জনপ্রিয় আবৃত্তিকার মুমু আনসারীর কবিতা সন্ধ্যা
তৈয়বুর রহমান টনি, নিউ ইয়র্ক : বিদেশের মাটিতে দেশীয় সংষ্কৃতি চর্চা করা সত্যিই দূরহ। যেখানে বিভিন্ন দেশের সংষ্কৃতির মিশ্রনের জোয়ার চলছে সেখানে বাংলা সংষ্কৃতির সবচেয়ে নান্দনিক মাধ্যম কবিতা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল নিউ ইয়র্কের অন্যতম জনপ্রিয় আবৃত্তিকার মুমু আনসারীর কবিতা সন্ধ্যা প্রঙ্গনে মোর-২। মুমু আনসারী নিউ ইয়র্ক এর খ্যতিমান ব্যক্তিত্ব ফজলুল রহমান এবং অধ্যাপিকা হোসনে আরা বেগমের কন্যা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় এস্টোরিয়ার ক্লাব সনম মিলনায়তনে আমন্ত্রীত অতিথির মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ স্হায়ী মিশনের প্রতিনিধি ও এ্যামবেসেডার ড.এ কে আব্দুল মোমেন, ক্যালচারাল মিনিষ্টার অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহেদ, ড. মনসুর খান, বাংলাদেশ সোসাইটি সভাপতি এম আজিজ, মনজুর আহমেদ, মুজিব-বিন-হক, মহিউদ্দিন দেওয়ান, তালেব হোসেন চান্দু, রেখা আহমেদ, নিনি এফএমএস হোসেন জাব্বার শৈবাল, সিরাজ উদ্দিন সোহাগ,মুন্না হক ইয়েলো, আকবর হায়দার কিরন, মিনহাজ আহমদ সাম্মু, নাঈমা মনসুর, নাদিম আহমেদ, নাছরিন রহমান, মোঃ আনিসুল কবরি জাসির।
আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গতানুতিক ধারার বাইরে উপস্হাপক হয়ে মঞ্চে আসেন ইউ এস এর এনটিভির বার্তা প্রধান তাওহীদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শুরুতেই উপস্হাপক জানিয়ে দেন অনুষ্ঠান সূচী। ভিন্নধর্মী এই আয়োজনে মুমু আনসারী তুলে আনেন নতুন প্রজন্মকে। তিনি বলেন আমি যে ভাবে এসেছি, অন্যরাও আসুক। তারা জায়গা করে নিক। মুমু আনসারী একযুগ আগে বাবা মায়ের হাত ধরে নিউ ইয়র্কে আসেন। চর্চা করে আসছেন বাঙ্গালী সংস্কৃতিকে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে কন্ঠের অসাধারণ কারুকাজ এবং সুন্দর উচ্চারনের জন্য পরিচিত হন জনপ্রিয় কবিতা পাঠের শিল্পী হিসাবে। অনুষ্ঠান শুরুতে মঞ্চে আবৃত্তি করতে আসেন প্রবাসের নতুন প্রজন্মের পাঁচ আবৃত্তিকার শ্রুতিকণা, দিগন্ত, শমা, সুবাহা এবং মিম্মো। তাদের অসাধারণ আবৃত্তি সবাইকে বিমোহিত করে। তাদের এই বিস্ময়কর উপস্হানা সাবাইকে নিয়ে যায় কবিতার এক স্বপ্নের জগতে।
সবাইকে জানিয়ে দিয়ে গেল ভিন্ন সাংস্কৃতির জগতে দেশীয় বাংলা সংস্কৃতি টিকে আছে এবং থাকবে যুগযুগ। নতুন প্রজন্মের পরিবেশনার পর মঞ্চে আসেন মুমু আনসারী। তিনি একে একে আবৃত্তি করেন সুনীল গঙ্গোপধ্যায়ের হে সুন্দর ও আর যুদ্ধ নয়, শহীদ কাদরীর পরবাসের পংত্তিমালা, সুকান্ত ভট্টাচার্যের উদ্দ্যোগ ও পুরানো ধাঁধাঁ, সত্যেন্দনাথ দত্তের পালকি চলে, সুকুমার রায়ের একুশে আইন ও হিংসুটিদের গান, শামসুর রহমানের একটি মোনাজাতের খসড়া, নির্মলেন্দু গুনের আমার শুধু ইচ্ছে করে, হাত পেতে আছি, ডঃ নিলীমা ইব্রাহিমের আমি বিরাঙ্গনা বলছি, বিষ্নু দের ছত্রিশ গাড়ি গান, আবুল হাসানের নিঃসঙ্গতা, আনিসুল হকের তুই কি আমার দুঃখ হবি, তসলিমা নাসরিনের পাখি হয়ে ফিরবো একদিন, মোফাজ্জল করিমের নেশা, আমি ও তুমি এবং জাগছে মানুষ, লুৎফর রহমান রিটনের হ্যান করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা, ঢাকা আমার ঢাকা ও ভেজাল, জি এম আরজুর পিঁপড়ে সভ্যতা, জয় গোস্বামীর আমরা তো অল্পে খুশী, ময়না ও জল হাওয়ার খেলা, হেলাল হাফিজের অমীমাংসিত সন্ধি ও অচল প্রেমের গল্প, মন্জুর কাদের এর হবু চন্দ্রের বাংলাদেশ, আব্দুর রহমান আবিদের একটি ছড়া ইত্যাদি। মুমু আনসারী চারটি পর্বে এগুলো আবৃত্তি করেন। অসাধারন কন্ঠের আবৃত্তি মূর্ছনয় হল ভর্তি দর্শক শ্রোতাকে মাতিয়ে রাখেন মুমু আনসারী।
এর পর মঞ্চে আসেন গান নিয়ে প্রবাসের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী স্বপ্না কাউসার, আবির আলমগীর, তানভীর শাহীন, কান্তা আলমগীর ও হোসেন জাব্বার শৈবাল। তাদের গান দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। আরও কবিতা পাঠ করেন রওশন আরা লিপি, জি এইচ আরজু ও আবীর আলমগীর। বিপার শিল্পীরা নাচ পরিবেশন করে। মুমু আনসারীর প্রাংঙ্গনে মোর-২ পৃষ্টপোষকতায় ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটি সভাপতি এম আজিজ, এফএমএস, হক ইয়েলো এবং এটর্নি অশোক কর্মকার।মঞ্চে সহযোগিতায় ছিলেন পার্থ গুপ্ত, রবি শংকর ভট্টাচার্য, তানভীর সারোয়ার রানা, তানভীর শাহীন এবং শামীম মামুন লিটন। অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন কমিউনিটির বহু গন্যমান্য ব্যক্তিবৃন্দ।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests