রঙিন ফল-মূল ও সবুজ পাতাযুক্ত সবজি খান সুস্থ থাকুন: দৈনিক ৫ রকমের শাক সবজি এবং দুই রকমের ফল খাওয়া উচিত
নাজমুন্নাহার বেগম : আমরা সবাই জানি, সাতটি রঙের সমন্বয়ে রংধনু সৃষ্টি হয়। একইভাবে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের মেন্যুতে নানা রঙের খাবার (কৃত্রিম রঙ মেশানো ছাড়া) যেমন ফল-মূল সবুজ শাক সবজিযুক্ত খাবার হূদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়ক। আমরা সবাই জানি শাক-সবজি, ফল-মূল বেশী খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর এর কারণ হলো, এসব খাবারে রোগ প্রতিরোধ করার মতো বিশেষ উপাদান আছে। এমনকি কোন কোন রোগের আক্রমণ বিলম্বিত করতে পারে এসব খাবার। ফল-মূল, শাক-সবজিতে যেসব ভিটামিন থাকে সেগুলো হলো- ভিটামিন সি, ক্যারোটেনয়েডস নামের কিছু উপাদান, ভিটামিন কে, রিবোফ্লোবিন এবং ফলিক এসিড। এছাড়া শাক-সবজি, ফল-মূলে আঁশ ও পানি বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালোরি থাকে কম পরিমাণে। শাক সবজিতে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামও থাকে। অন্যদিকে চর্বি ও সোডিয়াম থাকে কম, ফলে এসব খাবার হূদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। সম্প্রতি জানা গেছে, শাক-সবজি, ফল-মূলে ফাইটোকেমিক্যালস নামের কিছু উপাদান আছে। এসব উপাদানের একাধারে বিজারণ ক্ষমতার পাশাপাশি প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধক ক্ষমতা আছে। এছাড়া ফাইটোকেমিক্যালস নামের উপাদানগুলো দেহের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে এসব উপাদানের কল্যাণে সুস্থ ও আরামদায়ক জীবন যাপন করা সম্ভব। শাক সবজি ও ফল-মূলে হাজারো রকমের ফাইটোকেমিক্যালস থাকে। একইভাবে লেবু, কমলালেবু, আপেল, সবুজপাতাযুক্ত শাক সবজি, হলুদ ক্যাপসিক্যাম, পেঁয়াজ ও ব্রুকলিতে পাওয়া যায় ফ্লাভোনোলস। নারিনজেনিন পাওয়া যায় সব লেবু জাতীয় ফল ও লাল আঙ্গুরে। এ উপাদান রক্তে কোলেস্টেরল এবং গ্লুকোজের মাত্রা কামায়। আমের মত হলুদ ফল, সবুজ পাতাসমৃদ্ধ সবজি এবং গাজরে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। এটি দেহে প্রবেশের পর ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত হয় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। এছাড়া ফল-মূল ও শাক সবজির অন্যান্য সুফলের মধ্যে রয়েছে এগুলো টাইপ-২ ডায়াবেটিস বিলম্বিত করে এবং খাদ্যনালী ও পাকস্থলীর ক্যান্সার প্রতিহত করে। এগুলো মুখগহ্বর ও ফুসফুসের ক্যান্সারও প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে বলে ধারণা করা হয়। কাঁচা ফল-মূলসমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কে অ্যামাইলয়েড প্ল্যাক তৈরীতে বাধা প্রদান করে। এধরণের প্ল্যাক থেকে আলঝাইমার রোগ দেখা দেয়।
এছাড়া চোখের ছানি প্রতিহত করে ফল-মূল, শাক সবজি। অন্যদিকে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রাকৃতিক পদ্ধতি হলো সবুজ শাক সবজিসহ আঁশ জাতীয় সবজি খাওয়া। যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তারা ফল-মূল ও শাক সবজি বেশি করে খেলে উপকার পাবেন। ডায়েটরি অ্যাপ্রোচেস টু স্টপ হাইপারটেশন বা ডিএএসএইচ পরিকল্পনার আওতায় যখন রক্তচাপ কমানোর চেষ্টা করা হয় তখন উদারভাবে ফল-মূল ও শাক-সবজি খাওয়ার কথা বলা হয়। প্রশ্ন উঠতে পারে, সুফল পেতে দৈনিক কি পরিমাণ ফল-মূল ও শাক সবজি খাওয়া উচিত। ভারতের ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল-এর সুপারিশ অনুযায়ী একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈনিক ৫ রকমের শাক সবজি এবং দুই রকমের ফল খাওয়া উচিত। তবে আলুকে এ হিসেবের মধ্যে ধরা হয়নি।(নাজমুন্নাহার বেগম, পুষ্টিকর্মকর্তা, গুলশান ডায়াবেটিস সেন্টার, গুলশান-২, ঢাকা |)
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং