Sunday, 26 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ :ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের খাদ্যনিরাপত্তা প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 144 বার

প্রকাশিত: August 10, 2012 | 4:16 PM

ইফতেখার মাহমুদ : খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবচেয়ে নিচে নেমেছে। আর ১০০-এর মধ্যে ৩৪ দশমিক ৬ পয়েন্ট পেয়ে বিশ্বের ১০৫ দেশের মধ্যে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ নম্বরে। উগান্ডা, কেনিয়া, মািয়ানমার ও নেপালের অবস্থানও বাংলাদেশের ওপরে। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের গবেষণা শাখা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০১২ সালের খাদ্যনিরাপত্তা প্রতিবেদনে এসব তথ্য রয়েছে। ১০৫টি দেশের মানুষের খাদ্য ক্রয়ক্ষমতা, সহজপ্রাপ্যতা ও গুণগত মান এবং নিরাপদ খাদ্যের জোগান—এ তিনটি সূচকের ভিত্তিতে এই গবেষণা প্রতিবেদন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার দ্য ইকোনমিস্ট প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কিছু ইতিবাচক অগ্রগতি উঠে এসেছে। এগুলো হচ্ছে, কৃষি উৎপাদনের নিশ্চয়তা ও কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তির সুবিধা। তবে আটটি ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে। যেমন: কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে সরকারের বরাদ্দের স্বল্পতা, খাবারে বৈচিত্র্যের অভাব, মাথাপিছু গড় বার্ষিক উৎপাদন কম হওয়া, আমিষজাতীয় খাদ্যের স্বল্পতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরবরাহের অপ্রতুলতা ইত্যাদি। প্রতিবেদনটি সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পুষ্টির দিক থেকে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই পিছিয়ে আছে। বিশেষ করে মানুষের গড় উচ্চতা ও ওজন বৃদ্ধির গতি খুব ধীর। এ ক্ষেত্রে সবজি, মাছ-মাংস ও দুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং তা গরিব মানুষের কাছে সহজলভ্য করার উদ্যোগ নিতে হবে। আর সরকারে যেই আসুক, খাদ্যনিরাপত্তার উদ্যোগগুলোর ক্ষেত্রে যাতে কোনো পরিবর্তন না হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬৭ লাখ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এ দেশের মানুষ গড়ে যে পরিমাণ খাদ্য খায় তার ৬০ শতাংশ হচ্ছে ভাত। সবজি, মাছ, মাংস ও দুধের মতো পুষ্টিকর ও ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার এ দেশের মানুষ খুব একটা পায় না। ফলে বাংলাদেশ খাদ্যনিরাপত্তার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়েছে। এ দেশের ২৬ শতাংশ মানুষ অপুষ্টিতে ভুগছে, একজন দৈনিক ২৯০ ক্যালরি খাবার পায়। ধনী দেশগুলোতে এর পরিমাণ দৈনিক ১২০০ ক্যালরি। ইফপ্রি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আখতার আহমেদ বলেন, দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সরকারকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার বাজেটের ১৫ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করার পরও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। এ জন্য খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তায় দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। ৪৭ দশমিক ৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় দেশটির অবস্থান ৬২তম। ভারত ৪০ দশমিক ৫ পয়েন্ট পেয়ে ৬৬তম, পাকিস্তান ৩৮ দশমিক ৫ পয়েন্ট পেয়ে ৭৫তম, মিয়ানমার ৩৭ দশমিক ২ পয়েন্ট পেয়ে ৭৮তম এবং নেপাল ৩৫ দশমিক ২ পয়েন্ট পেয়ে ৭৯তম অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার তালিকার প্রথম তিনটি স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (পয়েন্ট ৮৯.৫), ডেনমার্ক (পয়েন্ট ৮৮.১) ও ফ্রান্স (পয়েন্ট ৮৬.৮)। তালিকার শেষ তিনটি স্থানে রয়েছে আফ্রিকার বুরুন্ডি (পয়েন্ট ২২.৯), শাদ (পয়েন্ট ২০.২) ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (পয়েন্ট ১৮.৪)। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এই প্রতিবেদন তৈরি করতে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ইফপ্রি), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও প্রভাবশালী জরিপ সংস্থা ম্যাপলক্রপের সহায়তা নেয়। এসব সংস্থা প্রতিবছর বিশ্বের খাদ্যনিরাপত্তা বিষয়ে সূচকভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই সংস্থাগুলোর ২০১১ সালের সব প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান ও নেপালের ওপর। গত বুধবার এফএও চলতি আগস্ট মাসের খাদ্য পূর্বাভাসে বলেছে, তিন মাস ধরে দাম কমার পর গত জুলাই মাসে খাদ্যের দাম ছয় শতাংশ বেড়েছে। সাবধানতা হিসেবে চলতি মাসে মাংস ছাড়া বেশির ভাগ খাদ্যের দাম বাড়তে পারে।প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV