লাব্বাইক আল্লাহুম্মা :হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে ৮ জিলহজ্ব
সাকির আহমদ : বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সর্বশেষ হজ্বযাত্রীরা গত সোমবারের মধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এখন আর কোন হাজী মদিনার মসজিদে নববীতে নেই। মঙ্গলবার থেকে হাজীরা মক্কায় ফিরতে শুরু করেছেন। বুধবার মদিনা থেকে মক্কা পর্যন্ত গোটা রাস্তাজুড়ে হাজীদের কাফেলা ছাড়া আর কিছুই দৃষ্টিগোচর হবে না। এবারের হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে ৮ জিলহজ্ব । হজ্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার আগে মদিনায় ৮ দিন অবস্থান করে মসজিদে নববীতে হাজীদের ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হয়। আর এ কাজটি হাজীরা গতকাল এশা এবং আজ ফজরের নামাজের মধ্যদিয়ে শেষ করেছেন। এরপর সবাই মক্কার পথে মদিনা ত্যাগ করেছেন। এদিকে আজ হাজীরা থাকবেন মক্কা থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে মিনায়। অনেকেই গতকাল এশার নামাজ আদায় শেষে মিনার দিকে যাত্রা করেছেন। মক্কা থেকে মিনার পথে চলছে হাজীদের কাফেলা। আজ মক্কায় হাজীদের অবস্থান করার কথা নয়। যারা মদীনার মসজিদে নববীতে ছিলেন তারা মদীনা থেকে মক্কা হয়ে সরাসরি মিনায় চলে যাবেন। সবাইকে আজকের দিনটিতে মিনায় থাকতে হবে।
মিনায় পৌঁছার পর হাজীদেরকে জোহর, আসর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করতে হবে। হাদিসে বলা হয়েছে, মিনায় রাত যাপন করে ফজরের নামাজ আদায় করা সুন্নত। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব হজ্বযাত্রীরা জিলহজ্ব মাসের প্রথম দিন সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তারা কেউই মদীনায় যেতে পারেননি। আর যারা আগে সৌদি আরবে গিয়েছেন তারা মদীনায় ৮ দিন অবস্থান করে মসজিদে নববীতে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছেন। কিন্তু যারা জিলহজ্বের প্রথম থেকে পঞ্চম দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে গিয়েছেন তারা হজ্ব আদায় শেষে মদীনার পথে যাত্রা করবেন। হজ্ব পালন শেষে তাদেরকে ৮ দিন মদীনায় অবস্থান করে মসজিদে নববীতে ৪০ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে দেশে ফিরে যেতে হবে। হাজীদের জন্য এ কাজটি করা বাধ্যতামূলক। হাদিসে উল্লেখ রয়েছে যে রাসূল (সা.) বলেছেন, যে হজ্ব করতে এসে আমার জিয়ারতে আসলো না সে যেন কৃপণ।
মসজিদে নববীতে নামাজ আদায় করার ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে বেশ কিছু তথ্য রয়েছে। বুখারী শরীফে বলা হয়, হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘আমার এই মসজিদে এক রাকাত নামাজ, মসজিদুল হারাম ছাড়া অন্য মসজিদে ৫০ হাজার রাকাত নামাজ অপেক্ষা শ্রেয়। আর মক্কায় মসজিদুল হারামে এক রাকাত নামাজ, অন্য মসজিদে এক লাখ রাকাত অপেক্ষা শ্রেয়।’
বুখারী শরীফে আরো বলা হয়েছে, মসজিদে নববীতে ইবাদতে বাস্তবিকই জান্নাতী সুখ অনুভব করা যায়। অরপদিকে হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘আমার গৃহ এবং মিম্বররের মধ্যবর্তী স্থানটি, বেহেশতের একটি বাগান সমকক্ষ (রওযাতুম মিন রিয়াযিল জান্নাত)। আমার এই মিম্বর (হাশরের ময়দানে), আমার হাউজে কাওসারের কিনারে স্থাপিত হবে।’
হাদিসে বলা হয়েছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জিলহজ্বের প্রথম দশ দিন হল দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন। বছরে যতগুলো পবিত্র দিন আছে তার মাঝে এ দশ দিনের প্রতিটি দিন হল সর্বোত্তম। যেমন এ দশ দিনের অন্তর্গত কোন জুমার দিন অন্য সময়ের জুমার দিন থেকে উত্তম বলে বিবেচিত।’ইত্তেফাক
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests