সাউথজার্সী আওয়ামীলী্গ এবং বাংলাদেশ জাতীয়্তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সীর কমিটি গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা
আকবর হোসাইন, আটলান্টিক সিটি : নানাবিধ সংকটে আবর্তিত হয়ে সাউথজার্সী আওয়ামীলী্গরে এবং বাংলাদেশ জাতীয়্তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সীর কমিটি গঠন অনিশ্চয়তার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দুইটি বড় দলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সাউথজার্সীতে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে বর্তমানে বিরাজ করছে একটু ভিন্ন মাত্রার রাজনৈতিক আবহ।কমিটি গঠনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বৃ্দ্িধ পাচ্ছে দ্বন্ধ,সন্দেহ এবং বিরোধ। ঈদের পর পরই কমিটি ঘোষনার কথা বলা হলেও ঘোলাটে রাজনৈতিক আবহাওয়ার কারনে উভয় দলের কমিটি আদৌ ঘোষনা করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
সাউথজার্সী আওয়ামীলী্গরে কমিটি গঠন নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তৎপরতা বৃ্দ্িধ পেয়েছে অনেক গুণ।সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদের জন্যে নতুনভাবে আলোচনায় এসেছেন সাবেক চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্য্লায় ছাত্রনেতা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবদ্রু রফিক এবং সাউথজার্সী মেট্রোপলিটন সিটি আওয়ামীলী্গরে সভাপতি জহিরুল ইসলামের নাম।সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আবু নছরের নাম নতুনভাবে শোনা যাচেছ।দুপুর দুইটার পর থেকে শুরু করে ভোর সাড়ে চারটা সেহেরীর সময় পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে চলছে আলাপ আলোচনা।নেতা-কর্মীদের সমর্থন আদায়ের জন্য ইফতার পার্টি চলছে প্রতিদিন।রাত এগারটার পর থেকে সরগরম হয়ে উঠে ডানকিন ডোনাটস, সিজারস লাইনসহ বাঙ্গালীদের আড্ডার স্থানগুলো।নতুন কমিটি কেমন হবে,কমিটিতে বয়োজষ্ঠ্যেদের নাকি তারুন্যের প্রাধান্য থাকবে? নতুন সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় নেত্রীবৃন্দ্রে কতটুকু আর্শীবাদ অর্জন করতে পারেন,নানাবিধ প্রশ্নের উত্তর খুজে বেড়াচ্ছেন নেতা-কর্মীরা।
প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীর যোগ্যতা এবং পার্টির প্রতি তাদের অতীত কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে ত্রী ছুড়ে মারছেন এক অন্যের দিকে।মতবিরোধের পাশাপাশি সন্দেহ বেড়েছে বহুগুন।আর এই সন্দেহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছেন আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ। আহবায়ক কমিটির সভা শেষে কি সিদ্ধান্ত নেয়া হচেছ তা প্রতিদ্বন্দ্বী অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ না জানতে পারার কারনে তাদের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। প্রার্থীরা আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে পকেট কমিটি ঘোষণার অভিযোগ তুলে তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার দাবি জানান।এছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বী নেতৃবৃন্দ আরও জানান আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য তাদের ইচ্ছা পোষণ করার কারনে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া জটিল থেকে আরও জটিলতর হচ্ছে।
এ ব্যাপারে আহবায়ক কমিটির একজন সদস্যের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান নেতা-কর্মীরা তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চাচ্ছেন।এ পরিস্থিতিতে সংকট নিরসনে তিনি নেতা-কর্মীদের মতামতকে বেশী গুরুত্ব দিচেছন। এদিকে অধিকাংশ নেতা-কর্মীর মতামত হচেছ নির্বাচনের মাধ্যমে যে প্রতিদ্বন্ধীই ক্ষমতায় আসুক তাতে তাদের কোন আপত্তি নেই কিন্ত পিছনের দরজা দিয়ে আহবায়ক কমিটির অথবা তাদের আর্শীবাদ পুষ্ঠ কোন নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হলে ঐ কমিটি আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা কখনও মেনে নেবে না।কমিটি গঠন প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ঠ একজন নেতা জানান কমিটি গঠনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ড: সিদ্দিকুর রহমানের বক্তব্য হচ্ছে ত্যাগী এবং সত্যিকারের আওয়ামী নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে একটি বিরোধহীন কমিটি গঠন করতে হবে।তিনি বিশেষ করে আওয়ামীলী্গরে দুইটি কমিটির নেতৃবৃন্দ্রে সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানা যায়।যদিও দুইটি কমিটির একত্রিত হওয়ার ব্যাপারে অনেক নেতা কর্মীর মধ্যে এখনও মতভেদ রয়েছে।দীর্ঘ দুই যুগ ধরে সাউথজার্সীতে বসবাসকারী আওয়ামীলী্গরে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা জানান দুইটি গ্রুপের সমন্বয়ে তারুণ্যের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে যে সকল নেতৃবৃন্দ আওয়ামীলী্গরে কার্যক্রমকে সাউথজার্সীতে সচল রেখেছেন তাদের মধ্যে থেকে কাউকে সভাপতি করলে তা অবশ্যই সকল নেতা-কর্মী মেনে নেবেন।
বর্তমানে সাউথজার্সী আওয়ামীলী্গরে নেতা-কর্মী মনে করছেন বিরোধহীন একটি কমিটি গঠনের এখনই উপযুক্ত সময়।প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে বিরোধ থাকলেও সাউথজার্সী আওয়ামীলীগ অতীতের ছেয়ে অনেক বেশি সংগঠিত বলে তারা মনে করছেন।তারা আরও বলেন বিরোধ না থাকলে দল কখনও সংঘঠিত হয় না ।সংগঠিত এই আওয়ামী নেতাকর্মীদেরকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার ক্ষেএে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অনেকে মনে করছেন।আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিরোধ পরিহার করে আহবায়ক কমিটিকে নতুন কমিটি গঠনে সহযোগীতা করবেন এটাই আওয়ামী নেতা-কর্মীদের প্রতি সাউথজার্সীবাসীর প্রত্যাশা।
আওয়ামীলী্গরে আহবায়ক কমিটির মত বাংলাদেশ জাতীয়্তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সীর আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসার অভিযোগ না থাকলেও নেতা-কর্মীদের অনমনীয় মনোভাব বিপাকে ফেলেছে আহবায়ক কমিটির সদস্যদেরকে।অধিকাংশ নেতা-কর্মী সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রার্থী একজন নেতাকে তার কাঙ্খিত পদে অধিষ্ঠিত করলে তিনি নিউজার্সী বিএনপির অপর গ্রুপের নেতা এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একজন ব্যক্তির প্রেসক্রিপশানে বাংলাদেশ জাতীয়্তাবাদী দল বিএনপি অব আটলান্টিক সিটি গঠন করার প্রচেষ্ঠা চালাবেন।যা বাংলাদেশ জাতীয়্তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সীর বর্তমান ১৪০ সদস্যদের মধ্যে ১৩২ জন সদস্য কখনও মেনে নেবে না।অধিকাংশ নেতাকর্মী মনে করছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী এই নেতা তার পদ পেলেও সিটি কমিটি গঠন করবেন,আর না পেলে তিনি এই কমিটি অতি দ্রুত গঠন করবেন।নেতা-কর্মীদের এই সন্দেহের কারনে সমঝোতার মাধ্যমে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া অনেকখানি থমকে গেছে।কয়েকজন নেতা জানান সিটি কমিটি গঠন প্রত্যাশী এই নেতা যত তাড়াতাড়ি তার অবস্হ্না পরিষ্কার করতে সক্ষম হবেন তত তাড়াতাড়ি সমঝোতা সম্ভব হবে।তারা আরও জানান বাকি প্রতিদ্বন্দ্বীরা দলীয় স্বার্থ বিবেচনা করে যে কোন রকম সমঝোতায় পৌছতে এখনও প্রস্তুত।এদিকে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রত্যাশী কয়েকজন নেতা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের প্রেসক্রিপশানে কাজ করছেন বলে জানা যায়। দলীয় স্বার্থে বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের প্রেসক্রিপশান নেয়া থেকে বিরত না হলে তাদের নেতৃত্ব সংকটে পরতে পারে বলে নেতা-কর্মীদের ধারনা। পদের ছেয়ে দল বড় এই চিন্তা মাথায় রেখে এগিয়ে গেলে উভয় দলের কমিটি ঈদের পরেই দেখা যাবে বলে সাউথজার্সীবাসীর প্রত্যাশা।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests