Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

মস্তিষ্কের ক্যান্সার দমনে ভাইরাস!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 80 বার

প্রকাশিত: August 11, 2012 | 3:22 PM

ক্যানসার রোগটির নাম শুনলেই সবাই আঁেক ওঠে। প্রতি তিনজনে একজন রোগী মারা যায় ক্যানসারে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের টিউমার হলে তো কথাই নেই। তাই এ রোগটি নিয়ে গবেষণারও অন্ত নেই। মস্তিষ্কের ক্যানসার হলে সাধারণত প্রচলিত পদ্ধতিতেই চিকিত্সা দেয়া হয়। যেমন অপারেশন, রেডিয়েশন, কেমোথেরাপি ইত্যাদির মাধ্যমে। এটা নির্ভর করে মস্তিষ্কের কোন জায়গায় টিউমারটি হয়েছে তার ওপর। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী মৃত্যুর হাত এড়াতে পারেন না। সম্প্রতি মস্তিষ্কের টিউমারের ক্ষেত্রে নতুন এক পদ্ধতি চিকিত্সা জগতে আশার আলো জাগিয়েছে। আর তাহলো এক ধরনের ভাইরাসের মাধ্যমে এ টিউমারকে দমন করা। ভাইরাসটির নাম পারভো ভাইরাস। ক্যানসার গবেষক জঁ রোমলেয়ার এবং নিউরো শৈল্য চিকিত্সক কার্সটেন গেলেটনেকি বহু বছর ধরে এ ভাইরাসটি নিয়ে গবেষণা করছেন। এ ভাইরাস মানুষের জন্য বিপজ্জনক নয়। কিন্তু ক্যানসারের কোষকে ধ্বংস করতে পারে। গবেষণাগারে এর প্রমাণই পাওয়া গেছে। গবেষকরা এখন জানতে আগ্রহী, পারভো ভাইরাস কী মস্তিষ্ক টিউমারের সঙ্গে লড়াইতে জিততে পারবে? এ পরীক্ষার জন্য তারা মানুষের টিউমারের জিন কয়েকটি ইঁদুরে ঢুকিয়ে তারপর পারভো ভাইরাসের ইনজেকশন দেন। প্রথমে মারাত্মক টিউমারটি দ্রুত বাড়তে থাকে। কিন্তু পরে বিরাট এক বিস্ময় দেখা দেয়। হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটির নিউরো শৈল্য চিকিত্সক কার্সটেন গেলেটনেকি এ প্রসঙ্গে বলেন, আমার সঙ্গে রেডিওলজিস্ট এক সহকর্মীও ছিলেন। তিনি প্রথমে বলেছিলেন এটা একটা যান্ত্রিক ভুল। সত্যি সত্যি এটা হতে পারে না। আমিও এ পরীক্ষার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলাম না, কেননা ফলাফলটা অভিভূত করার মতো ছিল। এরপর আমরা ঠিক করলাম আরও দুদিন অপেক্ষা করে দেখা যাক। টিউমারটি আরও ছোট হতে লাগল। এ পরীক্ষায় ১২টির মধ্যে ৮টি ইঁদুরের টিউমার একেবারে চলে গিয়েছিল এবং পরে আর দেখা দেয়নি। হাইডেলবার্গের ক্যানসার গবেষণা কেন্দ্রের গবেষক রোমলেয়ার বলেন, আমরা স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত উত্সাহিত হই। আমরা প্রাথমিক গবেষণার পর্যায়ে ছিলাম। হঠাত্ দেখতে পেলাম, প্রাণীর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কাজে লাগছে। তারপর আমরা চিন্তা-ভাবনা করতে লাগলাম, প্রাণীর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি কাজে লাগলে মানুষের ওপরও এই ভাইরাসের প্রয়োগ নিয়ে গবেষণা করা যায়। ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পারভো ভাইরাসকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে এখন। গবেষকরা প্রাথমিক পর্যায়ে রোগীদের সহ্যশক্তি পরীক্ষা করে দেখেছেন। এখন পর্যন্ত সাফল্য দেখা গেছে। এ পরীক্ষায় কেবল সেসব রোগীই অংশ নিতে পারবেন, যারা ফের মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত হয়েছেন। রোগীরা দুবার অল্প পরিমাণে পারভো ভাইরাসের ডোজ পাবেন। চিকিত্সকরা সরাসরি টিউমারের কোষে ভাইরাস ঢুকিয়ে দেবেন। এরপর অবশ্য অপারেশন করতে হবে। সব মিলিয়ে ১৮ জন রোগীর চিকিত্সা করা হবে এই পদ্ধতিতে। অপারেশন কয়েক ঘণ্টা ধরে হবে। টিউমারটি একেবারে আপসারণ করা হলে গবেষকরা আবার পারভো ভাইরাসের ইনজেকশন দেবেন। সব রোগী পারভো ভাইরাস সহ্য করতে পারলে গবেষকরা প্রথম কয়েকজন রোগীকে এ ভাইরাসের ডোজ বাড়িয়ে চিকিত্সা করবেন। তাদের আশা ইঁদুরের মস্তিষ্কের মতোই প্রথমে ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং পরে ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হবে। মস্তিষ্কের টিউমার একেবারে দূর হবে এবং এ ধরনের ক্যানসারের হাত থেকে মানুষ মুক্ত হতে পারবে। এ দুই বিজ্ঞানী চার বছরের মধ্যে বলতে পারবেন, এ চিকিত্সা পদ্ধতি মানুষের ক্যানসার দমনেও কাজে লাগবে কি না। তবে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভাইরাস যে একটা ভূমিকা নিতে পারবে এ ব্যাপারে আশাবাদী তারা। গবেষকর গেলেটনেকি জানান, আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করি, পারভো ভাইরাস ক্যানসার চিকিত্সায় একটা স্থান পাবে। অবশ্য আমি মনে করি কোনো ভাইরাসই এককভাবে এ সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। কিন্তু ক্যানসারের চিকিত্সায় ভাইরাসকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করার একটা সুযোগ এবার এসেছে আমাদের। জঁ রোমলেয়ার বলেন, পারভো ভাইরাসই একমাত্র ভাইরাস নয়, যাকে টিউমারের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা যায়। প্রায় ১০ ধরনের ভাইরাস পরীক্ষা করে এক্ষেত্রে সাফল্য লক্ষ্য করা গেছে। আমি মনে করি, এটা এমন এক ক্ষেত্র, যার বিকাশ সম্ভব। ভবিষ্যতে ক্যানসার প্রতিরোধী চিকিত্সায় একটি জায়গা করে নিতে পারবে এটি। গবেষকরা আশা করেন, তাদের বড় ইচ্ছাটা এবার পূরণ হবে। কার্সটেন গেলেটনেকির ভাষায়, কোনো রোগীর মুখে হাসি ফোটানো, এমন একটা বিষয়, যা নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখি। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV