় নিউ ইয়র্কের রচেস্টারে। সেখানে তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশে তার ইতিহাসকে সমুন্নত রেখে শুরু করেন এক নতুন জীবন। সেখানে কেমন আছেন আমিনা! ভিনদেশী স্বামীর সঙ্গে তার বনিবনা কেমন! দাম্পত্য জীবন কতটা সুখের! এসব প্রশ্নের উত্তর তুলে ধরা হয়েছে ‘দ্য নিউলিওয়েডস’ উপন্যাসে। এর লেখিকা মার্কিন নাগরিক । এ উপন্যাসে তিনি বিদেশে গিয়ে একজন বাংলাদেশী নারী কি রকম সমস্যার মুখে পড়তে পারেন তা তুলে ধরেছেন। গতকাল এ উপন্যাসের একটি রিভিউ ছাপা হয়েছে লন্ডনের অনলাইন টেলিগ্রাফে। এতে বলা হয়েছে, ছেলেবেলার বন্ধু নাসিরের সঙ্গে আমিনার দ্বিতীয় ভালবাসার বিষয়ে তার স্বামী জর্জ সন্দেহাতীতভাবে অস্পষ্ট। যদিও এ উপন্যাসে কোন উপদেশমূলক তত্ত্ব দেয়া হয়নি, তবু এটা চিরাচরিত এক নীতি বহন করে। কারণ, ফ্রেউডেনবার্গার এতে বৈপরীত্য ও সমতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এতে তিনি নীরবে সামাজিক পরিস্থিতিকে অবলোকন করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন আমিনার স্বামীর চরিত্রের মধ্যে তেমন কোন পরিবর্তন নেই। বিভিন্ন মন্তব্য থেকে এতে জর্জ সম্পর্কে বিভিন্ন রকম তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে- কর্মক্ষেত্রে নিজের দলের ম্যানেজার হলেন জর্জ। তিনি একটু আগে আগেই অফিসে পৌঁছতে পছন্দ করেন। ওই উপন্যাসে বিদেশী স্বামীর সঙ্গে বিয়ের পর একজন নারী প্রথম যে ভীতিতে থাকেন সে সম্পর্কেও আলোকপাত করা হয়েছে। যেমন আমিনা ও জর্জ যেদিন প্রথম শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছিল সেদিন আমিনা যে তৃপ্তি পেয়েছিলেন তা সুখের ছিল না। কিন্তু এর আগে এ নিয়ে তার মধ্যে যে ভীতি কাজ করেছিল তা কাটিয়ে উঠার তৃপ্তি ছিল তার মধ্যে। ফ্রেউডেনবার্গার বলেছেন, তার এই ফিকশনে যে নায়ক-নায়িকা রয়েছেন তাদের সঙ্গে বাস্তব জীবনের মিল আছে। বিশেষ করে যেসব পরিবারে মার্কিন ভাবধারা আছে অথবা যারা মার্কিনিদের বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ‘দ্য নিউলিওয়েডস’ ফ্রেউডেনবার্গারের তৃতীয় উপন্যাস। আগে তিনি লিখেছেন ‘লাকি গার্লস’। তা প্রকাশিত হয়েছে ২০০৩ সালে। সেখানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থানরত মার্কিন নারীদের জীবন সম্পর্কে ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছেন। যেমন একজন যুবতী ভারতীয় তার প্রেমিকের সঙ্গে সদম্ভে ভালবাসার প্রকাশ ঘটান। এক মা তার এইড ওয়ার্কারের মেয়েকে দেখতে চলে যান থাইল্যান্ডে। অথবা মুম্বইয়ে এক কলেজছাত্রী কিভাবে তার শিক্ষকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়া তিনি লিখেছেন দ্য ডেসিডেন্ট নামের একটি উপন্যাস।মানবজমিন
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests