Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রের ৫৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন : একটি ভোটের মূল্য ২০ ডলার!

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 37 বার

প্রকাশিত: November 4, 2012 | 10:27 AM

অনলাইন ডেস্ক : আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৭তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন। প্রতিবারই একটু করে বাড়তে বাড়তে এবার এই নির্বাচনের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৫০ কোটি ডলার। হিসাব করে দেখা গেছে, এতে ভোটপ্রতি খরচ দাঁড়ায় ২০ ডলার। কোথা থেকে আসছে এত টাকা? খরচই বা হচ্ছে কোথায়? মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের এই ২৫০ কোটি ডলার আসছে মূলত চারটি উত্স থেকে। নির্বাচনী প্রচারণা চলার সময় রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক পার্টির কমিটি তহবিল সংগ্রহ করে। এখান থেকে এসেছে ৬৬১ মিলিয়ন ডলার। রিপাবলিকান কমিটি থেকে ৩৬৯ ও ডেমোক্রেটিক কমিটি থেকে ২৯২ মিলিয়ন ডলার। ৭০০ মিলিয়নের বেশি ডলার আসে মার্কিন নাগরিকদের ছোট ছোট অর্থসাহায্য থেকে। বেশির ভাগ সাহায্যই থাকে আড়াই হাজার ডলারের কম। নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিতে পারে না এমন গ্রুপগুলোও নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার জন্য অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এসব গ্রুপকে ডাকা হয় ‘সুপারপ্যাকস’ নামে। নিজ পছন্দের প্রার্থীকে সহযোগিতা করতে বা প্রতিপক্ষকে সমালোচনার মাধ্যমে আঘাত করার উদ্দেশ্যে তারা এই অর্থ ব্যয় করে থাকে। এবারের নির্বাচনে এই ‘সুপারপ্যাকস’ খাত থেকে এসেছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার। এর অর্ধেকের বেশি অর্থ এসেছে মাত্র এক শতাংশ সাহায্যকারীর কাছ থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাসিনো ডেভেলপার শেলডন অ্যাডেলসন ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন সবচেয়ে বেশি অর্থ। তাঁর কাছ থেকে এসেছে ৫৪ মিলিয়ন ডলার। বাকি অর্থের উত্স এখন পর্যন্ত অজানা। তথাকথিত ‘সামাজিক উন্নয়ন গ্রুপ’গুলো তাদের অর্থদাতাদের পরিচয় উন্মোচন করতে চায় না। আর তারা নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করতে খরচ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় যায়? মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সংগৃহীত অর্থের সিংহভাগ খরচ হয় বিজ্ঞাপন নির্মাণে। উত্তেজনাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে গত এক মাসে নির্মিত হয়েছে প্রায় তিন লাখ টেলিভিশন বিজ্ঞাপন। এগুলোর মধ্যে বারাক ওবামার সমর্থনে ছিল এক লাখ ৬০ হাজার, আর মিট রমনির সমর্থনে ছিল এক লাখ ৪০ হাজার বিজ্ঞাপন। বিবিসি অনলাইন।প্রথম আলো

ট্যাগ:
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV